Header Ads

লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা, দেশ জুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ, ঘরে থাকুন সবাই

নজরবন্দি ব্যুরোঃ যত দিন যাচ্ছে ততোই যেন আরও ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করছে করোনা ভাইরাসে । বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় কিছুটা কম হলেও ভারতে বেড়েই চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা । শুক্রবার সকাল পর্যন্ত সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ২৩০১ । সারা দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৬ । মহারাষ্ট্রে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪২০ পেরিয়ে গেছে এবং বেশ কয়েকটি এলাকা সিল করে দেওয়া হয়েছে। করোনাভাইরাস মুম্বইয়ের ধরভি অঞ্চলে পৌঁছেছে, যা এশিয়ার বৃহত্তম বস্তি এবং ইতিমধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং দু'জন আক্রান্ত হয়েছে। রাজ্য ও কর্তৃপক্ষের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হ'ল এটি পৃথিবীর অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চল হওয়ায় এর বিস্তারকে আরও নিয়ন্ত্রণ করা। যার ফলে সিল করা হয়েছে এই অংশটিও।মহারাষ্ট্রের পরই ছিল কেরল। তার পরে ছিল তামিলনাড়ু। কিন্তু গত দু'দিনের মধ্যে প্রায় পাঁচ গুণ সংক্রমণ বেড়েছে তামিলনাড়ুতে। ৩১ মার্চ ওই রাজ্যে সংক্রমণের যে সংখ্যাটা ছিল মাত্র ৭৪। সেটাই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০৯।
 এই অল্প সময়ে সংক্রমণের একটা বিশাল লাফ এক ধাক্কায় দেশের মোট সংক্রমণের সংখ্যায় বাড়িয়ে দিয়েছে। সংক্রমণের সংখ্যার নিরিখে তৃতীয় স্থানে চলে এসেছে কেরল। সেখানে ২৮৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু এবং কেরলের পর রয়েছে দিল্লি (২৯১),রাজস্থান (১৩৩), উত্তরপ্রদেশ (১১৩), অন্ধ্রপ্রদেশ (১৩২) এবং তেলঙ্গানা (১০৭)। করোনায় মৃত্যুর নিরিখে প্রথম স্থানেও মহারাষ্ট্র। সেখানে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর পরে রয়েছে গুজরাট। সেখানে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের।
মধ্যপ্রদেশে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। দিল্লি ও পাঞ্জাবে ৪ জনের।করোনার এই সঙ্কটের মধ্যে নিজামউদ্দিনের জমায়েত আরও আশঙ্কা বাড়িয়েছে সরকারের। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, নিজামুদ্দিনের জমায়েতে উপস্থিত এবং তাঁদের সংস্পর্শে আসা প্রায় ন'হাজার জনকে চিহ্নিত করে কোয়রান্টিনে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ১৩০৬ জন বিদেশি। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়াল জানিয়েছেন, তল্লাশি চালিয়ে অন্তত ৪০০ জন সংক্রমিতের খোঁজ মিলেছে, যাঁরা তবলিগি জামাতের সদস্য। এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.