লকডাউনে অভুক্তদের মুখে অন্ন তুলে দিয়ে; এবার দৃষ্টিহীন দুঃস্থ শিক্ষার্থীদের পাশে BGTA
নজরবন্দি ব্যুরোঃ মারণ ভাইরাসের প্রকোপ থেকে বাঁচতে সমগ্র ভারতবর্ষ জুড়ে চলছে লকডাউন।আর এই লক ডাউন পরিস্থিতিতেই অসহায় হয়ে পড়ছে ব্লাইন্ড পার্সন অ্যাসোসিয়েশন দ্বারা পরিচালিত পূর্ব বর্ধমান জেলার নজরুল স্মৃতি দৃষ্টিহীন বিদ্যালয়।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে নজিরবিহীন আক্রমন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের।#Exclusive
এই বিদ্যালয়টি বর্ধমান শহর থেকে কিছু দূরে গাংপুর নামক এলাকায় অবস্থিত। এই বিদ্যালয়ের কিছু দুঃস্থ দৃষ্টিহীন ছাত্র আবাসিক ভাবে থাকে এবং ব্রেইল পদ্ধতিতে পড়াশোনা করে।
অন্য সময় স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে এই ছাত্ররা বর্ধমান শহর এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় নিজেরাই ঘুরে ঘুরে যে অর্থ সংগ্রহ করে তার দ্বারা এবং এলাকার কিছু মহৎ মানুষের সাহায্য নিয়ে এই বিদ্যালয়ের পরিচালনা করেন। কিন্তু বর্তমান এই লকডাউনের দিনগুলোতে এরা খুবই অসুবিধার সম্মুখীন হয়ে পড়েছে এবং এখন প্রাত্যহিক দিনযাপন করা ক্রমশ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এবং এরা সমস্ত রকম সরকারি সাহায্য থেকে বঞ্চিত। এই খবর আমাদের কাছে আসার পরেই আমরা উক্ত এলাকার শিক্ষকদের মাধ্যমে খবরের সত্যতা যাচাই করার পর বৃহত্তর গ্রাজুয়েট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির পক্ষ থেকে উক্ত বিদ্যালয়ে একমাসের মত চাল, ডাল, তেল, আলু, সয়াবিন মুদিখানা সামগ্রী পৌঁছে দিয়ে আসি। উক্ত কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলার সম্পাদক দেবরঞ্জন সাঁই, যুগ্ম সম্পাদক ধ্রুবজ্যোতি ঘোষ এবং জেলার সক্রিয় কার্য কর্তা দিব্যেন্দু পাল।
সম্পাদক দেবরঞ্জন বাবু, যুগ্ম সম্পাদক ধ্রুৱজ্যোতি ঘোষ জানান বিজিটিএ পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটি ঠিক করছে এই ভাবেই লক ডাউন পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে জেলা তথা রাজ্যের জণগণের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিতে চায় যে রাজ্যের বুকে এই একমাত্র শিক্ষক সংগঠন যারা শুধুমাত্র প্রতিশ্রুতি দেয় না এই মহামারীর ভয়াবহ দিনে নিজেদের প্রাণের তোয়াক্কা না করে এই সংগঠনের সৈনিকরা অসহায়, মানুষের কাছে প্রত্যক্ষ ভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। এই প্রসঙ্গে রাজ্য সম্পাদক সৌরেন ভট্টাচার্য বলেন আমরা ইতিমধ্যে পাঁচ লক্ষ টাকা মুখ্যমন্ত্রী র ত্রাণ তহবিলেও দিয়েছি। সব জেলায় বিজিটিএ সাধ্য মতো মানুষের পাশে দাঁড়াবে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে নজিরবিহীন আক্রমন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের।#Exclusive
এই বিদ্যালয়টি বর্ধমান শহর থেকে কিছু দূরে গাংপুর নামক এলাকায় অবস্থিত। এই বিদ্যালয়ের কিছু দুঃস্থ দৃষ্টিহীন ছাত্র আবাসিক ভাবে থাকে এবং ব্রেইল পদ্ধতিতে পড়াশোনা করে।
অন্য সময় স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে এই ছাত্ররা বর্ধমান শহর এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় নিজেরাই ঘুরে ঘুরে যে অর্থ সংগ্রহ করে তার দ্বারা এবং এলাকার কিছু মহৎ মানুষের সাহায্য নিয়ে এই বিদ্যালয়ের পরিচালনা করেন। কিন্তু বর্তমান এই লকডাউনের দিনগুলোতে এরা খুবই অসুবিধার সম্মুখীন হয়ে পড়েছে এবং এখন প্রাত্যহিক দিনযাপন করা ক্রমশ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এবং এরা সমস্ত রকম সরকারি সাহায্য থেকে বঞ্চিত। এই খবর আমাদের কাছে আসার পরেই আমরা উক্ত এলাকার শিক্ষকদের মাধ্যমে খবরের সত্যতা যাচাই করার পর বৃহত্তর গ্রাজুয়েট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির পক্ষ থেকে উক্ত বিদ্যালয়ে একমাসের মত চাল, ডাল, তেল, আলু, সয়াবিন মুদিখানা সামগ্রী পৌঁছে দিয়ে আসি। উক্ত কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলার সম্পাদক দেবরঞ্জন সাঁই, যুগ্ম সম্পাদক ধ্রুবজ্যোতি ঘোষ এবং জেলার সক্রিয় কার্য কর্তা দিব্যেন্দু পাল।
সম্পাদক দেবরঞ্জন বাবু, যুগ্ম সম্পাদক ধ্রুৱজ্যোতি ঘোষ জানান বিজিটিএ পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটি ঠিক করছে এই ভাবেই লক ডাউন পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে জেলা তথা রাজ্যের জণগণের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিতে চায় যে রাজ্যের বুকে এই একমাত্র শিক্ষক সংগঠন যারা শুধুমাত্র প্রতিশ্রুতি দেয় না এই মহামারীর ভয়াবহ দিনে নিজেদের প্রাণের তোয়াক্কা না করে এই সংগঠনের সৈনিকরা অসহায়, মানুষের কাছে প্রত্যক্ষ ভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। এই প্রসঙ্গে রাজ্য সম্পাদক সৌরেন ভট্টাচার্য বলেন আমরা ইতিমধ্যে পাঁচ লক্ষ টাকা মুখ্যমন্ত্রী র ত্রাণ তহবিলেও দিয়েছি। সব জেলায় বিজিটিএ সাধ্য মতো মানুষের পাশে দাঁড়াবে।




No comments