টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীদের গন ইমেলে টনক নড়ল শিক্ষামন্ত্রীর; অবশেষে নিয়োগের আশ্বাস।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনা ও আমফানের আবহে সরকারী চাকুরীজীবি ছাড়া প্রায় সকলেরই জীবন জীবিকায় ছেদ পড়েছে। নতুন কর্মস্থান তো দূর অস্ত বরং কর্মহীন হয়ে পড়েছেন অসংখ্য মানুষ। দেশ ও রাজ্যের এই বেহাল পরিস্থিতিতে, দুমুঠো অন্য জোগাড়ের জন্য মরিয়া হয়ে উঠছে শ্রমজীবি মানুষ থেকে চাকুরীপ্রার্থীরা। অপেক্ষার প্রহর গুনতে গুনতে প্রায়শই বিদ্রোহের আগুন জ্বলে উঠছে তিতিবিরিক্ত প্রাথমিক টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে। এই পরিস্থিতিতে একপ্রকার প্রায় নিরুপায় হয়ে বাড়ি থেকেই তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নরকমভাবে প্রতিবাদ কর্মসূচী গ্রহণ করছে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য।
কখনো তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টার বিদ্রোহ করছে্ন, কখনো বা মুখ্যমন্ত্রী-শিক্ষামন্ত্রীর ওয়ালে গিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন। কিন্তু এবার তাতে নতুন মাত্রা যোগ করে দিন সাতেক আগে প্রাইমারি টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীরা গণ ইমেইল কর্মসূচি নেয়।
#BreakingNews: মোদি চিন কে তুষ্ট করার চেষ্টা করছেন! দাবি জাপান টাইমসের। "আত্মসমর্পন", বিস্ফোরক রাহুল।
এবার সরকারি দফতর, শিক্ষামন্ত্রী কিংবা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নয়, সরাসরি কোলকাতা হাইকোর্টের রেজিস্টার জেনারেলের কাছে গন ই-মেইল। দুইজন প্রাথমিক টেট উত্তীর্ণ প্রার্থী শেখ নাসিম আহমেদ ও হাসিবুল রহমান মন্ডলের উদ্যোগে প্রায় পাঁচ শতাধিক টেট উত্তীর্ণ প্রার্থী সরাসরি কোলকাতা হাইকোর্টের রেজিস্টার জেনারেলের কাছে ইমেইল করে দীর্ঘদিন ধরে ডিভিশান বেঞ্চে ঝুলে থাকা প্রাথমিক টেট পাশ সার্টিফিকেট সংক্রান্ত মামলাটির (MAT/808/2019) দ্রুত নিস্পত্তির আর্জি জানান।
অভিযোগ, ২০১৪ এর প্রাথমিক টেটে ব্যাপক দুর্ণীতির ফাঁস রুখতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ নোটিফিকেশনে টেট পাশ সার্টিফিকেট দেওয়ার কথা উল্লেখ করেও কোনো টেট পাশ সার্টিফিকেট দেয় নি, যা NCTE – নিয়মেরও পরিপন্থী; কারণ NCTE নিয়মে স্পষ্ট উল্লেখ করা আছে একবার টেট পাশ করলে, উত্তীর্ণ প্রার্থীদের সার্টিফিকেট দিতে হবে যার মেয়াদ থাকবে ৭ বছর পর্যন্ত।
কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ দুর্ণীতি ফাঁস রুখতে নিজেদের কথার খেলাপ করে ও NCTE নিয়ম ভেঙে কাউকেই কোনো টেট পাশ সার্টিফিকেট দেয় নি।পরবর্তীকালে নিজেদের হক আদায় করে নেওয়ার জন্য বহু প্রাথমিক টেট উত্তীর্ণ প্রার্থী বাধ্য হয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ, গত ০৮/০৪/২০১৯ তারিখে কোলকাতা হাইকোর্ট পিটিশনারদের পক্ষে রায় দিয়ে ২ মাসের মধ্যে পর্ষদকে টেট সার্টিফিকেট দেওয়ার নির্দেশ দিলেও পর্ষদ ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টিকে এড়িয়ে যাবার জন্য ও সময় কাটানোর জন্য ডিভিশান বেঞ্চে চ্যালেঞ্জ করে মামলাটিকে ফেলে রেখে দিয়েছে।গন ইমেল কর্মসূচীর পর শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, "ওই চাকরিপ্রার্থীদের প্রার্থীদের প্রতি আমরা সহানুভূতিশীল। তখন প্রশিক্ষণ না-থাকায় নিয়োগ হয়নি। নিয়োগ প্রক্রিয়া ফের শুরু হলে টেট পাশ প্রার্থীদের কথা ভাবা হবে।" অর্থাৎ শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হলে ভাগ্য খুলবে প্রশিক্ষিতদের। পাশাপাশি শিক্ষা দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, অনেক জটিলতা কেটেছে। বাকি জটও দ্রুত কাটানোর চেষ্টা চলছে।
