আমফান, করোনা, পরিযায়ী শ্রমিক নিয়ে সরারাসরি মুখ্যমন্ত্রী
নজরবন্দি ব্যুরো: আমফানের তাণ্ডবে গোটা বাংলায় মোট পাঁচ হাজারের বেশি গাছ পড়েছে। যার ফলে অনেক জায়গায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়েছে। কলকাতাকে আগের অবস্থায় ফেরাতে রাস্তায় নেমেছে দমকল বাহিনী। হাওড়ায় গাছ কাটতে গিয়ে এক দমকলকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। সরকার এই ঘটনার জন্য সিএসসি কে দায়ী করেছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান যেভাবে প্রত্যেক জন কর্মী কাজ করছেন তার জন্য তাদের স্যালুট। মৃত কর্মীর পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা সাহায্য করা হবে এবং পরিবারকে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
এই আমফানের দাপটে সুন্দরবনের সর্বনাশ হয়ে গেছে। যে বাঁধ গুলো ভেঙ্গে গেছে তা আগে নির্মাণ করতে হবে। ১০৭ কিলোমিটার বাঁধ ভেঙেছে তা দ্রুত সারাতে হবে। কলকাতায় ৯০ শতাংশ জায়গায় বিদ্যুৎ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র সচিব ও শেষ দপ্তরের সচিব উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় যাবেন এবং ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করবেন। সুন্দরবনের জল না নামা অবধি বিদ্যুতের খুঁটি বসানো যাবে না। তিনি আরো বলেন সিএসসি কে নিয়ে যারা রাজনীতি শুরু করেছে সেই সিপিএম এবং দিল্লির কংগ্রেস সরকারই এই সংস্থাকে তৈরি করেছিল। যেসব সংবাদ মাধ্যমের নেতিবাচক প্রচার করছেন আমরা মানবিক বলে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেইনি। সিএসসি চাইতে বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থা অনেক ভালো কাজ করছে। করোনা ভাইরাসের জন্য ট্রেন বিমান ও সড়ক পথের সব পরিবহন ব্যবস্থাই বন্ধ করে রাখা হয়েছে। কিন্তু চতুর্থ লকডাউনে শিথিল হচ্ছে জনজীবন। যার ফলে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও। এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন তাকে না জানিয়ে ট্রেন চালানো হচ্ছে, মহারাষ্ট্রের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে রাত দুটোর সময় তারা জানতে পেরেছে।
যেসব পরিযায়ী শ্রমিকরা ফিরছেন তাদের একসাথে কোয়ারেন্টাইন করা যাবেনা। তিনি জেলা শাসক এবং ব্লকের বিডিও কে টাস্কফোর্স তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন। মহারাষ্ট্র, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ ও গুজরাট সহ পাঁচটি রাজ্য থেকে পরিযায়ী শ্রমিকরা এলে তাদের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ারেন্টাইন করতে হবে। মুম্বাই থেকে হঠাৎ ৩৬ টা ট্রেন ছাড়া হচ্ছে। শ্রমিকরা গাদাগাদি করে আসছেন, যার ফলে করোনা সমস্যা হচ্ছে। তিনি বলেন কেন্দ্র সরকার আমাদের সাথে কথা বলে এই সিদ্ধান্ত নিতে পারতো, কিন্তু তা করেননি। ভিন রাজ্য থেকে যারা আসছেন তারা অনেকেই করোনা আক্রান্ত।রেড ও অরেঞ্জ জোন মানলে এই অবস্থা তৈরি হতো না। আজ বুধবার রাতের মধ্যে ১১ টি ট্রেন ঢুকবে। বৃহস্পতিবার ১৭ টি ট্রেন ঢুকবে, আজ রাতের মধ্যেই তৈরি করতে হবে সবকিছু। ওরা আমাকে ডিস্টার্ব করতে গিয়ে মানুষকে ডিস্টার্ব করছে। কেন্দ্রের এত কোয়ারেন্টাইন সেন্টার নেই। কেন্দ্র লকডাউন করেছে অথচ রেল রেলের মত আর বিমান বিমানের মতই চলছে। এই পরিস্থিতিতে আমি প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য চাইবো ত্রাণে যাতে অভাব না হয়, কেউ যেন অভুক্ত না থাকে। অনেক জায়গায় রেশন দোকান ভেঙে গেছে, অন্য জায়গা থেকে রেশন দেওয়ার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।
এই আমফানের দাপটে সুন্দরবনের সর্বনাশ হয়ে গেছে। যে বাঁধ গুলো ভেঙ্গে গেছে তা আগে নির্মাণ করতে হবে। ১০৭ কিলোমিটার বাঁধ ভেঙেছে তা দ্রুত সারাতে হবে। কলকাতায় ৯০ শতাংশ জায়গায় বিদ্যুৎ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র সচিব ও শেষ দপ্তরের সচিব উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় যাবেন এবং ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করবেন। সুন্দরবনের জল না নামা অবধি বিদ্যুতের খুঁটি বসানো যাবে না। তিনি আরো বলেন সিএসসি কে নিয়ে যারা রাজনীতি শুরু করেছে সেই সিপিএম এবং দিল্লির কংগ্রেস সরকারই এই সংস্থাকে তৈরি করেছিল। যেসব সংবাদ মাধ্যমের নেতিবাচক প্রচার করছেন আমরা মানবিক বলে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেইনি। সিএসসি চাইতে বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থা অনেক ভালো কাজ করছে। করোনা ভাইরাসের জন্য ট্রেন বিমান ও সড়ক পথের সব পরিবহন ব্যবস্থাই বন্ধ করে রাখা হয়েছে। কিন্তু চতুর্থ লকডাউনে শিথিল হচ্ছে জনজীবন। যার ফলে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও। এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন তাকে না জানিয়ে ট্রেন চালানো হচ্ছে, মহারাষ্ট্রের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে রাত দুটোর সময় তারা জানতে পেরেছে।

No comments