সংক্রমণ আটকাতে ৫ রাজ্য থেকে সমস্ত পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল কর্ণাটক সরকার।
নজরবন্দি ব্যুরো: কর্নাটকে বর্তমানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২,৮১৮ জন। তার মধ্যে ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭৮১ জন। কিন্তু গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ১৩৫ জন আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গেছে। তার মধ্যে ১১৮ জন অন্য রাজ্য থেকে আসা। তাই রাজ্যে সংক্রমণ আটকাতে পাঁচটা রাজ্য থেকে ট্রেন, বিমান ও অন্য যেকোনো পরিবহন পরিষেবা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল কর্ণাটক সরকার। পাঁচটি রাজ্য হল- মহারাষ্ট্র, গুজরাট, তামিলনাড়ু, মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থান। বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্তের কথা জানান ইয়েদুরাপ্পা সরকার। বর্তমানে দেশের সবথেকে বেশি আক্রান্ত হয়েছে মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু ও গুজরাট।
রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশেও আক্রান্তের সংখ্যা কম নয়। বিভিন্ন রাজ্যে আটকে পড়া শ্রমিকদের নিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ার পরে কর্ণাটকে আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই বেড়ে গেছে। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের আইন মন্ত্রী জে.সি মধু স্বামী বলেন আমরা নজর রাখব যাতে আগামী ১০ থেকে ১৫ দিন ট্রেন বিমান অথবা সড়ক পথে ৫ রাজ্য থেকে কোনো আক্রান্ত ব্যক্তি যাতে না ঢোকে। তাতে আমাদের চাপও বাড়বে। যারা আসছেন তাদের দুবার করে টেস্ট করা হচ্ছে, ফলে কাজে অনেক সময় লাগছে। এছাড়া বর্তমানে যারা কোয়ারেন্টাইনে আছে তাদের না ছাড়া পর্যন্ত অন্য কাউকে আমরা ঢুকতে দিতে চাইছি না। বিমানে করে প্রতিদিন ১৫ হাজার যাত্রী ঢুকছেন তাই বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১৮ ই মে মহারাষ্ট্র, গুজরাট, তামিলনাড়ু ও কেরালা থেকে মানুষের ঢোকা বন্ধ করে দিয়েছিল কর্নাটক সরকার। কিন্তু বিমান পরিষেবা চালু হওয়ার পরেই তা তুলে নেয়। তবে কেন্দ্র থেকে জানানো হয়েছিল রাজ্যগুলির পারস্পরিক মত থাকলে এই পরিবহন চলবে। এর পরেও এই সিদ্ধান্তে আসেন কর্ণাটক সরকার।
রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশেও আক্রান্তের সংখ্যা কম নয়। বিভিন্ন রাজ্যে আটকে পড়া শ্রমিকদের নিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ার পরে কর্ণাটকে আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই বেড়ে গেছে। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের আইন মন্ত্রী জে.সি মধু স্বামী বলেন আমরা নজর রাখব যাতে আগামী ১০ থেকে ১৫ দিন ট্রেন বিমান অথবা সড়ক পথে ৫ রাজ্য থেকে কোনো আক্রান্ত ব্যক্তি যাতে না ঢোকে। তাতে আমাদের চাপও বাড়বে। যারা আসছেন তাদের দুবার করে টেস্ট করা হচ্ছে, ফলে কাজে অনেক সময় লাগছে। এছাড়া বর্তমানে যারা কোয়ারেন্টাইনে আছে তাদের না ছাড়া পর্যন্ত অন্য কাউকে আমরা ঢুকতে দিতে চাইছি না। বিমানে করে প্রতিদিন ১৫ হাজার যাত্রী ঢুকছেন তাই বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১৮ ই মে মহারাষ্ট্র, গুজরাট, তামিলনাড়ু ও কেরালা থেকে মানুষের ঢোকা বন্ধ করে দিয়েছিল কর্নাটক সরকার। কিন্তু বিমান পরিষেবা চালু হওয়ার পরেই তা তুলে নেয়। তবে কেন্দ্র থেকে জানানো হয়েছিল রাজ্যগুলির পারস্পরিক মত থাকলে এই পরিবহন চলবে। এর পরেও এই সিদ্ধান্তে আসেন কর্ণাটক সরকার।

No comments