দাহ করার পর হাসপাতাল জানাল মৃতার করোনা ছিল; চরম গাফিলতি খোদ কলকাতায়।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ মৃতদেহ সাধারন ভাবে দাহ করার পর জানা গেল মৃত ব্যাক্তি করোনা ভাইরাসে সংক্রামিত ছিলেন! আতঙ্ক ছড়াল খোদ কলকাতার বুকে। ঘটনাস্থল সল্টলেক, সুকান্তনগরের নবপল্লি এলাকা। বিধাননগর পুরোসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের নবপল্লি এলাকায় থাকতেন মৃতা চল্লিশ বছর বয়স্ক মহিলা। গত মাসে হৃদরোগ ধরা পড়ার পর তাঁকে কলকাতার নীলরতন সরকার হাসপাতাল ভরতি করা হয়, দু সপ্তাহ হাসপাতালে চিকিৎসার পর বাড়ি ফিরে আসেন মহিলা।
পরে আবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার পরিবারের লোকজন তাকে ভিআইপি রোডের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সোমবার ভোর ছ'টা নাগাত তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতাল থেকে মৃতদেহ বাড়িতে এনে দুপুরে সাধারনভাবেই দাহ করা হয় তাঁকে। দাহকার্য শেষ করে বাড়ির লোক যখন ফিরছেন তখন হাসপাতাল থেকে ফোন! মৃতার সোয়াব টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ! ব্যাস মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে এলাকাবাসীর, কিন্তু ততক্ষনে যা হওয়ার তা হয়ে গিয়েছে। হাসপাতালের চরম গাফিলতির শিকার সম্পূর্ন সুকান্তনগরের নবপল্লি এলাকা।
খোঁজ নিয়ে দেখা যায় শ্মশান যাত্রী ছিলেন ২৯ জন, এবং মৃতার সরাসরি সংস্পর্শে এসেছেন বাড়ির ৩ জন। ঘটনায় গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ পরে ঘিরে দেয় পুরো পাড়া। বাড়ির ৩ জনকে কোয়ারেন্তাইনে পাঠানো হয়েছে এবং ২৯ জন শ্মশান যাত্রী কে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর ব্যাবস্থা করা হচ্ছে বলে খবর।
পরে আবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার পরিবারের লোকজন তাকে ভিআইপি রোডের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সোমবার ভোর ছ'টা নাগাত তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতাল থেকে মৃতদেহ বাড়িতে এনে দুপুরে সাধারনভাবেই দাহ করা হয় তাঁকে। দাহকার্য শেষ করে বাড়ির লোক যখন ফিরছেন তখন হাসপাতাল থেকে ফোন! মৃতার সোয়াব টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ! ব্যাস মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে এলাকাবাসীর, কিন্তু ততক্ষনে যা হওয়ার তা হয়ে গিয়েছে। হাসপাতালের চরম গাফিলতির শিকার সম্পূর্ন সুকান্তনগরের নবপল্লি এলাকা।
খোঁজ নিয়ে দেখা যায় শ্মশান যাত্রী ছিলেন ২৯ জন, এবং মৃতার সরাসরি সংস্পর্শে এসেছেন বাড়ির ৩ জন। ঘটনায় গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ পরে ঘিরে দেয় পুরো পাড়া। বাড়ির ৩ জনকে কোয়ারেন্তাইনে পাঠানো হয়েছে এবং ২৯ জন শ্মশান যাত্রী কে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর ব্যাবস্থা করা হচ্ছে বলে খবর।

No comments