Header Ads

পর্ষদের বিরুদ্ধে ফের অনিয়মের অভিযোগ, ৪৫ জনের নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবি

নজরবন্দি ব্যুরোঃ নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। বার বার নিয়োগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে কমিশনের বিরুদ্ধে।২০১৫ সালের ১১অক্টোবর প্রাইমারি টেট এর লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর কয়েকজন পরীক্ষার্থী আরটিআই করে জানতে পারেন কেউ ১,২,৩ বা ৪ নম্বরের জন্য অকৃতকার্য হয়েছেন। এবং তাদের অভিযোগ ১১টি প্রশ্নের উত্তরে ভুল ছিল।এই মর্মে ২০১৭সালে ১৭৭ জন প্রার্থী কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন। বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় এই মামলাটির জন্য বিশ্বভারতীর উপাচার্যকে এক্সপার্ট কমিটি গঠন করার নির্দেশ দেন।

 কমিটিকে খামবন্দী করে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট, সেইমতো রিপোর্টও দেয় বিশ্বভারতী।২০১৮ সালের ৩রা অক্টোবর বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় জানান, বিশ্বভারতীর রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৪ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২০১৫ সালে যে টেট পরীক্ষা হয়েছিল তাতে ১১ টি প্রশ্ন নয় ৬ টি প্রশ্নের উত্তর ভুল আছে। যে সমস্ত মামলাকারী ওই ৬ টি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তাদের পুরো নম্বর দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। এর পাশাপাশি আগামী তিন মাসের মধ্যে পর্ষদকে প্রাথমিক শিক্ষকের পদে তাদের নিয়োগ করতে নির্দেশ দেয় আদালত। হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়ের স্থগিতাদেশ চেয়ে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করে রাজ্য সরকার। পরে তা সুপ্রিম কোর্টেও যায়, সুপ্রিম কোর্ট মামলা ফিরিয়ে দেয় হাইকোর্টে। সিঙ্গেল বেঞ্চের এই রায় বহাল রাখে ডিভিশন বেঞ্চও । অবশেষে পর্ষদ কোর্টের রায়কে মান্যতা না দিয়ে ১৭৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৩০ জন প্রার্থী কে উত্তীর্ণ করায় । বাকি ৪৫ জন প্রার্থীদের পর্ষদ বঞ্চিত করেন ।

এই ৪৫ জন প্রার্থীরাও প্রশিক্ষিত এবং উত্তীর্ণ হবার যোগ্য এই ৪৫ জন প্রার্থী হাইকোর্টে বিষয় টি পুনরায় জানায়। হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ ও ডিভিশন বেঞ্চ এই প্রার্থীদের প্রতি সহমত পোষণ করেন, অথচ পর্ষদ এ ব্যাপারে এখনও উদাসীন। বারবার পর্ষদকে জানিয়েও এখনও তারা নিয়োগপত্র পান নি। হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী এই ৪৫ জন প্রার্থীকে তাদের প্রাপ্য নম্বর দিয়ে অবিলম্বে চাকরিতে নিয়োগ না করলে করোনা আবহয়ে তারা অনশনে বসার হুমকিও দিয়েছেন।

No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.