লকডাউন এফেক্ট; সোমবার থেকে সরকারি-বেসরকারি কর্মীদের বাড়িতে থাকার পরামর্শ
নজরবন্দি ব্যুরো: দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৪৩, যার মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৩১৪ জন। মারা গিয়েছেন ৬ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬ জন। অন্যদিকে, আজ মধ্যরাত থেকে দেশ জুড়ে বন্ধ হচ্ছে সমস্ত রকম যাত্রীবাহী ট্রেন এবং মেট্রোরেল। রেলমন্ত্রক মেল, এক্সপ্রেস, প্যাসেঞ্জার, লোকাল-সহ সমস্ত রকম ট্রেন পরিষেবা বন্ধ থাকবে। আজ মধ্যরাতের পর থেকে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কলকাতার মেট্রো পরিষেবাও। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে শুধুমাত্র আম্তর্জাতিক উড়ান আর যাত্রিবাহী ট্রেন বন্ধের সিদ্ভান্ত কেন?
ডোমেস্টিক ফ্লাইট কেন এখনও চালানো হচ্ছে অবিলম্বে বন্ধ হোক ডোমেস্টিক উড়ান৷ উল্লেখ্য, বিজ্ঞপ্তি জারি করে ভারতীয় রেল জানিয়েছে, "করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ায় সমস্ত মেল, এক্সপ্রেস ও প্যাসেঞ্জার ট্রেন বাতিল করা হল। তবে কলকাতা ও শহরতলিতে এখনও লোকাল ট্রেন চলছে। পাশাপাশি কলকাতা মেট্রো ও ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোও চলছে। আজ মধ্যরাত পর্যন্ত চলার পর সেগুলিও বন্ধ করে দেওয়া হবে। পরিষেবা বন্ধ থাকবে আগামী ৩১ মার্চ মধ্যরাত পর্যন্ত।" অন্যদিকে সূত্র জানাচ্ছে দেশের ৭৫টি জেলা-শহর লক ডাউন হতে পারে যার মধ্যে রয়েছে কলকাতাও। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের সুপারিশ এসে পৌঁছেছে নবান্নে। কিছুক্ষন পরেই কলকাতা সহ রাজ্যের সমস্ত পৌরশহর কে লকডাউন করার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে চলেছে। নবান্ন সূত্রের খবর, সোমবার বিকেল থেকেই আপৎকালীন পরিষেবা বাদ দিয়ে বাকি সব কিছু বন্ধ হয়ে যেতে পারে রাজ্যের পুর শহরগুলিতে।
সম্পূর্ণ এলাকা লকডাউন হচ্ছে রাজ্যের সাতটি জেলা। সেই তালিকায় রয়েছে উত্তরবঙ্গের দুই জেলা উত্তর দিনাজপুর, ও মালদহ। দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে রয়েছে কলকাতা ও হাওড়া-সহ মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও পশ্চিম বর্ধমান জেলা। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, কলকাতা ও হাওড়ার ক্ষেত্রে অন্য রাজ্যের বাসিন্দাদের উপস্থিতি এবং বিদেশ ফেরতদের সংখ্যাধিক্যের কথা মাথায় রেখে পুরো জেলা লকডাউনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। অন্যান্য জেলাগুলির ক্ষেত্রে ভিন রাজ্যের সীমানা এবং আন্তর্জাতিক সীমান্তের বিষয়টি মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সম্পূর্ণ জেলার ক্ষেত্রে আলাদা করে উল্লেখ না করা হলেও বাকি জেলাগুলির সব জেলা সদর শহরে লকডাউন করা হচ্ছে। এ ছাড়া আলিপুরদুয়ারের জয়গাঁ, দার্জিলিংয়ের শিলিগুড়ি ও কার্শিয়াং শহর, বীরভূমের সমস্ত পুর শহর, পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া ও কালনা, বাঁকুড়ার বড়জোড়া ও বিষ্ণুপুর, পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুর ও ঘাটাল, পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া, দিঘা, কোলাঘাট ও কাঁথি, হুগলির চন্দননগর, কোন্নগর, আরামবাগ, শ্রীরামপুর ও উত্তরপাড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার, ক্যানিং, সোনারপুর, ভাঙড়, বজবজ ও মহেশতলা, উত্তর ২৪ পরগনার নিউটাউন ও সল্টলেক ছাড়াও সমস্ত পুরসভা এলাকা।
