সব কাজ ফেলে সর্বদলীয় বৈঠকে আসুন, দিলীপ ঘোষকে বললেন মুখ্যমন্ত্রী
নজরবন্দি ব্যুরো: সব কাজ বাদ দিয়ে আগামী বুধবার সর্বদলীয় বৈঠকে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে ফোন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য রাজনীতির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই ঘটনা ঘটেছে সোমবার দুপুরে।ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের এই দুই ব্যক্তিত্বের অবস্থান সম্পূর্ণ উল্টো মেরুতে। সেখানে করোনা ও আম্ফান নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠকে দিলীপ ঘোষকে উপস্থিত থাকতে বলে কার্যত মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। দিলীপও বিকেলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধ করেছেন বলেই বুধবারের সভায় উপস্থিত থাকবেন তিনি।এদিন বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলনে দিলীপ ঘোষ জানান, দুপুরে মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে ফোন আসে। সেই ফোনের ওপারে ছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ২৪ তারিখের বৈঠকে যোগ দেওয়ার অনুরোধ করেছেন। যদিও দিলীপ জানিয়েছিলেন, ওই দিন মেদিনীপুরে একটি কর্মসূচি রয়েছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে সেই কর্মসূচি বাতিল করে ওই বৈঠকে যোগ দেওয়ার আর্জি জানান।
মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে আসা এই অনুরোধ ফেলতে পারেননি দিলীপ ঘোষ। তিনি এদিন জানান, আমি অনেকদিন আগেই এই ধরনের সর্বদলীয় বৈঠকের কথা বলেছিলাম। সেটা অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী করছেন। আমরা যাব। সেখানে আমাদের যা বলার তা বলব। দেখা যাক। তবে শুধু দিলীপ ঘোষই নয় মুখ্যমন্ত্রী এদিন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যা বিমান বসু ও বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নানকেও ফোন করেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবারের বৈঠকে এঁদের সকলকেই থাকতে অনুরোধ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর এই ফোনগুলির মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিলীপ ঘোষের সঙ্গে কথা বলা। কারণ এর আগে মান্নান ও বিমান বসুর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর সামনাসামনি কথা হয়েছে। কিন্তু দিলীপ ঘোষের সঙ্গে সেভাবে হয়নি। যা হয়েছে তা পরোক্ষে। তাই এই ফোন ও দিলীপের উপস্থিতির উপর অনেককিছুই নির্ভর করছে। রাজ্য রাজনীতির এই নয়া সমীকরণের জন্য বুধবার পর্যন্ত এখন অপেক্ষা করা ছাড়া অন্য গতি নেই।
মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে আসা এই অনুরোধ ফেলতে পারেননি দিলীপ ঘোষ। তিনি এদিন জানান, আমি অনেকদিন আগেই এই ধরনের সর্বদলীয় বৈঠকের কথা বলেছিলাম। সেটা অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী করছেন। আমরা যাব। সেখানে আমাদের যা বলার তা বলব। দেখা যাক। তবে শুধু দিলীপ ঘোষই নয় মুখ্যমন্ত্রী এদিন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যা বিমান বসু ও বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নানকেও ফোন করেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবারের বৈঠকে এঁদের সকলকেই থাকতে অনুরোধ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর এই ফোনগুলির মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিলীপ ঘোষের সঙ্গে কথা বলা। কারণ এর আগে মান্নান ও বিমান বসুর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর সামনাসামনি কথা হয়েছে। কিন্তু দিলীপ ঘোষের সঙ্গে সেভাবে হয়নি। যা হয়েছে তা পরোক্ষে। তাই এই ফোন ও দিলীপের উপস্থিতির উপর অনেককিছুই নির্ভর করছে। রাজ্য রাজনীতির এই নয়া সমীকরণের জন্য বুধবার পর্যন্ত এখন অপেক্ষা করা ছাড়া অন্য গতি নেই।

No comments