Header Ads

সামিদার মৃত্যুতে দমেনি পার্ক সার্কাসের আন্দোলন

নজরবন্দি ব্যুরো :পার্ক সার্কাসে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন অর্থাৎ সিএএ বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়েই মৃত্যু তাঁর। তিনি আনন্দ পালিত রোডের বাসিন্দা সামিদা খাতুন বয়স ৫৭। অনেকদিন ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন। তবুও মেয়ের সঙ্গে যেতেন পার্ক সার্কাসে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের স্থানে। অসুস্থতা হয় সত্বেও কেন যান এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলতেন ওখানে গেলে আমি শান্তি পাই। আর আমি নামে করি সকলে মাইল প্রতিবাদ করা উচিত। আর সেই প্রতিবাদ স্থানেই তিনি চিরকালের মত শান্তি পেলেন । প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে অসুস্থতার কারণেই মৃত্যু হয়েছে সামিদার। তবে আন্দোলনকারী দাবী করছেন, আন্দোলনে শহীদ হলেন সামিদা।

 তাঁকে রবিবার রাজাবাজারের মুন্সিবাজারের কবরস্থানে কবর দেওয়া হয়।আনন্দ পালিত রোডে একটা ছোট্ট ঘরে স্বামী ছেলে মেয়ে নিয়ে থাকতেন সামিদা। আর্থিক বা সচ্ছল নয় তা তাঁরা সেটা তাদের ঘর দেখলেই স্পষ্ট বোঝা যায়। সাহিদার এক ছেলে বলেন, মায়ের হাই প্রেশার আর ভখুব সুগার ছিল। এছাড়া হার্টের কিছু সমস্যা ও ছিল। কিন্তু তবুও মা এই অসুস্থ শরীর নিয়েই রোজ পার্ক সার্কাসের প্রতিবাদের মঞ্চে যেতেন। আসলে নাগরিকত্ব আইয়ুন নিয়ে মা একটু ভয় পেয়ে গেছিলেন। তাই মা খালি বলতেন ওখানে গেলে অনেকটা শান্তি পাই। নিয়ক করে শনিবার সামিদা তাঁর মেয়ে জেবার সঙ্গে পার্ক সার্কাসের ময়দানা গিয়েছিলেন। তাঁর মেয়ে জেবা বলেন, রাত বারোটা নাগাদ মায়ের আচমকা খুব শরীর খারাপ করে। মা বলতে থাকে যে তাঁর শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। ওখানেই অজ্ঞান হয়ে যান সামিদা। দ্রুত সামিদা কে নিয়ে যাওয়া হয় চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে।
 সেখানেই জানা যায় সামিদা আর নেই। সামিদার মৃত্যুতে ওই দিন পার্ক সার্কাস ময়দানের আন্দোলনকারীরা কালো ব্যাজ পরেছিলেন।এছাড়া সন্ধ্যা বেলাতে ওই স্থানেতে মোমবাতি জ্বালিয়ে দু মিনিট নিরাবতা পালন করা হয়।সামিদার মৃত্যু নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, মৃত্যু মানেই দুঃখজনক ব্যাপার প্রতিবাদ করতে গিয়ে মৃত্যু সেটাও দুঃখজনক। তবে এই মৃত্যুতে কি সরকারের ঘুম ভাঙবে? এ রকম অমানবিক সরকার এর আগে দেখা যায়নি।সামিদার মৃত্যুতে দমেনি পার্ক সার্কাসের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন অৎ সিএএ বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।

No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.