লকডাউনে রাজ্যে কী কী খোলা, কী কী বন্ধ? এক নজরে দেখেনিন
নজরবন্দি ব্যুরোঃ দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। এখনও পর্যন্ত মারা গিয়েছেন ৬ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬ জন। অন্যদিকে, আজ মধ্যরাত থেকে দেশ জুড়ে বন্ধ হচ্ছে সমস্ত রকম যাত্রীবাহী ট্রেন এবং মেট্রোরেল। রেলমন্ত্রক মেল, এক্সপ্রেস, প্যাসেঞ্জার, লোকাল-সহ সমস্ত রকম ট্রেন পরিষেবা বন্ধ থাকবে। আজ মধ্যরাতের পর থেকে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কলকাতার মেট্রো পরিষেবাও।
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে শুধুমাত্র আম্তর্জাতিক উড়ান আর যাত্রিবাহী ট্রেন বন্ধের সিদ্ভান্ত কেন?
ডোমেস্টিক ফ্লাইট কেন এখনও চালানো হচ্ছে অবিলম্বে বন্ধ হোক ডোমেস্টিক উড়ান৷ উল্লেখ্য, বিজ্ঞপ্তি জারি করে ভারতীয় রেল জানিয়েছে, "করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ায় সমস্ত মেল, এক্সপ্রেস ও প্যাসেঞ্জার ট্রেন বাতিল করা হল। তবে কলকাতা ও শহরতলিতে এখনও লোকাল ট্রেন চলছে। পাশাপাশি কলকাতা মেট্রো ও ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোও চলছে। আজ মধ্যরাত পর্যন্ত চলার পর সেগুলিও বন্ধ করে দেওয়া হবে। পরিষেবা বন্ধ থাকবে আগামী ৩১ মার্চ মধ্যরাত পর্যন্ত।" অন্যদিকে সূত্র জানাচ্ছে দেশের ৭৫টি জেলা-শহর লক ডাউন হতে পারে যার মধ্যে রয়েছে কলকাতাও।
ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের সুপারিশ এসে পৌঁছেছে নবান্নে। কিছুক্ষন পরেই কলকাতা সহ রাজ্যের সমস্ত পৌরশহর কে লকডাউন করার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে চলেছে। সোমবার বিকেল থেকেই আপৎকালীন পরিষেবা বাদ দিয়ে বাকি সব কিছু বন্ধ হয়ে যাবে রাজ্যের পুর শহরগুলিতে।
এক নজরে দেখে নিন, কী কী সম্পূর্ণ বন্ধ থাকছে সাড়ে চার দিনের এই লকডাউনে:
A. বাস, অটো, ট্যাক্সি-সহ গোটা গণপরিবহণ ব্যবস্থা বন্ধ। ট্রেনও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সোমবার রাত থেকেই।
B. দোকানপাট, সব ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, অফিস-কাছারি, কারখানা, গুদাম বন্ধ।
C. বিদেশ থেকে ফিরেছেন এমন ব্যক্তিরা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের দ্বারা নির্দেশিত ব্যক্তিরা স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত বাধ্যতামূলক ভাবে ঘরে থাকবেন।
D. খুব জরুরি প্রয়োজন না পড়লে অন্যদেরও অর্থাৎ প্রত্যেককে ঘরে থাকতে বলা হচ্ছে সামাজিক দূরত্ব বহাল রাখার জন্য।
কোন কোন বিষয় ছাড় পাচ্ছে লকডাউনের আওতা থেকে, তা-ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের বিবৃতিতে। লকডাউনের বাইরে কী কী থাকছে? দেখে নিন:
A. হাসপাতাল ও অন্যান্য আপৎকালীন কাজের জন্য ব্যবহৃত যাত্রিবাহী গাড়ি ও মালবাহী গাড়ি
B. আইন-শৃঙ্খলা, আদালত ও সংশোধনাগার বিভাগ
C. স্বাস্থ্য পরিষেবা
D. পুলিশ, সশস্ত্র বাহিনী, আধাসেনা
E. বিদ্যুৎ, পানীয় জল সরবরাহ এবং জঞ্জাল অপসারণ পরিষেবা
F. দমকল, অসামরিক প্রতিরক্ষা এবং আপৎকালীন পরিষেবা
G. টেলিকম, ইন্টারনেট ও তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্র
H. ব্যাঙ্ক ও এটিএম
I. খাবার, মুদিখানা, সবজি, ফল, মাংস, মাছ, পাউরুটি এবং দুধের বিক্রয়, মজুত এবং পরিবহণ ব্যবস্থা
J. মুদিখানার সামগ্রী এবং খাবারের হোম ডেলিভারির জন্য ব্যবহৃত ই-কমার্স ব্যবস্থা
K. পেট্রোল পাম্প, এলপিজি গ্যাসের দোকান, জ্বালানি তেল সংস্থা, সংস্থাগুলির গুদাম এবং পরিবহণ ব্যবস্থা
L. ওষুধের দোকান, চশমার দোকান, ওষুধ উৎপাদন ও পরিবহণ
M. সংবাদমাধ্যম
N. অত্যাবশ্যক পণ্যের উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত কলকারখানা
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে শুধুমাত্র আম্তর্জাতিক উড়ান আর যাত্রিবাহী ট্রেন বন্ধের সিদ্ভান্ত কেন?