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করে দিয়েছিলেন যে সোমবার থেকে অর্ধেক সংখ্যক রাজ্য সরকারি কর্মী, অফিসার কাজে আসবেন। দফতরের বড়বাবু ঠিক করে দেবেন, সপ্তাহের কোন দিন কে অফিসে আসবেন। কিন্তু এই লকডাউন ঘোষণার পরে তো সব সরকারি ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকছে। তাই এই পরিস্থিতিতে কর্মচারীদের বাড়িতে থাকারই পরামর্শ দিয়েছে নবান্ন।
ডোমেস্টিক ফ্লাইট কেন এখনও চালানো হচ্ছে অবিলম্বে বন্ধ হোক ডোমেস্টিক উড়ান৷ উল্লেখ্য, বিজ্ঞপ্তি জারি করে ভারতীয় রেল জানিয়েছে, "করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ায় সমস্ত মেল, এক্সপ্রেস ও প্যাসেঞ্জার ট্রেন বাতিল করা হল। তবে কলকাতা ও শহরতলিতে এখনও লোকাল ট্রেন চলছে। পাশাপাশি কলকাতা মেট্রো ও ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোও চলছে। আজ মধ্যরাত পর্যন্ত চলার পর সেগুলিও বন্ধ করে দেওয়া হবে। পরিষেবা বন্ধ থাকবে আগামী ৩১ মার্চ মধ্যরাত পর্যন্ত।" অন্যদিকে সূত্র জানাচ্ছে দেশের ৭৫টি জেলা-শহর লক ডাউন হতে পারে যার মধ্যে রয়েছে কলকাতাও। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের সুপারিশ এসে পৌঁছেছে নবান্নে। কিছুক্ষন পরেই কলকাতা সহ রাজ্যের সমস্ত পৌরশহর কে লকডাউন করার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে চলেছে। নবান্ন সূত্রের খবর, সোমবার বিকেল থেকেই আপৎকালীন পরিষেবা বাদ দিয়ে বাকি সব কিছু বন্ধ হয়ে যেতে পারে রাজ্যের পুর শহরগুলিতে।
সম্পূর্ণ জেলার ক্ষেত্রে আলাদা করে উল্লেখ না করা হলেও বাকি জেলাগুলির সব জেলা সদর শহরে লকডাউন করা হচ্ছে। এ ছাড়া আলিপুরদুয়ারের জয়গাঁ, দার্জিলিংয়ের শিলিগুড়ি ও কার্শিয়াং শহর, বীরভূমের সমস্ত পুর শহর, পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া ও কালনা, বাঁকুড়ার বড়জোড়া ও বিষ্ণুপুর, পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুর ও ঘাটাল, পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া, দিঘা, কোলাঘাট ও কাঁথি, হুগলির চন্দননগর, কোন্নগর, আরামবাগ, শ্রীরামপুর ও উত্তরপাড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার, ক্যানিং, সোনারপুর, ভাঙড়, বজবজ ও মহেশতলা, উত্তর ২৪ পরগনার নিউটাউন ও সল্টলেক ছাড়াও সমস্ত পুরসভা এলাকা।
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করে দিয়েছিলেন যে সোমবার থেকে অর্ধেক সংখ্যক রাজ্য সরকারি কর্মী, অফিসার কাজে আসবেন। দফতরের বড়বাবু ঠিক করে দেবেন, সপ্তাহের কোন দিন কে অফিসে আসবেন। কিন্তু এই লকডাউন ঘোষণার পরে তো সব সরকারি ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকছে। তাই এই পরিস্থিতিতে কর্মচারীদের বাড়িতে থাকারই পরামর্শ দিয়েছে নবান্ন।

No comments