একদিকে সিভিক শিক্ষক নিয়োগ অন্যদিকে বন্ধ হওয়ার মুখে ১১৩ টি বিএড কলেজ! #BreakingNews
নজরবন্দি ব্যুরোঃ একদিকে যখন শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়মে পরিবর্তন আনছে রাজ্য সরকার তখনই রাজ্যের ১২টি বিএড কলেজ বন্ধ হচ্ছে! সূত্রের খবর শিক্ষক অপ্রতুলতা এবং পরিকাঠামগত ত্রুটির কারনে এনসিটিই অর্থাৎ ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন রাজ্যের ১২টি বিএড কলেজের অনুমোদন বাতিল করতে চলেছে।অন্যদিকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশন বিভাগ কেও এনসিটিইর ১৭/১ ধারায় নোটিশ ধরানো হয়েছে।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশন বিভাগের তরফে সন্তোষজনক রিপ্লাই না পেলে এনসিটিই বাতিল করতে পারে বিএড পড়ানোর অনুমোদন। পাশাপশি রাজ্যের ১১৩টি কলেজ কে শো কজ নোটিশ ধরানো হয়েছে বলে খবর সূত্রের। এর ফলে রাজ্যের শিক্ষকদের প্রশিক্ষনে প্রশ্নচিহ্ন পড়ে গেল। শিক্ষক পড়ুয়াদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা। অন্যদিকে রাজ্যসরকার ঘোষণা করেছে প্রশিক্ষন বিহীন সিভিক শিক্ষক নিয়োগের। যা নিয়ে ব্যাপক জলঘোলা হচ্ছে বিভিন্ন মহলে।
সিভিক পুলিশের মত সিভিক শিক্ষক! তবে ব্যাপারটা নতুন নয়, বছর খানের আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার উদ্যোগ নিয়েছিল সিভিক শিক্ষক নিয়োগের জন্যে কিন্তু শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক বেনিয়মের অভিযোগ এমন মাথাচাড়া দিয়েছিল এবং একাধিক শিক্ষক সংগঠন সিভিক শিক্ষক নিয়োগের বিরুদ্ধে খড়গহস্ত হয়ে ওঠে।
তখনকার মত রাজ্য সরকার ব্যাপারটায় ধামাচাপা দেয়। কিন্তু এখন আবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে সিভিক শিক্ষক নিয়োগের করেছে রাজ্য সরকার। আপাতত পূর্ব মেদিনিপুরে বিজ্ঞপ্তি জারি করে শুরু হয়েছে সিভিক পুলিশের মত সিভিক শিক্ষক নিয়োগের কাজ।
যদিও রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তে একদমই খুশি নয় শিক্ষক সংগঠন WBPTTA।
সংগঠনের রাজ্য সভাপতি পিন্টু পাড়ুই জানিয়েছেন, সিভিক পুলিশের ন্যায় সিভিক ভলেন্টিয়ার শিক্ষক নিয়োগের তীব্র শুধু প্রতিবাদ জানাচ্ছি তা নয়, PTTI,DELED,BED ট্রেনিং প্রাপ্তদের বঞ্চিত করে পার্টি ক্যাডারদের স্কুলে প্রবেশ করিয়ে স্কুল গুলোকে রাজনৈতিক আকরায় পরিনত করার বিরুদ্ধে তীব্রতর ভাবে পথে নামবো প্রয়োজনে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবো। ঠিক এক বছর আগে আজকের দিনে ৩০/০১/১৯ এ বিধান সভায় শিক্ষামন্ত্রী আমাদের মিছিল ডেপুটেশনের বৈঠকে কথা দিয়ে ঘোষনা করেছিলেন সিভিক টিচার নিয়োগ করবেন না। রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকে তৎকালীন মাননীয় রাজ্যপাল মহাশয় হস্তক্ষেপও করেছিলেন।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশন বিভাগের তরফে সন্তোষজনক রিপ্লাই না পেলে এনসিটিই বাতিল করতে পারে বিএড পড়ানোর অনুমোদন। পাশাপশি রাজ্যের ১১৩টি কলেজ কে শো কজ নোটিশ ধরানো হয়েছে বলে খবর সূত্রের। এর ফলে রাজ্যের শিক্ষকদের প্রশিক্ষনে প্রশ্নচিহ্ন পড়ে গেল। শিক্ষক পড়ুয়াদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা। অন্যদিকে রাজ্যসরকার ঘোষণা করেছে প্রশিক্ষন বিহীন সিভিক শিক্ষক নিয়োগের। যা নিয়ে ব্যাপক জলঘোলা হচ্ছে বিভিন্ন মহলে।
সিভিক পুলিশের মত সিভিক শিক্ষক! তবে ব্যাপারটা নতুন নয়, বছর খানের আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার উদ্যোগ নিয়েছিল সিভিক শিক্ষক নিয়োগের জন্যে কিন্তু শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক বেনিয়মের অভিযোগ এমন মাথাচাড়া দিয়েছিল এবং একাধিক শিক্ষক সংগঠন সিভিক শিক্ষক নিয়োগের বিরুদ্ধে খড়গহস্ত হয়ে ওঠে।
সংগঠনের রাজ্য সভাপতি পিন্টু পাড়ুই জানিয়েছেন, সিভিক পুলিশের ন্যায় সিভিক ভলেন্টিয়ার শিক্ষক নিয়োগের তীব্র শুধু প্রতিবাদ জানাচ্ছি তা নয়, PTTI,DELED,BED ট্রেনিং প্রাপ্তদের বঞ্চিত করে পার্টি ক্যাডারদের স্কুলে প্রবেশ করিয়ে স্কুল গুলোকে রাজনৈতিক আকরায় পরিনত করার বিরুদ্ধে তীব্রতর ভাবে পথে নামবো প্রয়োজনে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবো। ঠিক এক বছর আগে আজকের দিনে ৩০/০১/১৯ এ বিধান সভায় শিক্ষামন্ত্রী আমাদের মিছিল ডেপুটেশনের বৈঠকে কথা দিয়ে ঘোষনা করেছিলেন সিভিক টিচার নিয়োগ করবেন না। রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকে তৎকালীন মাননীয় রাজ্যপাল মহাশয় হস্তক্ষেপও করেছিলেন।

No comments