জামিয়ার বন্দুকবাজকে দেশপ্রেমিকের সম্মান জানাবে হিন্দু মহাসভা
নজরবন্দি ব্যুরোঃ দিল্লির জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি চালানোর ঘটনায় বন্দুকবাজকেই দেশপ্রেমিক আখ্যা দিয়ে সম্মান জানাতে চলল হিন্দু মহাসভা। হিন্দু সবার পক্ষ থেকে অশোক পান্ডে জানিয়েছেন " এই ছেলে(অভিযুক্ত) দেশের গর্ব।
নাথুরাম গডসের মতই দেশপ্রেমিক সে। জেএনইউ, জামিয়া মিলিয়া, শাহীনবাগ সহ দেশের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশ বিরোধী কার্যকলাপ চলছে। দেশদ্রোহীদের নিকাশ করার চেষ্টাই ওই যুবককে দেশপ্রেমিক করে তুলেছে।" বৃহস্পতিবার জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর তিরোধান দিবসে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য তৈরি হচ্ছিলেন জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা।
সেই সময়ই বন্দুকবাজ ঐ যুবক একটি ট্রাউজার ও জ্যাকেট পরিধান করে বেপরোয়াভাবে হাতে পিস্তল নিয়ে ঢুকে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মধ্যে। পুলিশের সামনেই প্রতিবাদী পড়ুয়াদের দিকে বন্দুক তাক করে অশালীন মন্তব্য করতে থাকে।
এরপর 'এ লো আজাদী' বলে পড়ুয়াদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকে ওই যুবক। গুলিবিদ্ধ হন এক পড়ুয়া। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় এইমস হাসপাতালে। এইমসের ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসা চলছে তাঁর। বন্দুকবাজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার আগে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভ করে। শুধু তাই নয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে রীতিমত হুমকি দিয়ে একাধিক পোস্ট করেছিল ওই যুবক।
এরপর ঘটনার দিন পুলিশের সামনেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এই ঘটনায় ভারতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা নিন্দায় সরব হলেও ভারত মহাসভা কিন্তু দেশপ্রেমিক এর মর্যাদা দিতে চাইছে ওই যুবককে। এমনকি তার আইনি খরচও হিন্দু মহাসভা বহন করছে বলে সূত্রের খবর। ঘটনার পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে পড়ুয়াদের নিরাপত্তায় সরকারের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেশের বুদ্ধিজীবীরা।
নাথুরাম গডসের মতই দেশপ্রেমিক সে। জেএনইউ, জামিয়া মিলিয়া, শাহীনবাগ সহ দেশের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশ বিরোধী কার্যকলাপ চলছে। দেশদ্রোহীদের নিকাশ করার চেষ্টাই ওই যুবককে দেশপ্রেমিক করে তুলেছে।" বৃহস্পতিবার জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর তিরোধান দিবসে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য তৈরি হচ্ছিলেন জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা।
এরপর 'এ লো আজাদী' বলে পড়ুয়াদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকে ওই যুবক। গুলিবিদ্ধ হন এক পড়ুয়া। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় এইমস হাসপাতালে। এইমসের ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসা চলছে তাঁর। বন্দুকবাজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার আগে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভ করে। শুধু তাই নয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে রীতিমত হুমকি দিয়ে একাধিক পোস্ট করেছিল ওই যুবক।

No comments