Header Ads

১০ জুন স্কুল না খোলার পরামর্শ শিক্ষকদের!

নজরবন্দি ব্যুরো: রাজ্যে সহ গোটা দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। শেষ পাওয়া খবর অনুসারে, ভারতে এই মুহূর্তে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭৪ হাজার ২৪৩ জন যার মধ্যে ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়েছেন ২৪ হাজার ৪২০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৪১৫ জনের। অন্যদিকে ভারতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন মহারাষ্ট্রে, সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২৪ হাজার ৪২৭ জন যার মধ্যে সুস্থ হয়েছেন এখন পর্যন্ত ৫ হাজার ১২৫ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৯২১ জন বাকিরা চিকিৎসাধীন। মহারাষ্ট্রের পরেই সংক্রমণের নিরিখে যথাক্রমে রয়েছে গুজরাত, তামিলনাড়ু, দিল্লী, রাজস্থান,  মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ এবং তাঁর পরেই আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ। পশ্চিমবঙ্গে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ১৭৩ জন, যার মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬১২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৯৮ জনের বাকিরা চিকিৎসাধীন।


এইরকম সময়ে স্কুল না খোলার ব্যাপারেই সওয়াল করছেন পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষকদের একটা বড় অংশ। এখনও পর্যন্ত ঠিক আছে, ১০ জুন স্কুল খুলবে। স্কুলগুলি খুলে দিলে রাজ্যের কমবেশি এক কোটি পড়ুয়া বিপদের মুখে পড়বে বলেই মনে করছেন শিক্ষকরা। লকডাউন উঠলেও বজায় থাকবে সামাজিক দূরত্ব-বিধি। কিন্তু একটি স্কুলে তা মেনে চলা কোনওভাবেই সম্ভব নয় বলে দাবি কলেজিয়াম অব অ্যাসিস্ট্যান্ট হেডমাস্টার্স অ্যান্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট হেডমিস্ট্রেসেস-এর সম্পাদক সৌদীপ্ত দাসের।

এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মোটামুটি ২০ ফুট বাই ১৬ ফুটের ঘরে ১৫-১৬টি বেঞ্চ থাকে। ৬০ জনেরও বেশি পড়ুয়া ভর্তি নেওয়া হয়। ধরেই নেওয়া হয় উপস্থিতির হার বড়জোর ৭০ শতাংশ থাকবে। কিন্তু তাতেও ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে তিন ফুট দূরত্ব মেনে চলা সম্ভব নয়। উপস্থিতির হার তার চেয়ে বেশি হলে কয়েক ইঞ্চি দূরত্বও থাকবে না। তাছাড়া, স্কুল স্যানিটাইজ করা আর অফিস-কাছারি স্যানিটাইজ করার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। স্কুলের ক্ষেত্রে অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হবে। আবার, বহু স্কুলে সাফাইকর্মীই নেই। কোনও কোনও স্কুল নিজেদের তহবিল থেকে চুক্তির ভিত্তিতে অর্থ দিয়ে সাফাইকর্মী আনে। প্রাথমিক স্কুলগুলিতে তো সেই অর্থে সাফাইকর্মী পদই নেই। তাই স্যানিটাইজেশন একটা মাথাব্যথার কারণ হবে। তাই স্কুলে পরিচ্ছন্নতা বিধিও কঠোরভাবে মেনে চলা বেশ কঠিন।

No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.