ড্রাগ কন্ট্রোলের অনুমতি পেয়ে বাজারে আসছে করোনার আরও দুই ওষুধ সিপ্রেমি ও কোভিফোর
নজরবন্দি ব্যুরোঃ কোভিড-১৯ এর চিকিত্সায় অ্যান্টি-রেট্রোভিয়াল ওষুধ ফ্যাভিপিরাভিরের প্রয়োগে অনুমতি দিয়েছে ড্রাগ কন্ট্রোল। অনুমতি পাওয়ার পরেই মুম্বইয়ের গ্লেনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যালস বাজারে আনতে চলেছে ফ্যাভিপিরাভিরের ব্র্যান্ড ফ্যাবিফ্লু। সিপ্রেমি এবং কোভিফোর, এই দুই অ্যান্টিভাইরাল ওষুধের ক্ষেত্রেও এই অনুমতি দিয়েছে ড্রাগ কন্ট্রোল। দেশের দুই বড় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি সিপলা ও হেটেরো ল্যাব বাজারে আনতে চলেছে রেমডেসিভিরের এই দুই জেনেরিক ভার্সন। রেমডেসিভির ও ফ্যাভিপিরাভির এই দুই ওষুধেরই ভালো মিলেছে করোনার সলিডারিটি ট্রায়ালে। আইসিএমআর এতো দিন পর্যন্ত রেমডেসিভিরের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চালিয়ে গেছে। ড্রাগ কন্ট্রোলের অনুমতি মেলার পর খুব শীঘ্রই এই ওষুধের ব্যবহার শুরু হবে।
অন্যদিকে জাপানি ওষুধ ফ্যাভিপিরাভিরের রিকভারি ট্রায়ালের রিপোর্টও সন্তোষজনক বলে জানা যাচ্ছে। রেমডেসিভির ও ফ্যাভিপিরাভির ওষুধ দুটি তৈরি করেছে বিদেশি কোম্পানি। অ্যান্টিভাইরাল রেমডেসিভির এবং অ্যান্টি রেট্রোভিয়াল ফ্যাভিপিরাভিরের জেনেরিক ভার্সন তৈরি করছে ভারতের বায়োটেকনোলজি ও ফার্মাসিউটিক্যাল ল্যাব গুলি। সিপলা ও হেটেরো ল্যাব বানাচ্ছে রেমডেসিভিরের দুই ব্র্যান্ড সিপ্রেমি ও কোভিফোর। এবং ফ্যাভিপিরাভিরের ব্র্যান্ড ফ্যাবিফ্লু বানাচ্ছে মুম্বইয়ের গ্লেনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যালস। মার্কিন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেসসিয়াস ডিজিজ-এর দাবি, গিলিয়েড সায়েন্সেসের তৈরি রেমডেসিভির করোনা সংক্রমণ কমাতে সক্ষম। রেমডেসিভিরের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চালাচ্ছে গিলিয়েড। সেই ট্রায়ালের রিপোর্ট অনুযায়ী, ওষুধের প্রয়োগে ১১ দিনের মধ্যেই করোনা রোগীদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি লক্ষ করা যাচ্ছে। রেমডেসিভিরের ট্রায়াল প্রথম শুরু করে আইসিএমআর। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ তাদের ট্রায়ালের প্রাথমিক রিপোর্টে জানিয়েছে, এই ওষুধ প্রায় ৬৮% রোগীর শ্বাস কষ্টের সমস্যা কম করছে। কাউন্সিল অব সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ (সিএসআইআর)-এর অধীনস্থ ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব কেমিক্যাল টেকনোলজি ল্যাব। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব কেমিক্যাল টেকনোলজি ল্যাব গিলিয়েডের সঙ্গে চুক্তি বদ্ধ হয়ে এই ওষুধ বানাচ্ছে। এই ওষুধের জেনেরিক ভার্সন তৈরি করছে সিপলা, হেটেরো ল্যাব ও জুবিল্যান্ট লাইফসায়েন্স। যাঁদের মধ্যে সংক্রমণ অল্প মাত্রায় দেখা দিয়েছে তাঁদের জরুরি অবস্থাতেই শুধু মাত্র রেমডেসিভির ওষুধ দেওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশের ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল ভিজি সোমানি।
