বিজয় মালিয়ার ভারতে ফেরার আর্জি খারিজ!
নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিজয় মালিয়ার ভারতে প্রত্যপর্ণের বিরুদ্ধে জানানোও আর্জি খারিজ করে দিল ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের হাইকোর্ট। এর পর মামলাটির চুড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য পাঠানো হবে স্বরাষ্ট্রসচিব প্রীতি প্যাটেলের কাছে। একাধিক ব্যাঙ্কের সাথে ঋণ প্রতারণায় নাম জরায় বিজয় মালিয়া। ৯০০০ কোটির টাকার প্রতারণার মামলা তার বিরুদ্ধে। তার পর মালিয়া দেশ ছেঁড়ে পালায়।
২০১৬ সালে তিনি ব্রিটেনে পালিয়ে যান। পরে তাঁকে গ্রেহতারও করা হয়। শুধু বিজয় মালিয়া নয়, নীরব মোদীও ব্যাঙ্কের বুপুল টাকার প্রতারণা করে দেশ ছাড়া হয়ে যান। ভারত সরকার এই রকম প্রতারকদের ধরতে অর্থনৈতিক অপরাধী আইন তৈরি করেছে । প্রতারকদের দেশে ফেরা নিয়ে আলোচন চলছে ভারত সরকারর সাথে অন্যান্য দেশের। বিজয় মালয়াকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা জারি রেখেছে কেন্দ্র সরকার। সে ভারতে প্রবেশ করলেই তাঁকে গ্রেহতার করা হবে। মালিয়ার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি আছে ভারতের আদালতে। সম্প্রতি বিজয় মালিয়া ভারত সরকারের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছে , করোনার জেরে বিশ্ব জুড়ে লকডাউন চলছে। ফলে তার সমস্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে আছে। তাড় মধ্যেও কর্মচারিদের বেতন দিচ্ছি। এই সময়ে ভারত সরকারের উচিৎ তাড় পাশে দাড়ানোর। এবং লকডাউনের জন্য অনেক কর্মী বাড়ি ফিরতে পারছেন না, এই বিষয়ে ভারত সরকারের নজর দেওয়া উচিৎ। বাদ যায়নি পলাতক লিকার ব্যরনও। তিনি কখন জানাচ্ছেন ব্যাঙ্ক তাঁর থেকে তাকা নিচ্ছে না আবার কখন বলছেন তাঁর আর্থিক অবস্থা ভীষণ খারাপ যে সে কর্মীদের বেতন দিতে পারছহেন না, তাঁর পক্ষে ব্যাঙ্কের টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব নয়।
২০১৬ সালে তিনি ব্রিটেনে পালিয়ে যান। পরে তাঁকে গ্রেহতারও করা হয়। শুধু বিজয় মালিয়া নয়, নীরব মোদীও ব্যাঙ্কের বুপুল টাকার প্রতারণা করে দেশ ছাড়া হয়ে যান। ভারত সরকার এই রকম প্রতারকদের ধরতে অর্থনৈতিক অপরাধী আইন তৈরি করেছে । প্রতারকদের দেশে ফেরা নিয়ে আলোচন চলছে ভারত সরকারর সাথে অন্যান্য দেশের। বিজয় মালয়াকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা জারি রেখেছে কেন্দ্র সরকার। সে ভারতে প্রবেশ করলেই তাঁকে গ্রেহতার করা হবে। মালিয়ার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি আছে ভারতের আদালতে। সম্প্রতি বিজয় মালিয়া ভারত সরকারের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছে , করোনার জেরে বিশ্ব জুড়ে লকডাউন চলছে। ফলে তার সমস্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে আছে। তাড় মধ্যেও কর্মচারিদের বেতন দিচ্ছি। এই সময়ে ভারত সরকারের উচিৎ তাড় পাশে দাড়ানোর। এবং লকডাউনের জন্য অনেক কর্মী বাড়ি ফিরতে পারছেন না, এই বিষয়ে ভারত সরকারের নজর দেওয়া উচিৎ। বাদ যায়নি পলাতক লিকার ব্যরনও। তিনি কখন জানাচ্ছেন ব্যাঙ্ক তাঁর থেকে তাকা নিচ্ছে না আবার কখন বলছেন তাঁর আর্থিক অবস্থা ভীষণ খারাপ যে সে কর্মীদের বেতন দিতে পারছহেন না, তাঁর পক্ষে ব্যাঙ্কের টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব নয়।

No comments