গেরুয়া শিবিরে বাড়ছে সংখ্যালঘু সদস্য, অস্বস্তিতে তৃণমূল
নজরবন্দি ব্যুরোঃ সংশোধীত নাগরিকত্ব আইন পাশ হওয়ার পরে রাজনৈতীক মহলের ধারণা ছিল বিজেপির খাতা থেকে কমবে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোট। এই আইনের বিরোধিতায় সবর হয়েছে গোটা দেশের মানুষ। ইন্দোরের ৮০ জন বিজেপির সংখ্যালঘু নেতা পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু বাংলায় এই আইনের কোন প্রভাব পরেনি বিজেপির ভোট ব্যাঙ্কের উপরে।
বিজেপির খাতা থেকে সংখ্যলঘুদের ভোট তো কমেইনি বরং বেড়ে গেছে। সংখ্যালঘু সেলের সদস্য বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এটি চিন্তার বিষয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবী, ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করেও বিজেপির সংখ্যালঘু সেল অক্ষত রয়েছে এটা দলের বড় সাফল্য। আলি হোসেন জানিয়েছেন, রাজ্য বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সদস্য সংখ্যা ২০১৮-য় ছিল মাত্র ২২ হাজার ।
কিন্তু এখন সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় চার লক্ষে। মুসলিমদের উপরে কোন প্রভাব পরেনি সিএএ আইনের । বিজেপির পাল্লাই ভারি বলে ধারণা রাজনৈতীক মহলের। মমতা ব্যনার্জির জন্য এটা চিন্তার বিষয়। অন্যান্য রাজ্যে সংখ্য লঘু সেলে ভাঙ্গন ধরলেও পশ্চিমবঙ্গে শক্ত হয়েছে বিজেপির সংখ্য সেল। সামনেই পুরভোট, তার পরে আছে ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচন। ভোটের প্রচারের নেমেছে দল্গুলি। সিএএ-এর পক্ষে-বিপক্ষে চলছে ডোর টু ডোর ক্যাম্পেন। এই ক্যাম্পেন আরও জরাল করা হবে বলে দাবী বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার।
বিজেপির খাতা থেকে সংখ্যলঘুদের ভোট তো কমেইনি বরং বেড়ে গেছে। সংখ্যালঘু সেলের সদস্য বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এটি চিন্তার বিষয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবী, ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করেও বিজেপির সংখ্যালঘু সেল অক্ষত রয়েছে এটা দলের বড় সাফল্য। আলি হোসেন জানিয়েছেন, রাজ্য বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সদস্য সংখ্যা ২০১৮-য় ছিল মাত্র ২২ হাজার ।

No comments