Header Ads

বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে বহরমপুরের রবীনহুড!

নজরবন্দি ব্যুরো: এই কংগ্রেস নেতার মুখে এর আগেও শোনা গিয়েছিল পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে উদ্বেগের কথা। লকডাউনের পর থেকেই প্রচারের আড়ালে থেকে বিভিন্ন রাজ্যে আটকে পড়া শ্রমিকদের কি করে সাহায্য করা যায় তার চেষ্টা চালাচ্ছেন সাংসদ অধীর চৌধুরী।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে এই সমস্যা নিয়ে চিঠিও লিখেছেন। কিন্তু শুধু রাজনীতির বুলি আওড়েই বা  কুমিরের কান্না কেঁদে থেমে যাননি বহরমপুরের রবীনহুড। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আটকে থাকা বাঙালি শ্রমিকদের সাহায‌্য করতে কার্যত সমান্তরাল সরকারের মতো কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। সাহায্য করছেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আটকে থাকা মুর্শিদাবাদের শ্রমিকদের। নিজের দিল্লির বাড়িটিকেই যেন কন্ট্রোল রুম বানিয়ে ফেলেছেন অধীর।
দিনভর দেশ ও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছে ফোন। আর ফোন পেয়েই সবরকম সাহায্যে ঝাঁপিয়ে পড়ছেন সাংসদ। তাঁকে সাহায্য করছেন তাঁর স্ত্রী অতসী এবং বেশকিছু কংগ্রেস কর্মী। অধীর-বাবু বলেন, "প্রতিদিন শুধু পশ্চিমবঙ্গ থেকেই ৫০০-৬০০ ফোন আসছে। কারও সন্তান ভিনরাজ্যে আটকে আছেন, তো কারো দু-বেলা খাবার কেনার মতন টাকা নেই। আমার লোকসভা কেন্দ্র বহরমপুরের মানুষ কেউ বড়লোক নয়। অধিকাংশই শ্রমিক শ্রেণির। সময় এসেছে এদের সাহায্য করার।"
এই সমস্ত পরিযায়ী শ্রমিক ব্যাপারে রাজ্য সরকারের ভূমিকাতে সন্তুষ্ট নন এই কংগ্রেস সাংসদ। তিনি বলছেন, রাজ্য থেকে কারা কারা বাইরে আটকে আছেন, তাদের কোনও তথ্য নেই নবান্নে। সরকার সেই তথ্য সংগ্রহের চেষ্টাও করছে না। এটা বেশ চিন্তার বিষয়।

উল্লেখ্য, লকডাউনের কারণে বিভিন্ন রাজ্যে আটকে যাওয়া পশ্চিমবঙ্গের শ্রমিক-কর্মচারীদের দুরবস্থার কথা চিন্তা করে তাঁদের আর্থিক সাহায্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মূলত দক্ষিণ ভারত সহ দেশের যে ১৮টি রাজ্যে আটকে পড়েছেন বাংলার শ্রমিক-কর্মচারীরা, তাঁদেরই এই আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। 'স্নেহের পরশ' নামে এই সামাজিক প্রকল্প আগামী সোমবার থেকেই চালু হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক-কর্মচারীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে এক হাজার টাকা।  

No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.