দল নির্বাচন নিয়ে এবার মুখ খুললেন যুবরাজ
নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভারতীও ক্রিকেট দলে, দল নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা বিতর্ক হয়েছে, সেখানে কখন মতামত ব্যক্ত করেছেন ধারাভাষ্যকার কখন বা প্রাক্তন ক্রিকেটার আবার কখন ক্রিকেটের সাথে জরিত কোন কর্তা। এবার এই বিষয় নিয়ে মুখ খুললেন প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার যুবরাজ সিং। ইনস্টাগ্রামে লাইভ চ্যাট চলাকালীন যুবরাজ সিং বলেছেন, "২০১৯ বিশ্বকাপে মিডল অর্ডারে টিম ইন্ডিয়া কী ভেবেছিল এটা আমার বোঝার বাইরে। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা রান করছিলেন, কিন্তু বিজয় শঙ্কর, ঋষভ পন্থ মিডল অর্ডারে ছিলেন। এই ছেলেরা তরুণ ছিলেন। তাদের উপর প্রশ্ন তোলা ভুল ছিল।
আম্বাতি রায়ডুকে শেষ সময়ে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়। আপনি কোনো খেলোয়াড়ের সঙ্গে এমনটা করতে পারেন না। রায়ডু নিউজিল্যাণ্ড গিয়েছিলেন, তারপর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধেও তিন ম্যাচে তার ব্যাট চলেনি। তাকে বিশ্বকাপে এই কারণে জায়গা দেওয়া হয়নি কারণ আইপিএলে তার প্রদর্শন ভালো ছিল না। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা জরুরী। যখন আমি ২০০৩ বিশ্বকাপে খেলেছিলাম তখন আমি ৪০ থেকে ৫০টি ম্যাচ খেলেছিলাম। আপনি তিন চারটি ম্যাচ খেলা খেলোয়াড়দের নিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে পারেন না। এখন টি-২০ বিশ্বকাপ আসতে চলেছে। এতে আপনার অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের প্রয়োজন হবে।
না কী পছন্দসই খেলোয়াড়। নির্বাচকদের দলের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা উচিত। কিন্তু নির্বাচকরাও কী বলবেন, তারা নিজেরাই ৪-৫টি ম্যাচ খেলে থাকেন। তাদের ভাবনাও তেমনই, দলের কিছু জানা নেই, কী জানি এটা ভাবেন যে এই প্লেয়ার আমার পছন্দের। ভালো শট মারে একে টি-২০ বিশ্বকাপে সুযোগ দিই। আমি ফাইনালে খারাপ খেলার পুরো দায়িত্ব নিয়েছিলাম। মালিঙ্গা ভালো বোলিং করেছিলেন আর দুর্ভাগ্যবশত ওই দিন বিশ্বকাপের ফাইনাল ছিল। আমার বাড়িতে পৌঁছে মনে হয়েছিল যে আমি ভিলেন। আমি এয়ারপোর্টে ছিলাম, মিডিয়া আমার উপর চিত্কার করছিল। আমার বাড়িতে পাথর ছোঁড়া হয়। আমার অপরাধীর মতো অনুভব হয়েছিল। কিন্তু আমি সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করেছি, ওই মুহূর্তটা আমি ভুলতে পারব না। ২০০৭ টি-২০ বিশ্বকাপ আর ২০১১ বিশ্বকাপে আমি ভালো প্রদর্শন করেছি আর আমি এর শ্রেয় পেয়েছি। কিন্তু যখন আপনি হারেন তো বেশি বিরোধ হয়। শচীন আমার সমর্থনে টুইট করেছিলেন। তারপর পরিস্থিতি সামান্য শান্ত হয়। আমার ম্যাচের পর মনে হয়েছিল যে আমার কেরিয়ার শেষ হয়ে গিয়েছে"।
আম্বাতি রায়ডুকে শেষ সময়ে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়। আপনি কোনো খেলোয়াড়ের সঙ্গে এমনটা করতে পারেন না। রায়ডু নিউজিল্যাণ্ড গিয়েছিলেন, তারপর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধেও তিন ম্যাচে তার ব্যাট চলেনি। তাকে বিশ্বকাপে এই কারণে জায়গা দেওয়া হয়নি কারণ আইপিএলে তার প্রদর্শন ভালো ছিল না। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা জরুরী। যখন আমি ২০০৩ বিশ্বকাপে খেলেছিলাম তখন আমি ৪০ থেকে ৫০টি ম্যাচ খেলেছিলাম। আপনি তিন চারটি ম্যাচ খেলা খেলোয়াড়দের নিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে পারেন না। এখন টি-২০ বিশ্বকাপ আসতে চলেছে। এতে আপনার অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের প্রয়োজন হবে।
না কী পছন্দসই খেলোয়াড়। নির্বাচকদের দলের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা উচিত। কিন্তু নির্বাচকরাও কী বলবেন, তারা নিজেরাই ৪-৫টি ম্যাচ খেলে থাকেন। তাদের ভাবনাও তেমনই, দলের কিছু জানা নেই, কী জানি এটা ভাবেন যে এই প্লেয়ার আমার পছন্দের। ভালো শট মারে একে টি-২০ বিশ্বকাপে সুযোগ দিই। আমি ফাইনালে খারাপ খেলার পুরো দায়িত্ব নিয়েছিলাম। মালিঙ্গা ভালো বোলিং করেছিলেন আর দুর্ভাগ্যবশত ওই দিন বিশ্বকাপের ফাইনাল ছিল। আমার বাড়িতে পৌঁছে মনে হয়েছিল যে আমি ভিলেন। আমি এয়ারপোর্টে ছিলাম, মিডিয়া আমার উপর চিত্কার করছিল। আমার বাড়িতে পাথর ছোঁড়া হয়। আমার অপরাধীর মতো অনুভব হয়েছিল। কিন্তু আমি সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করেছি, ওই মুহূর্তটা আমি ভুলতে পারব না। ২০০৭ টি-২০ বিশ্বকাপ আর ২০১১ বিশ্বকাপে আমি ভালো প্রদর্শন করেছি আর আমি এর শ্রেয় পেয়েছি। কিন্তু যখন আপনি হারেন তো বেশি বিরোধ হয়। শচীন আমার সমর্থনে টুইট করেছিলেন। তারপর পরিস্থিতি সামান্য শান্ত হয়। আমার ম্যাচের পর মনে হয়েছিল যে আমার কেরিয়ার শেষ হয়ে গিয়েছে"।

No comments