ওদের কথা হেথা কেহ বলেনা; তবুও 'ওরা' আছে বলেই আজও বেঁচে আছে 'ওরা'! #Exclusive
অর্ক সানাঃ করোনার আতঙ্কে কাপছে সারা বিশ্ব। কার্যত ঘরবন্দি মানব জাতি। লক্ষ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত, মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েছেন হাজার হাজার। তাঁর ওপর ঘাড়ে ঝুলছে লকডাউনের মত খাঁড়া! অর্থাৎ গরীব জনগনের পাশে যদি এই সময় কেউ না থাকে তাহলে পরে করোনা আগে ক্ষুধার জ্বালায় তাঁরা মারা যাবে! এই যখন পরিস্থিতি তখন বেশ সদর্থক ভূমিকা নিয়েছে দেশ এবং রাজ্যের সরকার। দিন আনি দিন খাই মানুষের জন্যে ঘোষিত হয়েছে নানা রকম প্রকল্প। কিন্তু ঘোষিত প্রকল্প সেই সব গরীব মানুষের কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত তাঁদের চলবে কিভাবে?
সমস্যার সমাধানে ব্রতি হয়েছেন ভারতবাসীরাই। একে অন্যের পাশে বিপদের দিনে দাঁড়ানো কাকে বলে তা দেখিয়ে দিচ্ছে ভারতবাসী। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবীরা তো আছেনই তাঁর পাশাপাশি রাজ্যের একাধিক ক্লাবও এগিয়ে এসেছে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্যে। আসলে কোটি টাকা, লক্ষ টাকা সরকারকে দানের খবর ঘুরছে ফোনে, টিভিতে, কাগজে! কিন্তু প্রচারের আলোর বাইরে ওদের জন্য 'ওরা' আছে বলেই আজও বেঁচে আছে 'ওরা'! রাজ্যের এই ওদের অনেক ঘটনার মধ্যে একটি মানবিক ঘটনা সামনে এল। ঘটনাস্থল পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদার অন্তর্গত কেদার গ্রামের। এই গ্রামে অনেক নিম্নবিত্ত পরিবারের বাস। বলতে গেলে নুন আনতে পান্তা ফুরায়! এই অবস্থায় এই অসহায় গ্রামবাসীদের পাশে দাঁড়াল এলাকার একটি ক্লাব; নাম, কেদার উদয় শংকর সমিতি। কেদার শংকর সমিতি কেদার গ্রামের দুস্থ মানুষদের কাছে চাল, আলু, মুড়ি, সব্জি নিয়ে হাজির হয় দূর্দিনে দেবদূতের মত। ক্লাবের সহায়তায় প্রায় ৫০০ পরিবারের হাতে পৌঁছে যায় ন্যুনতম জীবন ধারনের সামগ্রী।
এই ঘটনা আরও ঘটুক রাজ্য তথা দেশ জুড়ে। একে অপরের পাশে কিভাবে দাঁড়াতে হয় তা যেন পৃথিবীকে শিক্ষা দিচ্ছে একটা ছোট্ট কিন্তু মারন ভাইরাস!
সমস্যার সমাধানে ব্রতি হয়েছেন ভারতবাসীরাই। একে অন্যের পাশে বিপদের দিনে দাঁড়ানো কাকে বলে তা দেখিয়ে দিচ্ছে ভারতবাসী। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবীরা তো আছেনই তাঁর পাশাপাশি রাজ্যের একাধিক ক্লাবও এগিয়ে এসেছে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্যে। আসলে কোটি টাকা, লক্ষ টাকা সরকারকে দানের খবর ঘুরছে ফোনে, টিভিতে, কাগজে! কিন্তু প্রচারের আলোর বাইরে ওদের জন্য 'ওরা' আছে বলেই আজও বেঁচে আছে 'ওরা'! রাজ্যের এই ওদের অনেক ঘটনার মধ্যে একটি মানবিক ঘটনা সামনে এল। ঘটনাস্থল পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদার অন্তর্গত কেদার গ্রামের। এই গ্রামে অনেক নিম্নবিত্ত পরিবারের বাস। বলতে গেলে নুন আনতে পান্তা ফুরায়! এই অবস্থায় এই অসহায় গ্রামবাসীদের পাশে দাঁড়াল এলাকার একটি ক্লাব; নাম, কেদার উদয় শংকর সমিতি। কেদার শংকর সমিতি কেদার গ্রামের দুস্থ মানুষদের কাছে চাল, আলু, মুড়ি, সব্জি নিয়ে হাজির হয় দূর্দিনে দেবদূতের মত। ক্লাবের সহায়তায় প্রায় ৫০০ পরিবারের হাতে পৌঁছে যায় ন্যুনতম জীবন ধারনের সামগ্রী।
এই ঘটনা আরও ঘটুক রাজ্য তথা দেশ জুড়ে। একে অপরের পাশে কিভাবে দাঁড়াতে হয় তা যেন পৃথিবীকে শিক্ষা দিচ্ছে একটা ছোট্ট কিন্তু মারন ভাইরাস!

No comments