খুললেও নেই বিক্রি, তাই বাধ্য হয়েই বন্ধ হল কোলকাতার অনেক রেঁস্তোরা!
নজরবন্দি ব্যুরো: লকডাউন পর্ব কাটিয়ে দেশজুড়ে এখন চলছে আনলক পর্ব। শুরু হয়ে গিয়েছে সব কিছু আগেকার অবস্থাতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা। সেই পদক্ষেপেরই অঙ্গ হিসাবে ছাড় দেওয়া হয়েছিল হোটেল ও রেস্তোরাঁ খোলার ক্ষেত্রে। সেই ছাড়ের জোরেই কলকাতার বুকে খুলেছে একের পর এক হোটেল ও রেস্তোরাঁ। কিন্তু সেই এব হোটেল ও রেস্তোরাঁ মালিকদেঅভিজ্ঞতা খুব একটা সুখের নয়। দিনভর মাছি তাড়িয়ে ক্রেতার অভাবে আবারও ওই সব হোটেল ও রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তাঁরা।লকডাউনের আড়াই মাস কলকাতার বুকে বন্ধ ছিল যাবতীয় হোটেল, রেস্তোরাঁ, বার। কিন্তু জুন মাসের শুরু থেকেই আনলক পর্বে একে একে এই সব হোটেল ও রেস্তোরাঁ খুলতে বলা হয়। তার জেরে শহরের বুকে বেশ কিছু হোটেল ও রেস্তোরাঁ খুলেওছিল।
কিন্তু সেই সব হোটেল ও রেস্তোরাঁর মালিকেদের অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর হচ্ছে না। কারন দেখাই মিলছে না ক্রেতাদের। কার্যত মাছি তাড়াবার দশা সেখানে। প্রতিদিন ক্রেতাদের জন্য খাবারদাবারের আয়োজন করে প্রতিদিন সেই সব সামগ্রী ফেলে দিতে হচ্ছে। ফলে বেশ ভালই ক্ষতির মুখ দেখছেন তাঁরা। আর এই ধারাবাহিক ক্ষতির মুখ দেখায় ওই সব হোটেল ও রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন ওই সব রাস্তোরাঁর মালিকেরা।ওই সব হোটেল ও রেস্তোরাঁর মালিকদের বক্তব্য, দিনে এক থেকে দেড় হাজার টাকার বিক্রি হচ্ছে। কোনও কোনওদিন তাও নয়। তা দিয়ে রেস্তোরাঁয় যাবতীয় খরচ, কর্মীদের বেতন, ট্যাক্স, বিদ্যুতের বিল, এত কিছু দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে খোলার পরও রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা। বার না খোলা পর্যন্ত এই সব রেস্তোরাঁ চালানো অসম্ভব। বার খুললে তবু কিছু কাস্টমার পাওয়া যাবে। মদ্যপান করতে এসে তাঁরা খাবার খাবেন। না হলে এমনিতে এই পরিস্থিতিতে কেউই বিশেষ রেস্তোরাঁর খাবার খাচ্ছেন না।
ভরসা বলতে শুধুই কিছু হোম ডেলিভারি। নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনে গত ৮ জুন থেকে খোলা হয়েছিল কলকাতার হোটেল ও রেস্তোরাঁ। যে পরিমাণ আসন সংখ্যা তার ৫০ শতাংশ ক্রেতাকে বসার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অর্ধেক আসন তো দূর, কোনও কোনও দিন একজন ক্রেতাও হচ্ছে না। অগ্যতা শহরের নানাপ্রান্তে খোলা রেস্তোরাঁই আবারও বন্ধ হতে শুরু হয়ে গিয়েছে। বাইপাস, করুণাময়ী, সাউথ সিটি, পার্ক স্ট্রিট অঞ্চলে অন্তত কুড়ি থেকে পঁচিশটি রেস্তোরাঁ ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
কিন্তু সেই সব হোটেল ও রেস্তোরাঁর মালিকেদের অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর হচ্ছে না। কারন দেখাই মিলছে না ক্রেতাদের। কার্যত মাছি তাড়াবার দশা সেখানে। প্রতিদিন ক্রেতাদের জন্য খাবারদাবারের আয়োজন করে প্রতিদিন সেই সব সামগ্রী ফেলে দিতে হচ্ছে। ফলে বেশ ভালই ক্ষতির মুখ দেখছেন তাঁরা। আর এই ধারাবাহিক ক্ষতির মুখ দেখায় ওই সব হোটেল ও রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন ওই সব রাস্তোরাঁর মালিকেরা।ওই সব হোটেল ও রেস্তোরাঁর মালিকদের বক্তব্য, দিনে এক থেকে দেড় হাজার টাকার বিক্রি হচ্ছে। কোনও কোনওদিন তাও নয়। তা দিয়ে রেস্তোরাঁয় যাবতীয় খরচ, কর্মীদের বেতন, ট্যাক্স, বিদ্যুতের বিল, এত কিছু দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে খোলার পরও রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা। বার না খোলা পর্যন্ত এই সব রেস্তোরাঁ চালানো অসম্ভব। বার খুললে তবু কিছু কাস্টমার পাওয়া যাবে। মদ্যপান করতে এসে তাঁরা খাবার খাবেন। না হলে এমনিতে এই পরিস্থিতিতে কেউই বিশেষ রেস্তোরাঁর খাবার খাচ্ছেন না।
ভরসা বলতে শুধুই কিছু হোম ডেলিভারি। নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনে গত ৮ জুন থেকে খোলা হয়েছিল কলকাতার হোটেল ও রেস্তোরাঁ। যে পরিমাণ আসন সংখ্যা তার ৫০ শতাংশ ক্রেতাকে বসার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অর্ধেক আসন তো দূর, কোনও কোনও দিন একজন ক্রেতাও হচ্ছে না। অগ্যতা শহরের নানাপ্রান্তে খোলা রেস্তোরাঁই আবারও বন্ধ হতে শুরু হয়ে গিয়েছে। বাইপাস, করুণাময়ী, সাউথ সিটি, পার্ক স্ট্রিট অঞ্চলে অন্তত কুড়ি থেকে পঁচিশটি রেস্তোরাঁ ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

No comments