নন্দীগ্রামে বাম ব্যাক! পার্টি অফিস খুলে লাল ঝান্ডা ওড়াল শ্রমিকরা; নির্বাক দর্শক তৃণমূল।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ লকডাউনে কার্যত দিশেহারা রাজ্যের দিন আনা দিন খাওয়া মানুষেরা, এই অবস্থায় সেই সব দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বামেরা রাজ্যে ফের প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। কয়েক হাজার কমিউনিটি কিচেন থেকে প্রায় ২ কোটি মানুষ খাওয়ার পেয়েছে! বিশ্বাস করতে অনেকের কষ্ট হলেও ঘটনা টা সত্যি। রাজ্যের শহর থেকে গ্রাম যেখানেই মানুষের অভুক্ত থাকার খবর পৌঁছেছে বাম নেতাদের কাছে সেখানেই পৌঁছে গেছে সাহায্য। সব থেকে বেশি সক্রিয়তা দেখিয়েছে এক্ষেত্রে বাম ছাত্ররা।
যেখানে রাজ্য জুড়ে ত্রান নিয়ে কার্যত লুটপাট চলছে শাসক দলের সেখানে নিজেরা চাঁদা তুলে গরীবের ত্রাতার ভূমিকায় দেখা গিয়েছে বাম সমর্থক-নেতা-কর্মীদের। আর এই সক্রিয়তাই বামেদের পায়ের তলার মাটি ফের শক্ত করল রাজ্যে। মিডিয়া কভারেজ না পেলেও সরাসরি বামের মানুষের কাছে পৌঁছেছেন যার ফল মিলছে হাতে নাতে।
নন্দীগ্রাম মনে আছে রাজ্যবাসীর, যে নন্দিগ্রাম থেকে বামেদের পতন শুরু হয়েছিল। যেখানে বামেদের কার্যত নির্মূল করে দিয়েছিলেন সাধারন মানুষ এবার সেখানেই ফের সাধারন মানুষের সহযোগীতাতেই পার্টি অফিস খুলে ফেলল বামেরা। না নতুন কোন পার্টি অফিস নয়।
নন্দীগ্রামে একদা তৃণমূল-মাওবাদীদের হাতে অর্ধদগ্ধ হওয়া একটি তিনতলা পার্টি অফিস। কিন্তু খুললেন কারা? শুধুই বাম সমর্থকরা? না। পার্টি অফিস খুলতে অগ্রণী ভূমিকা নিলেন অন্যরাজ্যে মাত্র চার ঘণ্টার নোটিশে লক ডাউন ঘোষণায় আটকে পড়া শ্রমিকরা। বাড়িতে ফিরে তাঁদের আশ্রয়স্থল এখন সেই পার্টি অফিস। শ্রমিক আর তাঁদের বাড়ির লোকজন লালঝান্ডা হাতে বাম নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে গিয়ে খোলালেন পার্টি অফিস। কার্যত দাঁড়িয়ে দেখল তৃণমূলের নেতারা।
বাম নেতারা জানিয়েছেন, নন্দিগ্রামের মানুষদের এখন থেকে এই পার্টি অফিস থেকেই ত্রান বিলি করা হবে। এবং ইতিমধ্যেই সেখান থেকে শুরু হয়েছে ত্রান বিলি।
যেখানে রাজ্য জুড়ে ত্রান নিয়ে কার্যত লুটপাট চলছে শাসক দলের সেখানে নিজেরা চাঁদা তুলে গরীবের ত্রাতার ভূমিকায় দেখা গিয়েছে বাম সমর্থক-নেতা-কর্মীদের। আর এই সক্রিয়তাই বামেদের পায়ের তলার মাটি ফের শক্ত করল রাজ্যে। মিডিয়া কভারেজ না পেলেও সরাসরি বামের মানুষের কাছে পৌঁছেছেন যার ফল মিলছে হাতে নাতে।
নন্দীগ্রাম মনে আছে রাজ্যবাসীর, যে নন্দিগ্রাম থেকে বামেদের পতন শুরু হয়েছিল। যেখানে বামেদের কার্যত নির্মূল করে দিয়েছিলেন সাধারন মানুষ এবার সেখানেই ফের সাধারন মানুষের সহযোগীতাতেই পার্টি অফিস খুলে ফেলল বামেরা। না নতুন কোন পার্টি অফিস নয়।
নন্দীগ্রামে একদা তৃণমূল-মাওবাদীদের হাতে অর্ধদগ্ধ হওয়া একটি তিনতলা পার্টি অফিস। কিন্তু খুললেন কারা? শুধুই বাম সমর্থকরা? না। পার্টি অফিস খুলতে অগ্রণী ভূমিকা নিলেন অন্যরাজ্যে মাত্র চার ঘণ্টার নোটিশে লক ডাউন ঘোষণায় আটকে পড়া শ্রমিকরা। বাড়িতে ফিরে তাঁদের আশ্রয়স্থল এখন সেই পার্টি অফিস। শ্রমিক আর তাঁদের বাড়ির লোকজন লালঝান্ডা হাতে বাম নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে গিয়ে খোলালেন পার্টি অফিস। কার্যত দাঁড়িয়ে দেখল তৃণমূলের নেতারা।
বাম নেতারা জানিয়েছেন, নন্দিগ্রামের মানুষদের এখন থেকে এই পার্টি অফিস থেকেই ত্রান বিলি করা হবে। এবং ইতিমধ্যেই সেখান থেকে শুরু হয়েছে ত্রান বিলি।


No comments