বঞ্চনার অবসান চাই; রাজ্যের ২৯৪ জন বিধায়কের দ্বারস্থ আপার প্রাইমারীর চাকরিপ্রার্থীরা। #Exclusive
নজরবন্দি ব্যুরোঃ সাত বছরের নিয়োগ বঞ্চনার প্রতিবাদ, মেধা তালিকায় একাধিক অসঙ্গতির অভিযোগে বাড়িতে থেকেই পোস্টার, দেওয়াল লিখন এবং লাইভ ভিডিও কর্মসূচী, শেষে গাছ লাগানো এবং স্কুল সার্ভিস কমিশনে গেজেট গণ ইমেলের পর আবারও নিজেদের দাবি আদায়ে নতুন ধরনের আন্দোলনে নামলেন আপার প্রাইমারীর বঞ্চিত চাকুরিপ্রার্থীরা। নিয়োগ প্রার্থীদের স্বাক্ষর সম্বলিত পিটিশনে স্কুল সার্ভিস কমিশনের যাবতীয় অসঙ্গতি লিপিবদ্ধ করে অসঙ্গতিগুলি দূর করে মামলার জটে আটকে থাকা নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করার জন্য রাজ্যের প্রত্যেক বিধায়কের সহানুভূতি প্রার্থনা করলেন তাঁরা।
পশ্চিমবঙ্গ আপার প্রাইমারী চাকরিপ্রার্থী মঞ্চ সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী ১ মাস ধরে রাজ্যের ২৯৪ জন বিধায়কের কাছেই তাঁদের করুন অবস্থার কথা তুলে ধরবে। ইতিমধ্যেই, রাজ্যের ২ জন বিধায়কের কাছে দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি পৌঁছে দিয়েছেন তাঁরা। গত ১৬ই জুন ফারাক্কার বিধায়ক এবং আজ ভগবানগোলার বিধায়কের কাছে তাঁরা দাবিপত্র পেশ করেছেন। উভয় বিধায়কই তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। মঞ্চের দাবি, দীর্ঘ ছয় বছরের আন্দোলন ও আইনি প্রক্রিয়ার পর কমিশন ৪ঠা অক্টোবর ২০১৯ যে মেরিট লিস্ট প্রকাশ করেছে তাতেও বিস্তর অসঙ্গতি রয়েছে। প্রায় বারো হাজার চাকরি প্রার্থী কমিশনে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জানান। পাশাপাশি অনেকেই আদালতের দ্বারস্থ হন। মঞ্চের অভিযোগ মেধাতালিকায় ইন্টারভিউ দেওয়া সকল প্রার্থীর নাম নেই। টেট ও অ্যাকাডেমিক স্কোরেও রয়েছে বিস্তর অসঙ্গতি। ইন্টারভিউতে ডাকার ক্ষেত্রে শূন্যপদ ও প্রার্থীর ১ : ১.৪ রেশিও মানা হয়নি।
নিয়োগ বিধিতে ইন্টারভিউ তালিকা প্রকাশের আগে পর্যন্ত শূণ্যপদ আপডেটের কথা থাকলেও সাত বছরের শুণ্যপদ তেমন বাড়েনি বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা কমে গেছে। এমনকি নব স্হাপিত বিদ্যালয় গুলির অনুমোদিত ৫১০৮ টি শূন্যপদও ফাইনাল ভেকেন্সিতে যুক্ত হয়নি। এই কারনেই পশ্চিমবঙ্গ আপার প্রাইমারী চাকরিপ্রার্থী মঞ্চ সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী ১ মাস ধরে রাজ্যের ২৯৪ জন বিধায়কের কাছেই তাঁদের করুন অবস্থার কথা তুলে ধরবে।
পশ্চিমবঙ্গ আপার প্রাইমারী চাকরিপ্রার্থী মঞ্চ সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী ১ মাস ধরে রাজ্যের ২৯৪ জন বিধায়কের কাছেই তাঁদের করুন অবস্থার কথা তুলে ধরবে। ইতিমধ্যেই, রাজ্যের ২ জন বিধায়কের কাছে দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি পৌঁছে দিয়েছেন তাঁরা। গত ১৬ই জুন ফারাক্কার বিধায়ক এবং আজ ভগবানগোলার বিধায়কের কাছে তাঁরা দাবিপত্র পেশ করেছেন। উভয় বিধায়কই তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। মঞ্চের দাবি, দীর্ঘ ছয় বছরের আন্দোলন ও আইনি প্রক্রিয়ার পর কমিশন ৪ঠা অক্টোবর ২০১৯ যে মেরিট লিস্ট প্রকাশ করেছে তাতেও বিস্তর অসঙ্গতি রয়েছে। প্রায় বারো হাজার চাকরি প্রার্থী কমিশনে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জানান। পাশাপাশি অনেকেই আদালতের দ্বারস্থ হন। মঞ্চের অভিযোগ মেধাতালিকায় ইন্টারভিউ দেওয়া সকল প্রার্থীর নাম নেই। টেট ও অ্যাকাডেমিক স্কোরেও রয়েছে বিস্তর অসঙ্গতি। ইন্টারভিউতে ডাকার ক্ষেত্রে শূন্যপদ ও প্রার্থীর ১ : ১.৪ রেশিও মানা হয়নি।
নিয়োগ বিধিতে ইন্টারভিউ তালিকা প্রকাশের আগে পর্যন্ত শূণ্যপদ আপডেটের কথা থাকলেও সাত বছরের শুণ্যপদ তেমন বাড়েনি বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা কমে গেছে। এমনকি নব স্হাপিত বিদ্যালয় গুলির অনুমোদিত ৫১০৮ টি শূন্যপদও ফাইনাল ভেকেন্সিতে যুক্ত হয়নি। এই কারনেই পশ্চিমবঙ্গ আপার প্রাইমারী চাকরিপ্রার্থী মঞ্চ সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী ১ মাস ধরে রাজ্যের ২৯৪ জন বিধায়কের কাছেই তাঁদের করুন অবস্থার কথা তুলে ধরবে।

No comments