ডোমেস্টিক ফ্লাইট কেন এখনও চালানো হচ্ছে অবিলম্বে বন্ধ হোক ডোমেস্টিক উড়ান৷ উল্লেখ্য, বিজ্ঞপ্তি জারি করে ভারতীয় রেল জানিয়েছে, "করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ায় সমস্ত মেল, এক্সপ্রেস ও প্যাসেঞ্জার ট্রেন বাতিল করা হল। তবে কলকাতা ও শহরতলিতে এখনও লোকাল ট্রেন চলছে। পাশাপাশি কলকাতা মেট্রো ও ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোও চলছে। আজ মধ্যরাত পর্যন্ত চলার পর সেগুলিও বন্ধ করে দেওয়া হবে। পরিষেবা বন্ধ থাকবে আগামী ৩১ মার্চ মধ্যরাত পর্যন্ত।" অন্যদিকে সূত্র জানাচ্ছে দেশের ৭৫টি জেলা-শহর লক ডাউন হতে পারে যার মধ্যে রয়েছে কলকাতাও।
এক নজরে দেখে নিন, কী কী সম্পূর্ণ বন্ধ থাকছে সাড়ে চার দিনের এই লকডাউনে:
A. বাস, অটো, ট্যাক্সি-সহ গোটা গণপরিবহণ ব্যবস্থা বন্ধ। ট্রেনও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সোমবার রাত থেকেই।
B. দোকানপাট, সব ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, অফিস-কাছারি, কারখানা, গুদাম বন্ধ।
C. বিদেশ থেকে ফিরেছেন এমন ব্যক্তিরা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের দ্বারা নির্দেশিত ব্যক্তিরা স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত বাধ্যতামূলক ভাবে ঘরে থাকবেন।
D. খুব জরুরি প্রয়োজন না পড়লে অন্যদেরও অর্থাৎ প্রত্যেককে ঘরে থাকতে বলা হচ্ছে সামাজিক দূরত্ব বহাল রাখার জন্য।
কোন কোন বিষয় ছাড় পাচ্ছে লকডাউনের আওতা থেকে, তা-ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের বিবৃতিতে। লকডাউনের বাইরে কী কী থাকছে? দেখে নিন:
A. হাসপাতাল ও অন্যান্য আপৎকালীন কাজের জন্য ব্যবহৃত যাত্রিবাহী গাড়ি ও মালবাহী গাড়ি
B. আইন-শৃঙ্খলা, আদালত ও সংশোধনাগার বিভাগ
C. স্বাস্থ্য পরিষেবা
D. পুলিশ, সশস্ত্র বাহিনী, আধাসেনা
E. বিদ্যুৎ, পানীয় জল সরবরাহ এবং জঞ্জাল অপসারণ পরিষেবা
F. দমকল, অসামরিক প্রতিরক্ষা এবং আপৎকালীন পরিষেবা
G. টেলিকম, ইন্টারনেট ও তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্র
H. ব্যাঙ্ক ও এটিএম
I. খাবার, মুদিখানা, সবজি, ফল, মাংস, মাছ, পাউরুটি এবং দুধের বিক্রয়, মজুত এবং পরিবহণ ব্যবস্থা
J. মুদিখানার সামগ্রী এবং খাবারের হোম ডেলিভারির জন্য ব্যবহৃত ই-কমার্স ব্যবস্থা
K. পেট্রোল পাম্প, এলপিজি গ্যাসের দোকান, জ্বালানি তেল সংস্থা, সংস্থাগুলির গুদাম এবং পরিবহণ ব্যবস্থা
L. ওষুধের দোকান, চশমার দোকান, ওষুধ উৎপাদন ও পরিবহণ
M. সংবাদমাধ্যম
N. অত্যাবশ্যক পণ্যের উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত কলকারখানা

No comments