করোনা মুক্ত রাজ্য হিসাবে ঘোষণা হল মিজোরাম
নজরবন্দি ব্যুরো: মিজোরাম করোনা মুক্ত, ঘোষণা করলো সরকার। গোটা দেশ যখন করোনায় আতংকিত। দেশ-বিদেশের চিকিৎসকরা করোনার প্রতিষেধক তৈরীতে ব্যস্ত। অন্যদিকে খুশির খবর হল উত্তর-পূর্বের চারটি রাজ্য সিকিম, মণিপুর, নাগাল্যান্ড ও অরুণাচল প্রদেশ করোনা মুক্ত। এবার করোনামুক্ত রাজ্যের তালিকায় নাম জুড়ল মিজোরামের। মিজোরামে এক চার্চে কর্মরত ৪৫ বছরের এক ব্যাক্তি করোনায় আক্রান্ত হন। গত ১৬ মার্চ ওই ব্যক্তি আমস্টারডাম থেকে ফিরে অসুস্থ হয়ে পরেন। তাঁর মধ্যে করোনার কিছু উপসর্গ লক্ষ করা যায়। ২৪ মার্চ তাকে জোরাম হাসপাতালে ভর্তি করা হলে নমুনা পরীক্ষা রিপোর্টে করোনা পজেটিভ আসে। গত ৪৫ দিন ধরে চিকিৎসাধিন থাকার পরে তিনি এখন সুস্থ বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
শনিবার তাকে ছেরে দেওয়া হয়েছে। তবে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ওই ব্যক্তিকে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পু জোরামথাঙ্গা জানিয়েছেন, মিজোরাম এমন একটি রাজ্য যেখানে কেউ নিয়ম লংঘন করেন না। রাজ্যে প্রথম আক্রান্ত ব্যক্তির খোঁজ পাওয়া মাত্রই সরকার একটি নিয়ম তৈরি করে। এবং চার্চ ও এনজিও গুলি এই কাজে সরকারকে সাহায্য করে। মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্যবাসী খুব সুন্দর ভাবে লকডাউনের নিয়ম পালন করেছেন। সেখানে ১১ জেলা মিলিয়ে ১৩৬৬ জন কে আলাদা আলাদা জায়গায় কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কেউ করোনায় আক্রান্ত নন তাও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, করোনার উপসর্গ থাকলে তাকে একদম আলাদা ভাবে রাখা হয়েছে যার ফলে এক জনের থেকে অপর জনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পরেনি। এই মুহুর্তে মিজোরামে আর কোন করোনা রোগী নেই। তাই রাজ্যকে করোনা মুক্ত রাজ্য হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। তবে চিন্তার বিষয় হচ্ছে মায়ানমার ও বাংলাদেশ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশ দেশের সঙ্গে ৩১৮ কিলোমিটার ও মায়ানমারে ৫১০ কিলোমিটার পর্যন্ত সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সীমান্তে রাখা হচ্ছে কড়া নজরদারি। রাজ্যে যাতে আর এই সংক্রমণ ফেরত না আসে তার জন্য সমস্ত রকম ব্যবস্থা নেবে সরকার।
তিনি আরও জানান, করোনার উপসর্গ থাকলে তাকে একদম আলাদা ভাবে রাখা হয়েছে যার ফলে এক জনের থেকে অপর জনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পরেনি। এই মুহুর্তে মিজোরামে আর কোন করোনা রোগী নেই। তাই রাজ্যকে করোনা মুক্ত রাজ্য হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। তবে চিন্তার বিষয় হচ্ছে মায়ানমার ও বাংলাদেশ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশ দেশের সঙ্গে ৩১৮ কিলোমিটার ও মায়ানমারে ৫১০ কিলোমিটার পর্যন্ত সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সীমান্তে রাখা হচ্ছে কড়া নজরদারি। রাজ্যে যাতে আর এই সংক্রমণ ফেরত না আসে তার জন্য সমস্ত রকম ব্যবস্থা নেবে সরকার।

No comments