ভারত-চীন সংঘর্ষের পরেও রাস্তা নির্মাণের কাজে অনড় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক
নজরবন্দি ব্যুরো : ১৫ জুন লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত-চীন সংঘর্ষ হয়। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায়র পরিস্থিতি সামাল দিতে সোমবার দুই দেশের সেনাকর্তারা বৈঠক করেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক নিজেদের অবস্থান থেকে এক পাও সরছে না। নিয়ন্ত্রণ রেখার এপারের এলাকায় রাস্তা নির্মাণের কাজে নজর রাখছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার এপারে নির্মাণকাজ মূল্যায়নের জন্য ফের বৈঠক করলেন বর্ডার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সচিব সঞ্জীব কুমার। গত পাঁচদিনে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার বৈঠক করা হল। লাদাখের গালওয়ান উপত্যকা থেকে শিওক পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ করছে ভারত। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাস্তা নির্মাণের জন্যই চীনের আগ্রাসন বেড়েছে পূর্ব লাদাখে। যার কারণেই ভারত-চীন সংঘাত হয়। সংঘাতে ভারতের ২০ জন জওয়ান শহিদ হয়েছেন।
আহত হয়েছেন ৭৬ জন জওয়ান। সুত্রের খবর অনুসারে, চীনের অন্তত ৪৫ জন জওয়ান হতাহত হয়েছেন এবং নিহত হয়েছেন এক কমান্ডিং অফিসার। এলাকায় সংযোগ রক্ষার জন্য রাস্তা, বিমান ঘাঁটি তৈরি করছে ভারত। দারবুক থেকে দৌলত বেগ পর্যন্ত রাস্তা তৈরি কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। সূত্রের খবর, দ্রুতিগতিতে নির্মাণকাজ শেষ করাই লক্ষ্য ভারতের লক্ষ্য। কারণ, ২০১৯ সালের মধ্যে ওই এলাকায় ৩২টি সড়ক নির্মাণ করার কথা ছিল। লাদাখ, অরুণাচল প্রদেশ, সিকিমেও সড়ক তৈরির কাজ চলছে। সরক নির্মাণের ছাড়পত্রের জন্য বৈঠকে বসেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইন্দো–তিব্বত বর্ডার পুলিশ, বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন, সেন্ট্রাল পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট। জানা যাচ্ছে, আকাশপথে নির্মাণের মালমশলা আমদানির ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে। এর আগে বেশ কয়েকবার তা কার্যকরও করা হয়েছে। ভারত গত ৬ বছরে নিয়ন্ত্রণরেখার সংলগ্ন এলাকায় ৪,৭৬৪ কিলোমিটার কৌশলগত সড়ক নির্মাণ করেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের হিসাবে, নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন এলাকায় ২০০৮ সালে থেকে প্রতি বছর ২৩০ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করা হত। ২০১৭ সালে তা বেড়ে দাড়িয়েছে ৪৭০ কিলোমিটার। ২০০৮ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মাত্র একটি টানেল তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। অথচ গত ৬ বছরে ছ’টি টানেল তৈরি করা হয়েছে। এবং ভারত–চীন সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় ১৪ হাজার ৪৫০ মিটার সেতুও নির্মাণ করা হয়েছে। সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় উন্নয়নের জন্য গত বছর ৮,০৫০ কোটি টাকা থেকে বরাদ্দ বাড়িয়ে ১১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা করা হয়েছে।
আহত হয়েছেন ৭৬ জন জওয়ান। সুত্রের খবর অনুসারে, চীনের অন্তত ৪৫ জন জওয়ান হতাহত হয়েছেন এবং নিহত হয়েছেন এক কমান্ডিং অফিসার। এলাকায় সংযোগ রক্ষার জন্য রাস্তা, বিমান ঘাঁটি তৈরি করছে ভারত। দারবুক থেকে দৌলত বেগ পর্যন্ত রাস্তা তৈরি কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। সূত্রের খবর, দ্রুতিগতিতে নির্মাণকাজ শেষ করাই লক্ষ্য ভারতের লক্ষ্য। কারণ, ২০১৯ সালের মধ্যে ওই এলাকায় ৩২টি সড়ক নির্মাণ করার কথা ছিল। লাদাখ, অরুণাচল প্রদেশ, সিকিমেও সড়ক তৈরির কাজ চলছে। সরক নির্মাণের ছাড়পত্রের জন্য বৈঠকে বসেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইন্দো–তিব্বত বর্ডার পুলিশ, বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন, সেন্ট্রাল পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট। জানা যাচ্ছে, আকাশপথে নির্মাণের মালমশলা আমদানির ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে। এর আগে বেশ কয়েকবার তা কার্যকরও করা হয়েছে। ভারত গত ৬ বছরে নিয়ন্ত্রণরেখার সংলগ্ন এলাকায় ৪,৭৬৪ কিলোমিটার কৌশলগত সড়ক নির্মাণ করেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের হিসাবে, নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন এলাকায় ২০০৮ সালে থেকে প্রতি বছর ২৩০ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করা হত। ২০১৭ সালে তা বেড়ে দাড়িয়েছে ৪৭০ কিলোমিটার। ২০০৮ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মাত্র একটি টানেল তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। অথচ গত ৬ বছরে ছ’টি টানেল তৈরি করা হয়েছে। এবং ভারত–চীন সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় ১৪ হাজার ৪৫০ মিটার সেতুও নির্মাণ করা হয়েছে। সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় উন্নয়নের জন্য গত বছর ৮,০৫০ কোটি টাকা থেকে বরাদ্দ বাড়িয়ে ১১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা করা হয়েছে।

No comments