সচিব বদল ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চাইলেন দিলীপ ঘোষ!
নজরবন্দি ব্যুরো: করোনা আবহে সচিবকে পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে বলির পাঠা করা হচ্ছে। এদিন রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিবের পরিবর্তন প্রসঙ্গে এমনটাই মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন তিনি বলেন, লুকিয়ে থাকলে হবে না, স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জবাব দিতে হবে, নাহলে পদত্যাগ করতে হবে।
বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের অভিযোগ স্বাস্থ্যসচিবকে বলির পাঠা করা হচ্ছে। এর আগে খাদ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালের বদলির ক্ষেত্রেও তা করা হয়েছিল। সেই সময় তারা খাদ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছিলেন বলে জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ।
প্রসঙ্গত, করোনা ভয়াবহ দাপট যখন চলছে পশ্চিমবঙ্গে ঠিক সেই সময়েই বিবেক কুমার কে স্বাস্থ্য সচিব পদ থেকে অপসারিত করল রাজ্য সরকার। তাঁকে স্বাস্থ্য সচিবের পদ থেকে সরিয়ে পরিবেশ সচিব করা হয়েছে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন নারায়ন স্বরুপ নিগম। কিন্তু কেন? সূত্রের খবর তথ্য গরমিলের জেরেই সরানো হয়েছে বিবেক কুমার কে।
উল্লেখ্য রাজ্যের দেওয়া করোনা বুলেটিনে গণ্ডগোল রয়েছে বলে একাধিকবার অভিযোগ এনেছেন বিরোধীরা। গত ৩ তারিখের আগে রাজ্য সরকার বুলেটিনে মোট আক্রান্তের সংখ্যা কখনই প্রকাশ করেনি। গত ৩০ এপ্রিল তারিখে রাজ্যের দুই শীর্ষ কর্তার তথ্যের গরমিলে বেজায় অস্বস্তিতে পরে রাজ্য সরকার।কেন্দ্রকে পাঠানো চিঠিতে যে তথ্য দিয়েছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ সচিব বিবেক কুমার, একই দিনে মুখ্যসচিব সাংবাদিকদের যে তথ্য দিয়েছেন বা স্বাস্থ দফতর যে বুলেটিন প্রকাশ করেছেন তাতে বিস্তর গরমিল ছিল। স্বাস্থ সচিব বিবেক কুমারের চিঠিতে বলা হয় কলকাতাতেই বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৪৮৯ জন করোনা আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। হাওড়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৭৬। উত্তর চব্বিশ পরগনায় ১২২ এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ৩৪ জন! এছাড়াও হুগলি ৩১, দক্ষিন ২৪ পরগনা ২৫ জন। শুধু তাই নয় রাজ্যের স্বাস্থ সচিবের দেওয়া চিঠি অনুযায়ী ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৯৩১! এদিকে একই দিনে রাজ্যের মুখ্য সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী রাজ্যের সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা দেখানো হয় ৮১৬! অর্থাৎ বিপুল গ্যাপ।
এর পরের ২ দিন বুলেটিন প্রকাশই করতে পারেনি রাজ্য সরকার। পরে ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে মুখ্য সচিব কে দিয়ে বুলেটিন প্রকাশ না করিয়ে প্রকাশ করানো হয় স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় কে দিয়ে।
বিবেক কুমারের চিঠির পরিসংখ্যান আর মুখ্যসচিবের বুলেটিনে আকাশ পাতাল তফাত দেখে কেন্দ্র সঠিক তথ্য পরিবেশনের জন্যে কড়া ভাষায় চিঠি দেয় রাজ্য কে। তারপর থেকে রাজ্যের বুলেটিনে উঠে আসতে থাকে বহু আকাঙ্খিত তথ্য।
বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের অভিযোগ স্বাস্থ্যসচিবকে বলির পাঠা করা হচ্ছে। এর আগে খাদ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালের বদলির ক্ষেত্রেও তা করা হয়েছিল। সেই সময় তারা খাদ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছিলেন বলে জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ।
প্রসঙ্গত, করোনা ভয়াবহ দাপট যখন চলছে পশ্চিমবঙ্গে ঠিক সেই সময়েই বিবেক কুমার কে স্বাস্থ্য সচিব পদ থেকে অপসারিত করল রাজ্য সরকার। তাঁকে স্বাস্থ্য সচিবের পদ থেকে সরিয়ে পরিবেশ সচিব করা হয়েছে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন নারায়ন স্বরুপ নিগম। কিন্তু কেন? সূত্রের খবর তথ্য গরমিলের জেরেই সরানো হয়েছে বিবেক কুমার কে।
উল্লেখ্য রাজ্যের দেওয়া করোনা বুলেটিনে গণ্ডগোল রয়েছে বলে একাধিকবার অভিযোগ এনেছেন বিরোধীরা। গত ৩ তারিখের আগে রাজ্য সরকার বুলেটিনে মোট আক্রান্তের সংখ্যা কখনই প্রকাশ করেনি। গত ৩০ এপ্রিল তারিখে রাজ্যের দুই শীর্ষ কর্তার তথ্যের গরমিলে বেজায় অস্বস্তিতে পরে রাজ্য সরকার।কেন্দ্রকে পাঠানো চিঠিতে যে তথ্য দিয়েছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ সচিব বিবেক কুমার, একই দিনে মুখ্যসচিব সাংবাদিকদের যে তথ্য দিয়েছেন বা স্বাস্থ দফতর যে বুলেটিন প্রকাশ করেছেন তাতে বিস্তর গরমিল ছিল। স্বাস্থ সচিব বিবেক কুমারের চিঠিতে বলা হয় কলকাতাতেই বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৪৮৯ জন করোনা আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। হাওড়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৭৬। উত্তর চব্বিশ পরগনায় ১২২ এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ৩৪ জন! এছাড়াও হুগলি ৩১, দক্ষিন ২৪ পরগনা ২৫ জন। শুধু তাই নয় রাজ্যের স্বাস্থ সচিবের দেওয়া চিঠি অনুযায়ী ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৯৩১! এদিকে একই দিনে রাজ্যের মুখ্য সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী রাজ্যের সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা দেখানো হয় ৮১৬! অর্থাৎ বিপুল গ্যাপ।
এর পরের ২ দিন বুলেটিন প্রকাশই করতে পারেনি রাজ্য সরকার। পরে ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে মুখ্য সচিব কে দিয়ে বুলেটিন প্রকাশ না করিয়ে প্রকাশ করানো হয় স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় কে দিয়ে।
বিবেক কুমারের চিঠির পরিসংখ্যান আর মুখ্যসচিবের বুলেটিনে আকাশ পাতাল তফাত দেখে কেন্দ্র সঠিক তথ্য পরিবেশনের জন্যে কড়া ভাষায় চিঠি দেয় রাজ্য কে। তারপর থেকে রাজ্যের বুলেটিনে উঠে আসতে থাকে বহু আকাঙ্খিত তথ্য।

No comments