কখনো তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টার বিদ্রোহ করছে্ন, কখনো বা মুখ্যমন্ত্রী-শিক্ষামন্ত্রীর ওয়ালে গিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন। কিন্তু এবার তাতে নতুন মাত্রা যোগ করে দিন সাতেক আগে প্রাইমারি টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীরা গণ ইমেইল কর্মসূচি নেয়।
#BreakingNews: মোদি চিন কে তুষ্ট করার চেষ্টা করছেন! দাবি জাপান টাইমসের। "আত্মসমর্পন", বিস্ফোরক রাহুল।
এবার সরকারি দফতর, শিক্ষামন্ত্রী কিংবা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নয়, সরাসরি কোলকাতা হাইকোর্টের রেজিস্টার জেনারেলের কাছে গন ই-মেইল। দুইজন প্রাথমিক টেট উত্তীর্ণ প্রার্থী শেখ নাসিম আহমেদ ও হাসিবুল রহমান মন্ডলের উদ্যোগে প্রায় পাঁচ শতাধিক টেট উত্তীর্ণ প্রার্থী সরাসরি কোলকাতা হাইকোর্টের রেজিস্টার জেনারেলের কাছে ইমেইল করে দীর্ঘদিন ধরে ডিভিশান বেঞ্চে ঝুলে থাকা প্রাথমিক টেট পাশ সার্টিফিকেট সংক্রান্ত মামলাটির (MAT/808/2019) দ্রুত নিস্পত্তির আর্জি জানান।
অভিযোগ, ২০১৪ এর প্রাথমিক টেটে ব্যাপক দুর্ণীতির ফাঁস রুখতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ নোটিফিকেশনে টেট পাশ সার্টিফিকেট দেওয়ার কথা উল্লেখ করেও কোনো টেট পাশ সার্টিফিকেট দেয় নি, যা NCTE – নিয়মেরও পরিপন্থী; কারণ NCTE নিয়মে স্পষ্ট উল্লেখ করা আছে একবার টেট পাশ করলে, উত্তীর্ণ প্রার্থীদের সার্টিফিকেট দিতে হবে যার মেয়াদ থাকবে ৭ বছর পর্যন্ত।
কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ দুর্ণীতি ফাঁস রুখতে নিজেদের কথার খেলাপ করে ও NCTE নিয়ম ভেঙে কাউকেই কোনো টেট পাশ সার্টিফিকেট দেয় নি।পরবর্তীকালে নিজেদের হক আদায় করে নেওয়ার জন্য বহু প্রাথমিক টেট উত্তীর্ণ প্রার্থী বাধ্য হয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ, গত ০৮/০৪/২০১৯ তারিখে কোলকাতা হাইকোর্ট পিটিশনারদের পক্ষে রায় দিয়ে ২ মাসের মধ্যে পর্ষদকে টেট সার্টিফিকেট দেওয়ার নির্দেশ দিলেও পর্ষদ ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টিকে এড়িয়ে যাবার জন্য ও সময় কাটানোর জন্য ডিভিশান বেঞ্চে চ্যালেঞ্জ করে মামলাটিকে ফেলে রেখে দিয়েছে।গন ইমেল কর্মসূচীর পর শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, "ওই চাকরিপ্রার্থীদের প্রার্থীদের প্রতি আমরা সহানুভূতিশীল। তখন প্রশিক্ষণ না-থাকায় নিয়োগ হয়নি। নিয়োগ প্রক্রিয়া ফের শুরু হলে টেট পাশ প্রার্থীদের কথা ভাবা হবে।" অর্থাৎ শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হলে ভাগ্য খুলবে প্রশিক্ষিতদের। পাশাপাশি শিক্ষা দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, অনেক জটিলতা কেটেছে। বাকি জটও দ্রুত কাটানোর চেষ্টা চলছে।

No comments