বিজেপি নেতা-মন্ত্রীরা যে রাজনীতিতে নেমেছেন তাকে নোংরামি বলে: ফিরহাদ হাকিম
নজরবন্দি ব্যুরো: রাজ্য ও রাজ্যপালের তিক্ততার সম্পর্কের ব্যাপারে এখন রাজ্যের মানুষ সবকিছু জানেন। সম্প্রতি ত্রাণ ও রেশন বিলি নিয়ে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত চরমে ওঠে। আর এবার সেই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন তৃণমূল নেতা তথা পৌর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। মুখ্যসচিবকে দেওয়া রাজ্যপালের চিঠির প্রসঙ্গে গেরুয়া নেতাদের আক্রমণ করে তিনি বলেন, "এই রাজ্যের বিজেপি নেতা-মন্ত্রীরা যে রাজনীতিতে নেমেছেন তাকে নোংরামি বলে। এটা রাজনীতি বলা যায় না। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে মানুষের জন্য কাজ করছেন তা অতুলনীয়।
আমরা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পাবার পরেই রাস্তায় নেমে রাজ্যের মানুষের জন্য কাজ করে চলেছি। কিন্তু, কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা-মন্ত্রী নিজেদের কাজ না করে চিঠি লেখালিখি, টুইট নিয়ে পড়ে আছেন। এইসব রাজনৈতিক নেতা এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও নিজেদের স্বার্থ দেখছেন। আমরা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সবাই রাস্তায় নেমে কাজ করছি, সেটা রাজ্যের মানুষ দেখছেন। তাই এই সময়ে দাঁড়িয়ে যাঁরা এই ধরনের রাজনীতি করছেন তাঁরা আর কোনও দিনই মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করার সুযোগ পাবে না। যদি মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করার হত তাহলে এই ধরনের রাজনীতিতে মেতে উঠতেন না বিজেপি-র নেতা-মন্ত্রীরা। মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করার হলে জনগণের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলার জন্য কাজ করতে হয়। তাই বিরোধীরা যা করছে করে যাক। আমরা রাস্তায় মানুষের জন্য যেভাবে কাজ করে যাচ্ছি আগামী দিনেও করে যাব।"
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রেশনিং ব্যবস্থার দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। শনিবার ট্যুইট করে রেশনিং ব্যবস্থার দুর্নীতি নিয়ে নিজের ক্ষোভ উগরে দিলেন। ট্যুইট করে তিনি বলেন " মারণ করোনা ভাইরাস-কে মোকাবিলা করতে মাঠে নামতে হবে। মিডিয়ার মাধ্যমে তা করা যাবে না। এখানে কোনও রাজনীতি না করাই বাঞ্ছনীয়।
এর পরেই তিনি বলেন রেশনিং ব্যবস্থার দুর্নীতি নিয়ে চিন্তিত আছি। এই দুর্নীতি ক্রমশই বাড়ছে। রেশনিং ব্যবস্থাকে কোনও রাজনৈতিক দলের দখল করা একটা অপরাধ। গরিবদের জন্য রেশন ব্যবস্থা ফ্রি করা হয়েছে। রেশন ব্যবস্থা নিয়ে কালোবাজারিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত মুখ্যমন্ত্রীর।"
আমরা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পাবার পরেই রাস্তায় নেমে রাজ্যের মানুষের জন্য কাজ করে চলেছি। কিন্তু, কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা-মন্ত্রী নিজেদের কাজ না করে চিঠি লেখালিখি, টুইট নিয়ে পড়ে আছেন। এইসব রাজনৈতিক নেতা এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও নিজেদের স্বার্থ দেখছেন। আমরা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সবাই রাস্তায় নেমে কাজ করছি, সেটা রাজ্যের মানুষ দেখছেন। তাই এই সময়ে দাঁড়িয়ে যাঁরা এই ধরনের রাজনীতি করছেন তাঁরা আর কোনও দিনই মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করার সুযোগ পাবে না। যদি মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করার হত তাহলে এই ধরনের রাজনীতিতে মেতে উঠতেন না বিজেপি-র নেতা-মন্ত্রীরা। মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করার হলে জনগণের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলার জন্য কাজ করতে হয়। তাই বিরোধীরা যা করছে করে যাক। আমরা রাস্তায় মানুষের জন্য যেভাবে কাজ করে যাচ্ছি আগামী দিনেও করে যাব।"
এর পরেই তিনি বলেন রেশনিং ব্যবস্থার দুর্নীতি নিয়ে চিন্তিত আছি। এই দুর্নীতি ক্রমশই বাড়ছে। রেশনিং ব্যবস্থাকে কোনও রাজনৈতিক দলের দখল করা একটা অপরাধ। গরিবদের জন্য রেশন ব্যবস্থা ফ্রি করা হয়েছে। রেশন ব্যবস্থা নিয়ে কালোবাজারিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত মুখ্যমন্ত্রীর।"

No comments