লকডাউনের নিয়ম মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ; আসছে কেন্দ্রের দল
নজরবন্দি ব্যুরো: গোটা দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে দ্রুত গতিতে। ৩ মে পর্যন্ত দেশজুড়ে লকডাউনের মেয়াদ বাড়লেও ২০ এপ্রিল থেকে বিভিন্ন রাজ্যের পরিস্থিতি দেখে কিছু কিছু এলাকায় লকডাউন শিথিল করার কথা জানিয়েছিলেন মোদী। সেই মতো আজ থেকে প্রক্রিয়া শুরু করেছে ভারত সরকার। কিছু ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক কাজকর্মও শুরু হচ্ছে আজ থেকে।
প্রাইভেট গাড়ির ক্ষেত্রে ছাড় আছে। কিন্তু শর্ত রয়েছে, জরুরি প্রয়োজনে যেমন চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হলে ছাড় রয়েছে। চার চাকা গাড়ির ক্ষেত্রে ড্রাইভার সহ ৩ জন ও ২ চাকার বাইক বা স্কুটারে মাত্র ১ জনই যাতায়াত করতে পারবেন। তার বেশি হলে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারবে। নির্মাণ কাজের ক্ষেত্রে শ্রমিকদের ছাড় দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের বাইরে থেকে শ্রমিক আনা যাবে না।
সরকার অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত চলবে না অটো, ক্যাব ও ট্যাক্সির মতো যান। একই সঙ্গে সোমবার থেকে সব পণ্য পরিবহনে অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্র। ট্রেন ও বিমানেও পণ্য পরিবহন চালু থাকবে। অফিসের ক্ষেত্রে আইটি সেক্টরে ৫০ শতাংশ কর্মী অফিসে কাজ করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে। ই-কমার্স সংস্থাগুলিকে বিভিন্ন ধরনের পণ্য ডেলিভারির অনুমতি দিতে পারবে। তবে সেই পণ্য হতে হবে নিত্য প্রয়োজনীয়।
এ হেন পরিস্থিতিতে রাজ্যের জন্য আশঙ্কার খবর হল, বাংলায় একাধিক জায়গায় লকডাউন বিধি মানা হচ্ছে না। এই নিয়ে রাজ্য সরকারকে চিঠি দিল কেন্দ্র। কেন্দ্র চিঠিতে জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে ৭টি জেলায় লকডাউন বিধি মানা হচ্ছে না। এই ৭টি জেলা হল, হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনা, দার্জিলিং, কালিম্পং, কলকাতা ও জলপাইগুড়ি। এই জেলাগুলিতে সামাজিক দূরত্বও মানা হচ্ছে না বলে চিঠিতে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।
এই জেলাগুলিতেই চলতি সপ্তাহেই পরিদর্শনে আসবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। চিঠিতে এমন কথা বলা হয়েছে। সূত্রের খবর, মাছ-মাংসে দোকান-সহ একাধিক জায়গায় এই নিয়মবিধি না মেনেই যথেচ্ছভাবে ভিড় করে বিক্রি চলছে। ফলে নির্দেশিকা তা কোনওভাবেই মানা হচ্ছে না। যার কারণেই এই জায়গাগুলিতে সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে বলেই মনে করছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব এই চিঠিতে রাজ্য প্রশাসনকে জানিয়েছে, লকডাউনের নিয়ম ও সামাজিক দূরত্ব যাতে এই সাত জেলা-সহ সমগ্র রাজ্যজুড়ে বজায় রাখা যায়, তা দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।
লালবাজার সূত্রের খবর, ৬০ জনেরও বেশি কমব্যাট ফোর্সকে শহরে নামানো হয়েছে। যারা কলকাতা পুলিশের ৯ টি ডিভিশনে ভাগ হয়ে কাজ করছে। কমব্যাট ফোর্সের বেশ কয়েকজন ইন্সপেক্টর এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনারও এদিন রাস্তায় নেমেছেন। মূলত হটস্পট এলাকা এবং বাজারগুলিতে যেহেতু নিয়ম না মানার অভিযোগ উঠেছে, তাই তাদের ওই এলাকাতেই ডিউটি করানো হবে।
প্রাইভেট গাড়ির ক্ষেত্রে ছাড় আছে। কিন্তু শর্ত রয়েছে, জরুরি প্রয়োজনে যেমন চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হলে ছাড় রয়েছে। চার চাকা গাড়ির ক্ষেত্রে ড্রাইভার সহ ৩ জন ও ২ চাকার বাইক বা স্কুটারে মাত্র ১ জনই যাতায়াত করতে পারবেন। তার বেশি হলে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারবে। নির্মাণ কাজের ক্ষেত্রে শ্রমিকদের ছাড় দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের বাইরে থেকে শ্রমিক আনা যাবে না।
সরকার অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত চলবে না অটো, ক্যাব ও ট্যাক্সির মতো যান। একই সঙ্গে সোমবার থেকে সব পণ্য পরিবহনে অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্র। ট্রেন ও বিমানেও পণ্য পরিবহন চালু থাকবে। অফিসের ক্ষেত্রে আইটি সেক্টরে ৫০ শতাংশ কর্মী অফিসে কাজ করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে। ই-কমার্স সংস্থাগুলিকে বিভিন্ন ধরনের পণ্য ডেলিভারির অনুমতি দিতে পারবে। তবে সেই পণ্য হতে হবে নিত্য প্রয়োজনীয়।
এই জেলাগুলিতেই চলতি সপ্তাহেই পরিদর্শনে আসবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। চিঠিতে এমন কথা বলা হয়েছে। সূত্রের খবর, মাছ-মাংসে দোকান-সহ একাধিক জায়গায় এই নিয়মবিধি না মেনেই যথেচ্ছভাবে ভিড় করে বিক্রি চলছে। ফলে নির্দেশিকা তা কোনওভাবেই মানা হচ্ছে না। যার কারণেই এই জায়গাগুলিতে সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে বলেই মনে করছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব এই চিঠিতে রাজ্য প্রশাসনকে জানিয়েছে, লকডাউনের নিয়ম ও সামাজিক দূরত্ব যাতে এই সাত জেলা-সহ সমগ্র রাজ্যজুড়ে বজায় রাখা যায়, তা দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।
লালবাজার সূত্রের খবর, ৬০ জনেরও বেশি কমব্যাট ফোর্সকে শহরে নামানো হয়েছে। যারা কলকাতা পুলিশের ৯ টি ডিভিশনে ভাগ হয়ে কাজ করছে। কমব্যাট ফোর্সের বেশ কয়েকজন ইন্সপেক্টর এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনারও এদিন রাস্তায় নেমেছেন। মূলত হটস্পট এলাকা এবং বাজারগুলিতে যেহেতু নিয়ম না মানার অভিযোগ উঠেছে, তাই তাদের ওই এলাকাতেই ডিউটি করানো হবে।

No comments