মাইলের পর মাইল পথ হেঁটে রাস্তার উপর শিশুর জন্ম দিলেন পরিযায়ী শ্রমিকের স্ত্রী
নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনার সংক্রমণ এড়াতে আমাদের দেশে চলছে তৃতীয় পর্যায়ে লকডাউন। লকডাউন জারি হওয়ার পর থেকেই ভিন রাজ্যে আটকে পড়েছেন বহু পরিযায়ী শ্রমিক। ফলে টান পড়েছিল পেটে। কিছুদিন ভিন রাজ্যে আটকে থাকার পর বাড়ি ফেরার তীব্র বাসনা নিয়ে কেউ পায়ে হেঁটে কেউ বা কয়েক হাজার কিলোমিটার পথ সাইকেল চালিয়ে পাড়ি দিয়েছেন। উদ্দেশ্য একটাই, যেকোনো উপায়ে নিজের বাড়িতে ফেরা। হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে কখনও রাস্তার উপর মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েছেন শ্রমিক। কখনও আবার বাড়ি ফিরেও অবসাদ আর ক্লান্তিতে মৃত্যুর কোলে ঢলেপড়েছেন।
কেউ কেউ আবার অতিকষ্টে পৌঁছাতে পেরেছেন পরিবার-পরিজনের কাছে। কিন্তু মধ্যপ্রদেশে ঘটল বিষ্ময়কর ঘটনা। নিজের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে পায়ে হেঁটে পাড়ি জমান এক পরিযায়ী শ্রমিক। কিন্তু রাস্তার মধ্যেই প্রসব বেদন শুরু হয় শ্রমিকের স্ত্রীর। রাস্তাতেই ভূমিষ্ট হয় ফুটফুটে সন্তান। আর তারপর মাত্র দু ঘন্টা বিশ্রাম নিয়ে ফের ১৫০ কিলোমিটার পথ হেঁটে বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নেন শ্রমিক ও তাঁর স্ত্রী। সেইমত হাঁটাও শুরু করেছিলেন তাঁরা। বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের। এরপরই সদ্যোজাত ও মাকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসা করা হয় তাঁদের। দুজনেই সুস্থ হয়ে ওঠেন। এরপর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাসে করে শ্রমিক ও তাঁর স্ত্রী সহ সদ্যজাতকে বাড়িতে ফেরানোর বন্দোবস্ত করে দেওয়া হয়।
ছবি টি প্রতীকী
কেউ কেউ আবার অতিকষ্টে পৌঁছাতে পেরেছেন পরিবার-পরিজনের কাছে। কিন্তু মধ্যপ্রদেশে ঘটল বিষ্ময়কর ঘটনা। নিজের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে পায়ে হেঁটে পাড়ি জমান এক পরিযায়ী শ্রমিক। কিন্তু রাস্তার মধ্যেই প্রসব বেদন শুরু হয় শ্রমিকের স্ত্রীর। রাস্তাতেই ভূমিষ্ট হয় ফুটফুটে সন্তান। আর তারপর মাত্র দু ঘন্টা বিশ্রাম নিয়ে ফের ১৫০ কিলোমিটার পথ হেঁটে বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নেন শ্রমিক ও তাঁর স্ত্রী। সেইমত হাঁটাও শুরু করেছিলেন তাঁরা। বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের। এরপরই সদ্যোজাত ও মাকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসা করা হয় তাঁদের। দুজনেই সুস্থ হয়ে ওঠেন। এরপর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাসে করে শ্রমিক ও তাঁর স্ত্রী সহ সদ্যজাতকে বাড়িতে ফেরানোর বন্দোবস্ত করে দেওয়া হয়।
ছবি টি প্রতীকী

No comments