মহামারীর আকার নিল করোনা ভাইরাস; আক্রান্ত ৩৭ হাজার, মৃত ৮১১!
নজরবন্দি ব্যুরোঃ চীনে কার্যত মহামারীর আকার নিল করোনা ভাইরাস। ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ্যা দাড়িয়েছে ৮১১ জন। ভাইরাসের প্রকপে সংক্রামিত আরও ৩৭ হাজার মানুষ।
সবথেকে বেশি ভাবে এই ভাইরাস থাবা বসিয়েছে চীনের হুবেই প্রদেশে, সেখানেই গতকাল মারা গিয়েছেন ৮৯ জন। এছাড়াও হেনান শহরে মারা গেছেন দুজন।
অন্যদিকে চীনের চিকিৎসক এবং গবেষকরা ক্রমাগত লড়াই করে চলেছেন ভাইরাসটির সাথে। গতকাল প্রায় ৬০০ জন কে চিকিৎসা করে সুস্থ অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩২৪ জন হুবেই প্রদেশের বাসিন্দা।
বিশ্ব স্বাস্থ সংস্থার প্রধান জানিয়েছেন WHO-র নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল আগামিকাল বা পরশু রওনা দেবে চীনের উদ্দেশ্যে।
কিন্তু কি এই ভাইরাস?
এই ভাইরাস সরাসরি আক্রমণ করে ফুসফুসে। অনেকটা ঠান্ডা লাগার মতো। ধিরে ধিরে শুরু হয় শ্বাস কষ্ট। এবং এই শ্বাসকষ্ট এমন দ্রুত গতিতে বাড়তে থাকে যা মৃত্যুর কারন হয়ে দাঁড়ায়।
এই ভাইরাস আক্রমনের লক্ষন কি কি?
এই ভাইরাস আক্রমণের লক্ষন গুলি হল, মাথা ব্যাথা-সর্দি কাশি-নাক দিয়ে জল পড়া-গলা ব্যাথা-শ্বাস কষ্ট-জ্বর।
এই ভাইরাস কতটা ছোঁয়াচে?
স্বাস্থ সংস্থা জানাচ্ছে এই ভাইরাস বেশ ছোঁয়াচে, সাধারণ করমর্দন থেকেও ছড়াতে পারে এই ভাইরাস। ভাইরাস আক্রান্তের সাথে কোনরকম শারীরিক ঘনিষ্ঠতা থেকেও ছরাতে পারে ভাইরাস। পাশাপাশি আক্রান্তের ব্যাবহৃত যে কোন জিনিস থেকেই হতে পারে সংক্রমণ।
কিভাবে এড়াবেন এই ভাইরাসের আক্রমণ?
বিশ্ব স্বাস্থ সংস্থা বলছে, সাধারণ কিছু নিয়ম সঠিক ভাবে পালন করলেই এড়ান যাবে এই ভাইরাসের আক্রমন। ডিম-মাছ-মাংশ ভাল করে রান্না করে তবেই খান। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর তকাছে গেলে নাক মুখ মাস্ক দিয়ে ঢেকে রাখুন। হাঁচি বা কাশি হলে নাক মুখ ঢেকে রাখুন। খাওয়ার আগে অবশ্যই হাত মুখ পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন।
সবথেকে বেশি ভাবে এই ভাইরাস থাবা বসিয়েছে চীনের হুবেই প্রদেশে, সেখানেই গতকাল মারা গিয়েছেন ৮৯ জন। এছাড়াও হেনান শহরে মারা গেছেন দুজন।
অন্যদিকে চীনের চিকিৎসক এবং গবেষকরা ক্রমাগত লড়াই করে চলেছেন ভাইরাসটির সাথে। গতকাল প্রায় ৬০০ জন কে চিকিৎসা করে সুস্থ অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩২৪ জন হুবেই প্রদেশের বাসিন্দা।
বিশ্ব স্বাস্থ সংস্থার প্রধান জানিয়েছেন WHO-র নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল আগামিকাল বা পরশু রওনা দেবে চীনের উদ্দেশ্যে।
এই ভাইরাস সরাসরি আক্রমণ করে ফুসফুসে। অনেকটা ঠান্ডা লাগার মতো। ধিরে ধিরে শুরু হয় শ্বাস কষ্ট। এবং এই শ্বাসকষ্ট এমন দ্রুত গতিতে বাড়তে থাকে যা মৃত্যুর কারন হয়ে দাঁড়ায়।
এই ভাইরাস আক্রমণের লক্ষন গুলি হল, মাথা ব্যাথা-সর্দি কাশি-নাক দিয়ে জল পড়া-গলা ব্যাথা-শ্বাস কষ্ট-জ্বর।
এই ভাইরাস কতটা ছোঁয়াচে?
স্বাস্থ সংস্থা জানাচ্ছে এই ভাইরাস বেশ ছোঁয়াচে, সাধারণ করমর্দন থেকেও ছড়াতে পারে এই ভাইরাস। ভাইরাস আক্রান্তের সাথে কোনরকম শারীরিক ঘনিষ্ঠতা থেকেও ছরাতে পারে ভাইরাস। পাশাপাশি আক্রান্তের ব্যাবহৃত যে কোন জিনিস থেকেই হতে পারে সংক্রমণ।
কিভাবে এড়াবেন এই ভাইরাসের আক্রমণ?
বিশ্ব স্বাস্থ সংস্থা বলছে, সাধারণ কিছু নিয়ম সঠিক ভাবে পালন করলেই এড়ান যাবে এই ভাইরাসের আক্রমন। ডিম-মাছ-মাংশ ভাল করে রান্না করে তবেই খান। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর তকাছে গেলে নাক মুখ মাস্ক দিয়ে ঢেকে রাখুন। হাঁচি বা কাশি হলে নাক মুখ ঢেকে রাখুন। খাওয়ার আগে অবশ্যই হাত মুখ পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন।

No comments