Header Ads

কাশ্মীরী পন্ডিতদের ঘর ছাড়ার গল্প, প্রতিক্রিয়া আডবাণী ও আমিরের

নজরবন্দি ব্যুরো : বিধুবিনোদ চোপড়ার সদ্য মুক্তিপ্রান্ত ছবি শিকারা এই সময়ে দাঁড়িয়ে আক্রমন ও প্রশংসা উভয় পাচ্ছে। এই ছবি ৭ ই ফেব্রুয়ারি মুক্তি এই ছবি নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে কখনও প্রশংসা পেয়েছে আবার কখনও আক্রমনের মুখে পড়তে হয়েছে এই ছবিটি কে। পরিন্দা’, ‘১৯৪২: এ লভ স্টোরি’, ‘লগে রহো মুন্নাভাই’, ‘মুন্নাভাই এমবিবিএস’,‘থ্রি ইডিয়টস’-পিকে এর মত সফল ছবি বিধুবিনোদ আমাদের উপহার দিয়েছেন।

এই ছবি কাশ্মীর পন্ডিতদের জীবন নিয়ে তৈরী ছবি এই ছবিতে দেখান হয়েছে নয়ের দশকের গোড়ায় কাশ্মীরের উপত্যকায় হিন্দু পণ্ডিত সম্প্রদায়ের বসবাসের পক্ষে যে বিপদজনক পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, সেটা-ই তুলে ধরা হয়েছে ছবির গল্পে। ১৯৯০ সালেরও কিছু আগে কাশ্মীরি পণ্ডিতদেরই উপত্যাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়।এটাই মুখ্য গল্পে দেখান হয়েছে। শিকারা ছবি দেখে প্রদর্শনীতে কেঁদে ফেললেন লৌহপুরুষ লালকৃষ্ণ আডবাণী। লালকৃষ্ণ আডবাণর এই ছবি দেখে এইরূপ আবেগপ্রবন হয়ে যাওয়ার ভিডিয়ো স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন খোদ পরিচালক। ছবিটি প্রদর্শনীতে শেষ হওয়ার পর পরিচালক নিজেই ছুটে যান লালকৃষ্ণ আডবাণী কাছে। ইতিমধ্যে আডবাণীর চোখ ছলছল করছে। কোন রকমে কান্না চেপে বসে আছে। ঠিক সেই সময়ে পরিচালক তাঁর হাত চেপে ধরলেন। লালকৃষ্ণ আডবাণীর পরিচালককে প্রশংসা ও আশীর্বাদ ও দিয়েছেন।
পরিচালক বিধু বিনোদ চোপড়ার বলেছেন 'এই প্রশংসা ও আশীর্বাদ পেয়ে আমি ধন্য 'এছাড়া টুইটারে আমির খান এই ছবি নিয়ে লিখেছেন 'আমাদের অতীতের করুণতম ঘটনাগুলির মধ্যে একটির উপর নির্ভর করে তৈরি হয়েছে ‘শিকারা’। এটা এমন একটি ছবি, যা বলা প্রয়োজন।’এছাড়া তিনি পরিচালক অভিনন্দ ও শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন।পরিচালক বিধুবিনোদ চোপড়া ১৯৫২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন শ্রীনগরে।এই ছবির চিত্রনাট্যকার হলেন অভিজাত জোশী এবং রাহুল পণ্ডিতা দু’জনেই কাশ্মীরি পণ্ডিতদের বংশধর। এই ছবি নিয়ে আডবাণীর প্রতিক্রিয়া দেখতে হলে নিচের লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন।
https://www.instagram.com/vidhuvinodchoprafilms/?utm_source=ig_embed

No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.