আইনের ফাঁক গলিয়ে পিছিয়ে যেতে পারে নির্ভয়া কাণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত দুষ্কৃতীদের ফাঁসি
নজরবন্দি ব্যুরোঃ অপরাধীদের সামনে ফাঁসি এড়ানোর সব রাস্তাই বন্ধ। তবুও এক অপরাধী ফাঁসি এড়াতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল। ফলে অপরাধীদের ১ ফেব্রুয়ারি ফাঁসি হওয়ার সম্ভবনা আরও কমল। নির্ভয়া কাণ্ডের অপরাধী মুকেশ সিংয়ের প্রাণভিক্ষার আর্জি রাষ্ট্রপতি আগেই খারিজ করে দেয়। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আর ভানুমতীর বেঞ্চ তাও খারিচ করে দিয়েছে। রাষ্ট্রপতি ও শীর্ষ আদালত মুকেশের আর্জি দ্রুত বিবেচনা না করেই খারিচ করেছেন এ কথা বলা যায় না।
রাষ্ট্রপতি সব দিকই খতিয়ে দেখেনি বলে অভিযোগ। তিনি আগেই মনঃস্থির করে রেখেছিলেন এই চার অপরাধীর ফাঁসি খারিজ হবে না। তাই মুকেশের প্রান বাঁচানোর আর কোন পথই খোলা রইল না। কিন্তু এইবার অক্ষয় কুমার সিং সুপ্রিম কোর্টে ফাঁসির সাজা সংশোধনের আর্জি করেছিলেন। বৃহস্পতিবার তার আর্জির শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এনভি রমন্নার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চে।
অক্ষয় প্রাণভিক্ষার আবেদন জানানোর জন্য ৭ দিন সময় পাবে। যদি আবেদন খারিজ হয় তাহলে ১৪ দিনের মধ্যে ফাঁসি দেওয়া যাবে না। খাতায় কলমে এখনও ১লা ফেব্রুয়ারি ভোর ছটায় ৪ জনের ফাঁসি বহাল থাকলেও আইনজীবীরা জানিয়েছেন ওই দিন ফাঁসি হওয়া কার্যত অসম্ভব। অপরাধী পবন গুপ্তা এখনও প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন নি। নির্ভয়ার পরিবারের আইনজীবী সিমা কুশওয়াহা জানিয়েছেন অপরাধীদের ফাঁসি হবেই। তবে কিছুদিন তা পিছিয়ে যেতে পারে।
বৃহস্পতিবার রায় শোনার জন্য সুপ্রিম কোর্টে হাজির ছিলেন নির্ভয়ার বাবা বদ্রীনাথ সিং। এদিন সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন ‘অপরাধীরা আইনের ফাঁক গুলকে কাজে লাগাচ্ছে।’ গত সপ্তাহে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক শীর্ষ আদালতে দাবি করেছে রাজ্য সরকার ও আদালতগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হোক প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজের ৭ দিনের মধ্যে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করতে হবে। রাষ্ট্রপতিকে যখন প্রাণভিক্ষার আবেদন মঞ্জুর বা খারিজের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে তখন তিনি নিরপেক্ষ ভাবে সব দিক খতিয়ে তবেই সিদ্ধান্ত নেবেন।
রাষ্ট্রপতি সব দিকই খতিয়ে দেখেনি বলে অভিযোগ। তিনি আগেই মনঃস্থির করে রেখেছিলেন এই চার অপরাধীর ফাঁসি খারিজ হবে না। তাই মুকেশের প্রান বাঁচানোর আর কোন পথই খোলা রইল না। কিন্তু এইবার অক্ষয় কুমার সিং সুপ্রিম কোর্টে ফাঁসির সাজা সংশোধনের আর্জি করেছিলেন। বৃহস্পতিবার তার আর্জির শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এনভি রমন্নার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চে।
বৃহস্পতিবার রায় শোনার জন্য সুপ্রিম কোর্টে হাজির ছিলেন নির্ভয়ার বাবা বদ্রীনাথ সিং। এদিন সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন ‘অপরাধীরা আইনের ফাঁক গুলকে কাজে লাগাচ্ছে।’ গত সপ্তাহে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক শীর্ষ আদালতে দাবি করেছে রাজ্য সরকার ও আদালতগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হোক প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজের ৭ দিনের মধ্যে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করতে হবে। রাষ্ট্রপতিকে যখন প্রাণভিক্ষার আবেদন মঞ্জুর বা খারিজের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে তখন তিনি নিরপেক্ষ ভাবে সব দিক খতিয়ে তবেই সিদ্ধান্ত নেবেন।

No comments