করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক এবার ডায়মণ্ড হারবারে, সতর্ক মেডিক্যাল কলেজ
নজরবন্দি ব্যুরোঃ চিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে হুহু করে। এক সপ্তাহের মধ্যে চিনের উহান প্রদেশ কার্যত শ্মশানের চেহারা নিয়েছে। ভারতেও তিন জনের দেহে নভেল করোনা ভাইরাস মিলেছে। গোটা দেশেই ছড়িয়ে পড়ছে করোনার আতঙ্ক। ইতিমধ্যেই দেশ জুড়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। করোনার জীবাণু মিলতে পারে এই আশঙ্কায় আমাদের রাজ্যে ৭ জনকে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তবে ইতিমধ্যেই তিন জনের রক্তের নমুনা পাঠানো হয়েছিল পরীক্ষাগারে। কিন্তু তিন জনের দেহে করোনা না মেলায় তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকি চার জনের রক্তের নমুনা পাঠানো হয়েছে পরীক্ষার জন্য। আপতত তাঁদেরকে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণের মধ্যে রাখা হয়েছে। শুধু কলকাতা নয় করোনার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে জেলা গুলিতে। তবে স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে জেলায় জেলায় করোনা নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে। একাধিক হাসপাতালে খোলা হয়েছে আইসোলেশন সেন্টার।
এবার করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মণ্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের ওল্ড বিল্ডিংয়ে খোলা করোনার জন্য বিশেষ একটি ওয়ার্ড। তৈরি হয়েছে আইসোলেশন সেন্টার। যে কোন রোগী করোনা নিয়ে ভর্তি হলে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসা শুরু হবে এই হাসপাতালে। পর্যাপ্ত ওষুধ থেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রায় সবকিছুই হাসপাতালে মজুত রয়েছে। ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপ্যাল রমাপ্রসাদ রায়ের নেতৃত্বে চার জন চিকিৎসকের একটি টিম করোনা ওয়ার্ডের দায়িত্বে রয়েছেন। যে কোন পরিস্থিতিতেই করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকরা। করোনা নিয়ে একটি সেমিনার ও সচেতনতা শিবির আয়োজন করা হচ্ছে।
এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যেও সচতনতার কাজ চলছে। তবে এখনও পর্যন্ত এই এলাকার কেউই করোনায় আক্রান্ত হন নি বলে মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে খবর। এই এলাকার অনেক তরুণ-তরুণীই দেশের বাইরে রয়েছেন। করোনার জেরে আতঙ্কিত তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত ফোনে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। এলাকার বাসিন্দাদের অযথা আতঙ্কিত হতে বারন করেছে ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজ।
এবার করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মণ্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের ওল্ড বিল্ডিংয়ে খোলা করোনার জন্য বিশেষ একটি ওয়ার্ড। তৈরি হয়েছে আইসোলেশন সেন্টার। যে কোন রোগী করোনা নিয়ে ভর্তি হলে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসা শুরু হবে এই হাসপাতালে। পর্যাপ্ত ওষুধ থেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রায় সবকিছুই হাসপাতালে মজুত রয়েছে। ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপ্যাল রমাপ্রসাদ রায়ের নেতৃত্বে চার জন চিকিৎসকের একটি টিম করোনা ওয়ার্ডের দায়িত্বে রয়েছেন। যে কোন পরিস্থিতিতেই করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকরা। করোনা নিয়ে একটি সেমিনার ও সচেতনতা শিবির আয়োজন করা হচ্ছে।

No comments