হেটেরো ল্যাব তরফে জানিয়েছে, রেমডেসিভিরের দুই ব্র্যান্ড সিপ্রেমি ও কোভিফোরের এক একটি ভায়ালের দাম পড়বে পাঁচ থেকে ছ'হাজার টাকা। সেখানে পাঁচদিনের কোর্সে ট্রিটমেন্টে খরচ হবে ৩০ হাজার টাকা। ওষুধের দাম সম্পর্কে এখন কিছু জানায়নি সিপলা। হেটোরো ল্যাব জানিয়েছে, প্রথম দিন ২০০ মিলিগ্রাম ডোজে ওষুধ ইনজেক্ট করা হবে রোগীর শরীরে। তাঁর পর থেকে ইনজেক্ট করা হবে । তবে শুধুমাত্র জরুরি ভিত্তিতে সঠিক নির্দেশিকা মেনে অভিজ্ঞ ডাক্তাররাই এই দুই ওষুধের ডোজ দিতে পারবে করোনা সংক্রমিতদের।
অন্যদিকে জাপানি ওষুধ ফ্যাভিপিরাভিরের রিকভারি ট্রায়ালের রিপোর্টও সন্তোষজনক বলে জানা যাচ্ছে। রেমডেসিভির ও ফ্যাভিপিরাভির ওষুধ দুটি তৈরি করেছে বিদেশি কোম্পানি। অ্যান্টিভাইরাল রেমডেসিভির এবং অ্যান্টি রেট্রোভিয়াল ফ্যাভিপিরাভিরের জেনেরিক ভার্সন তৈরি করছে ভারতের বায়োটেকনোলজি ও ফার্মাসিউটিক্যাল ল্যাব গুলি। সিপলা ও হেটেরো ল্যাব বানাচ্ছে রেমডেসিভিরের দুই ব্র্যান্ড সিপ্রেমি ও কোভিফোর। এবং ফ্যাভিপিরাভিরের ব্র্যান্ড ফ্যাবিফ্লু বানাচ্ছে মুম্বইয়ের গ্লেনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যালস। মার্কিন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেসসিয়াস ডিজিজ-এর দাবি, গিলিয়েড সায়েন্সেসের তৈরি রেমডেসিভির করোনা সংক্রমণ কমাতে সক্ষম। রেমডেসিভিরের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চালাচ্ছে গিলিয়েড। সেই ট্রায়ালের রিপোর্ট অনুযায়ী, ওষুধের প্রয়োগে ১১ দিনের মধ্যেই করোনা রোগীদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি লক্ষ করা যাচ্ছে। রেমডেসিভিরের ট্রায়াল প্রথম শুরু করে আইসিএমআর। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ তাদের ট্রায়ালের প্রাথমিক রিপোর্টে জানিয়েছে, এই ওষুধ প্রায় ৬৮% রোগীর শ্বাস কষ্টের সমস্যা কম করছে। কাউন্সিল অব সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ (সিএসআইআর)-এর অধীনস্থ ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব কেমিক্যাল টেকনোলজি ল্যাব। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব কেমিক্যাল টেকনোলজি ল্যাব গিলিয়েডের সঙ্গে চুক্তি বদ্ধ হয়ে এই ওষুধ বানাচ্ছে। এই ওষুধের জেনেরিক ভার্সন তৈরি করছে সিপলা, হেটেরো ল্যাব ও জুবিল্যান্ট লাইফসায়েন্স। যাঁদের মধ্যে সংক্রমণ অল্প মাত্রায় দেখা দিয়েছে তাঁদের জরুরি অবস্থাতেই শুধু মাত্র রেমডেসিভির ওষুধ দেওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশের ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল ভিজি সোমানি।
হেটেরো ল্যাব তরফে জানিয়েছে, রেমডেসিভিরের দুই ব্র্যান্ড সিপ্রেমি ও কোভিফোরের এক একটি ভায়ালের দাম পড়বে পাঁচ থেকে ছ'হাজার টাকা। সেখানে পাঁচদিনের কোর্সে ট্রিটমেন্টে খরচ হবে ৩০ হাজার টাকা। ওষুধের দাম সম্পর্কে এখন কিছু জানায়নি সিপলা। হেটোরো ল্যাব জানিয়েছে, প্রথম দিন ২০০ মিলিগ্রাম ডোজে ওষুধ ইনজেক্ট করা হবে রোগীর শরীরে। তাঁর পর থেকে ইনজেক্ট করা হবে । তবে শুধুমাত্র জরুরি ভিত্তিতে সঠিক নির্দেশিকা মেনে অভিজ্ঞ ডাক্তাররাই এই দুই ওষুধের ডোজ দিতে পারবে করোনা সংক্রমিতদের।

No comments