শিক্ষামন্ত্রীর ঘুম ভাঙাতে দিল্লি যাচ্ছেন দিলীপ! শিক্ষকদের কটাক্ষ পার্থর।
নজরবন্দি ব্যুরো: পার্শ্ব শিক্ষকদের চলছে ধর্ণা। শনিবার বিকাশ ভবনে শিক্ষামন্ত্রীর দফতরের বাইরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ গিয়ে বিক্ষোভকারিদের আশ্বস্ত করলেন। নিজের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে দিলীপ ঘোষ বলেছেন,'শিক্ষামন্ত্রী ঘরবন্দি হয়ে আছেন। তাকে দিল্লি যেতে হবে না। শিক্ষামন্ত্রীর ঘুম ভাঙাতে আমি দিল্লিতে বিষয়টি তুলবো। কেন্দ্রের ৬০ শতাংশ টাকায় যাতে কাটমানি নেওয়া না হয়, তার ব্যবস্থা করছি।'
বিক্ষোভরত পার্শ্ব শিক্ষকদের পাশে দাঁড়িয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেছেন,'নিজেদের অধিকার ছিনিয়ে আনার জন্য আদালতে যেতে হচ্ছে। বাংলার গণতন্ত্রের এই অবস্থা। রাজ্যে গণতন্ত্রের মেরুদণ্ড ভেঙে গিয়েছে। বাংলার মানুষ খেতে না পেলেও ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠায়। এটাই বাংলার গর্ব। বর্তমানে শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে রাজ্য সরকার যা করছে তা লজ্জার। ' এখানেই থেমে না থেকে বিজেপি সাংসদ তথা রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন,'সমস্যা থাকতেই পারে। তা বলে শিক্ষকরা যোগ্য সম্মান পাবে না, এটা কাম্য নয়। প্রতিবাদের বদলে পুলিশের লাঠিপেটা খেতে হচ্ছে রাজ্যের শিক্ষকদের। এই অবস্থার পরিবর্তন হওয়ার দরকার। পড়ুয়াদের তৈরি করাই শিক্ষকদের দায়িত্ব। কিন্তু বাংলার শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। সমস্ত স্তরের শিক্ষকেরা আন্দোলনে নেমেছে।'
দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রীর ঘুম ভাঙাতে তিনি শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন। বেতন কমিশন নিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি বলেছেন,'সারাদেশেই সপ্তম বেতন কমিশন চালু হয়েছে। আর রাজ্যে ষষ্ঠ বেতন কমিশন আগামি বছর চালু হওয়ার কথা। আজ রাজ্যে শিক্ষক থেকে শুরু করে চিকিৎসক, আইনজীবী সকলেই আক্রান্ত। সকলকেই পেটানো হচ্ছে। এইসব দেখে মনে হয়, বাংলায় কি গণতন্ত্র আছে? পুলিশ মার খাচ্ছে। শান্তি আছে? শুধু মুখে গণতন্ত্রের বড় বড় ভাষণ। কাজের কাজ কি হচ্ছে সবাই দেখতে পাচ্ছে।' এখানেই থেমে না থেকে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, 'কেন্দ্র যে টাকা দেয়, তাতে শিক্ষকদের বেতন নিয়ে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কিন্তু সেই টাকা মেরে দেওয়া হচ্ছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কিছু লোকের, পার্টির ব্যক্তিগত মুখ্যমন্ত্রী হয়ে গিয়েছেন। প্রতিবাদ করলেই হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী অসহায়, তাকে যা জিজ্ঞাসা করা হয় উল্টোটাই বলেন। শিক্ষক সমস্যা মানবিকভাবে দেখা উচিত। আমরা শিক্ষকদের পাশে রয়েছি। সমস্যার সমাধান না হলে লড়াই চলবে।অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী বেতন বৈষম্যের বিরুদ্ধে অনশন কে কটাক্ষ করে বলেছেন,"আমাদের তো আর রিজার্ভ ব্যাংক নেই৷ আমাদের মানুষের ব্যাংক আছে৷ আমরা যতটুকু পাচ্ছি, ততটুকু দিচ্ছি৷ যতটুকু পারছি, কষ্ট করেও রাজ্যের উন্নয়নে লাগাচ্ছে৷"
বিক্ষোভরত পার্শ্ব শিক্ষকদের পাশে দাঁড়িয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেছেন,'নিজেদের অধিকার ছিনিয়ে আনার জন্য আদালতে যেতে হচ্ছে। বাংলার গণতন্ত্রের এই অবস্থা। রাজ্যে গণতন্ত্রের মেরুদণ্ড ভেঙে গিয়েছে। বাংলার মানুষ খেতে না পেলেও ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠায়। এটাই বাংলার গর্ব। বর্তমানে শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে রাজ্য সরকার যা করছে তা লজ্জার। ' এখানেই থেমে না থেকে বিজেপি সাংসদ তথা রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন,'সমস্যা থাকতেই পারে। তা বলে শিক্ষকরা যোগ্য সম্মান পাবে না, এটা কাম্য নয়। প্রতিবাদের বদলে পুলিশের লাঠিপেটা খেতে হচ্ছে রাজ্যের শিক্ষকদের। এই অবস্থার পরিবর্তন হওয়ার দরকার। পড়ুয়াদের তৈরি করাই শিক্ষকদের দায়িত্ব। কিন্তু বাংলার শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। সমস্ত স্তরের শিক্ষকেরা আন্দোলনে নেমেছে।'

No comments