ক্ষোভে ফুঁসছেন গ্র্যাজুয়েট শিক্ষকরা, পে কমিশনের চেয়ারম্যানকে চিঠি বিজিটিএর।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ বৈষম্য ও বঞ্চনা যখন আকাশ ছুঁয়েছে গ্রাজুয়েট শিক্ষকদের পায়ের নিচের মাটি শক্ত করার নিরন্তর লড়াই করে চলছে একমাত্র শিক্ষক সংগঠন বিজিটিএ। লক ডাউন এর বিধি নিষেধ শিথিল হতেই পে কমিশনের চেয়ারম্যানকে দ্রুত comprehensive report করার চিঠি দিলো বিজিটিএ। পে কমিশনের বিরুদ্ধে বিজিটিএ র করা কন্টেম্পট মামলায় বিগত 2রা মার্চ 2020 কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট ভাবে চেয়ারম্যান পে কমিশনকে দু সপ্তাহের মধ্যে affidavit সহ একটি comprehensive report জমা করতে বলেন। কিন্তু পে কমিশন সেই সংক্রান্ত কোনো পদক্ষেপ এখনো পর্যন্ত গ্রহণ করেনি। তাই গতকাল বিজিটিএর তিন সদস্যের এক প্রতিনিধি দল পে কমিশন অফিসে গিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আর্জি জানিয়ে একটি আবেদন পত্র জমা করেন।
প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য কমিটির সদস্য ইন্দ্রজিৎ ঘোষ ও মৌসুমী মুদি এবং উত্তর 24 পরগনা জেলা কমিটির সদস্য ভিক্টর মল্লিক। উল্লেখ্য বিজিটিএর করা মামলার রায়ে 22 শে জুন মহামান্য আদালত পে কমিশনকে পশ্চিমবঙ্গের গ্রাজুয়েট শিক্ষকদের জন্য বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে বেতন কাঠামো স্থির করার নির্দেশ দেন। দুর্ভাগ্যের বিষয় রাজ্য সরকারের ষষ্ঠ বেতন কমিশন অনুযায়ী তা অমিল। পে কমিশন হাই কোর্টের রায়কে অমান্য করে। শুধু তাই নয় কেন্দ্র সহ অন্যান্য রাজ্যে নতুন বেতন কমিশনে প্রারম্ভিক বেতনে একজন pgt শিক্ষকের সাথে গ্রাজুয়েট শিক্ষকদের পার্থক্য যেখানে 2700 টাকা সেখানে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গে তা দাঁড়িয়েছে 9200টাকা । এই পাহাড়প্রমান বঞ্চনার ফলে রাজ্যের সমস্ত গ্রাজুয়েট শিক্ষক ক্ষোভে ফুঁসছে। কোর্টের আদেশ মেনে রিপোর্ট জমা না করলে চূড়ান্ত আইনি পদক্ষেপ নেয়ার পথে এগোবে বিজিটিএ।
প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য কমিটির সদস্য ইন্দ্রজিৎ ঘোষ ও মৌসুমী মুদি এবং উত্তর 24 পরগনা জেলা কমিটির সদস্য ভিক্টর মল্লিক। উল্লেখ্য বিজিটিএর করা মামলার রায়ে 22 শে জুন মহামান্য আদালত পে কমিশনকে পশ্চিমবঙ্গের গ্রাজুয়েট শিক্ষকদের জন্য বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে বেতন কাঠামো স্থির করার নির্দেশ দেন। দুর্ভাগ্যের বিষয় রাজ্য সরকারের ষষ্ঠ বেতন কমিশন অনুযায়ী তা অমিল। পে কমিশন হাই কোর্টের রায়কে অমান্য করে। শুধু তাই নয় কেন্দ্র সহ অন্যান্য রাজ্যে নতুন বেতন কমিশনে প্রারম্ভিক বেতনে একজন pgt শিক্ষকের সাথে গ্রাজুয়েট শিক্ষকদের পার্থক্য যেখানে 2700 টাকা সেখানে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গে তা দাঁড়িয়েছে 9200টাকা । এই পাহাড়প্রমান বঞ্চনার ফলে রাজ্যের সমস্ত গ্রাজুয়েট শিক্ষক ক্ষোভে ফুঁসছে। কোর্টের আদেশ মেনে রিপোর্ট জমা না করলে চূড়ান্ত আইনি পদক্ষেপ নেয়ার পথে এগোবে বিজিটিএ।

No comments