লালারস সংগ্রহ করতে গিয়ে হেনস্থার শিকার; আত্মহত্যা করলেন রাজ্যের স্বাস্থকর্মী। #BreakingNews
নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্য জুড়ে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন কমার তো কোন লক্ষনই নেই বরং বেড়েই চলেছে মৃত্যুর সংখ্যা। রাজ্যের মধ্যে থাকা গ্রিন জোন গুলিতেও পাওয়া যাচ্ছে আক্রান্ত! কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনার পাশাপাশি হুগলী জেলা জুড়ে ভয়ানক গতিতে বাড়ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। এদিকে রাজ্য সরকার জোর দিয়েছে করোনা ভাইরাসের টেস্টে। প্রথমদিকে ধিরে পদক্ষেপ হলেও ব্যাপক আকারে টেস্টের পরিমান বেড়েছে রাজ্যে। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৫ হাজার ২০৫ টি স্যাম্পেল টেস্ট করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট স্যাম্পেল টেস্টের সংখ্যা ৬২ হাজার ৮৩৭।
এই যখন অবস্থা তখনি চরম দূর্ঘটনা ঘটল। আত্মহত্যার করলেন জলপাইগুড়ি জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরে কর্তব্যরত এক স্বাস্থ্য কর্মী। মৃত্যুর আগে তিনি সুইসাইড নোট লিখে যান। তাঁর লিখে রাখা তিন পাতার বয়ানে করোনা মোকাবিলার কাজ করতে গিয়ে নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা লিখে গিয়েছেন জলপাইগুড়ি জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের ঘুঘু ডাঙ্গা সাবসেন্টারের সুপার ভাইজার পদে কর্তব্যরত দেবাশিস চক্রবর্তী।তিনি লিখে গিয়েছেন, সরকারের নির্দেশে গ্রামে করোনার লালারস সংগ্রহের জন্য যায়গা চিহ্নিত করতে গিয়ে গ্রামবাসীদের কাছ থেকে চরম হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে তাকে। হেনস্থা এমনই চরম লেবেলে হয়েছে যে নিজের মর্জাদাহানির দুঃখকে আত্মহত্যাকেই পথ হিসেবে বেছে নিতে তিনি বাধ্য হলেন। মৃত্যু কালে তাঁর বয়েস হয়েছিল ৫৯ বছর।

No comments