Header Ads

চিন রাসায়নিক কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি করায় দেশে একধাক্কায় অনেকগুন বৃদ্ধি হচ্ছে ওষুধের দামে

নজরবন্দি ব্যুরোঃ চিন করোনার করলে পড়ায় বেশ কিছুটা চিন্তায় পরেছিল ওষুধ তৈরী সংস্থা গুলি। কারণ ওষুধ তৈরির জন্য যে সমস্ত রাসায়নিক কাঁচামালের দরকার হয় তাঁর বেশিরভাগ অংশটাই আমদানি করা হয় চিন থেকে। করোনার জেরে চিনে চলছিল লকডাউন চলছিল। ফলে রাসায়নিকের কাঁচামাল আসা প্রায় বন্ধ ছিল। এখন চিনের পরিস্থতি কিছুটা হালকা হওয়ায় আসতে আসতে সমস্ত কারখানা খুলছে। এই মহামারীর জেরে গোটা বিশ্ব আর্থিকমন্দার মধ্যে যাচ্ছে। চিনে কারখানাগুলি খোলার পরেই রাসায়নিকের কাঁচামালের দাম অনেক গুণ বারিয়ে দিয়েছে চিন। ফলে দেশেও ওষুধের নামও বহুগুন বৃদ্ধি পেয়েছে।
কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি হওয়া মানেই খুব স্বাভাবিক ভাবেই ওষুধের দামও উর্ধ্মুখি। এক ধাক্কায় অনেকটাই দাম বেড়েছে বেশ কিছু ওষুধের। অঅ্যাজিথ্রোমাইসিন, জ্বরের ওষুধ প্যারাসিটামল, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ বা ব্যথা কমানোর ওষুধ নিমেসুলাইডের দাম বেড়েছে প্রায় ৬০ থেকে ১৯০ শতাংশ। যার চাহিদা আমাদের দেশে রয়েছে। নন-স্টেরয়েডাল ট্যাবলেট হিসেবেও নিমেসুলাইড-এর চাহিদা প্রচুর। তিন মাস আগে তর্থাৎ জানুয়ারি মাসেও নিমেসুলাইডের প্রতি কেজির দাম পড়ত ৪৫০ টাকা, একধাক্কায় সেই দাম ১৮৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১৩০০ টাকা প্রতি কেজি ।
 অ্যাজিথ্রোমাইসিনের দাম ৯৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৭,৬৫০ থেকে ১০,৫০০ টাকা প্রতি কেজি। প্যারাসিটামলের দাম ৬২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি কেজিতে হয়েছে ২৬২ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা। শুধু এই কয়েকটি ওষুধ নয় এই তিন মাসে ২০ থেকে ৪০ শতাংশ দাম বেড়েছে আরও বেশ কিছু অ্যান্টিবায়োটিকের, যেমন টিনিডাজোল, অ্যামোক্সিসিলিন, অফ্লোক্স্যাসিন, অ্যামিক্যাসিন, ক্লোক্সাসিলিন।

No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.