ফের আটকে যেতে পারে আপার প্রাইমারির নিয়োগ প্রক্রিয়া? পড়ুন
নজরবন্দি ব্যুরো: রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একাধিক অভিযোগ আছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের বিরুদ্ধে। নিয়োগ নিয়ে অস্বচ্ছতার অভিযোগ তুলে আদালতে মামলা দায়ের করেন রাজ্যের হবু শিক্ষকরা।
সেই সংক্রান্ত বহু মামলা এখনও ঝুলে আছে আদালতে। কবে সেই সব মামলার নিষ্পত্তি কবে হবে তা বলা বেশ কঠিন। আর কমিশন বা রাজ্য সরকার যতই নিয়োগ নিয়ে তড়িঘড়ি করুকনা কেন, ওই সব মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষক নিয়োগ করা যে বেশ কঠিন কাজ তা জানেন খোদ কমিশনের চেয়ারম্যান।
শিক্ষক নিয়োগে মোট শূন্যপদের সংখ্যা না জানিয়ে ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় আদালতে সমালোচনার মুখে স্কুল সার্ভিস কমিশন। মোট শূন্যপদের সংখ্যা এবং আরও কিছু বিষয় জানতে স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছে ব্যাখ্যা চাইল বিচারপতি। চলতি মাসের ২৯ তারিখের মধ্যে স্কুল সার্ভিস কমিশনকে এই সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্য।
যদিও নিয়ম অনুসারে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত প্রার্থীদের আগে সুযোগ পাবার কথা। আর সেই কারণে আপার প্রাইমারির নিয়োগের ক্ষেত্রে আদালত ট্রেন্ড অর্থাৎ প্রশিক্ষিত চাকরি প্রার্থীদের আগে ইন্টারভিউতে ডাকার নির্দেশ দিয়েছিল। যদিও সেই নির্দেশকে পাত্তা না দিয়ে বেশকিছু প্রশিক্ষণ-হীন চাকরি-প্রার্থীদের ইন্টারভিউতে সুযোগ দেয় কমিশন। সেই প্রশিক্ষণ-হীনদের নামের তালিকা মামলাকারীরা আদালতে জমা দেন।
এমন অনিয়ম দেখে কমিশনের উপর অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি।
এমনকি চূড়ান্ত শূন্যপদের সংখ্যা ঘোষণা না করেই আপার প্রাইমারিতে নিয়োগের ইন্টারভিউ শুরু হয়। শূন্য পদের সংখ্যা না জানিয়ে কেন ইন্টারভিউ শুরু হল তা জানতে চায় আদালত। এই সমস্ত বিষয়ে আগামী ২৯ জুলাই কমিশনকে হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দিল মৌসুমি ভট্টাচার্যের সিঙ্গেল বেঞ্চ। যদিও কমিশনের আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন,"দু-একটা ভুল কমিশনের হয়ে গিয়েছে। সেটা তারা পরে সংশোধন করে নেবে।" আদালতের এই নির্দেশের পরেই আপার প্রাইমারির নিয়োগ প্রক্রিয়া আবার আইনি জালে জড়িয়ে গেল। এমনটাই মনে করছে হবু শিক্ষকদের একটা বড় অংশ।
সেই সংক্রান্ত বহু মামলা এখনও ঝুলে আছে আদালতে। কবে সেই সব মামলার নিষ্পত্তি কবে হবে তা বলা বেশ কঠিন। আর কমিশন বা রাজ্য সরকার যতই নিয়োগ নিয়ে তড়িঘড়ি করুকনা কেন, ওই সব মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষক নিয়োগ করা যে বেশ কঠিন কাজ তা জানেন খোদ কমিশনের চেয়ারম্যান।
শিক্ষক নিয়োগে মোট শূন্যপদের সংখ্যা না জানিয়ে ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় আদালতে সমালোচনার মুখে স্কুল সার্ভিস কমিশন। মোট শূন্যপদের সংখ্যা এবং আরও কিছু বিষয় জানতে স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছে ব্যাখ্যা চাইল বিচারপতি। চলতি মাসের ২৯ তারিখের মধ্যে স্কুল সার্ভিস কমিশনকে এই সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্য।
যদিও নিয়ম অনুসারে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত প্রার্থীদের আগে সুযোগ পাবার কথা। আর সেই কারণে আপার প্রাইমারির নিয়োগের ক্ষেত্রে আদালত ট্রেন্ড অর্থাৎ প্রশিক্ষিত চাকরি প্রার্থীদের আগে ইন্টারভিউতে ডাকার নির্দেশ দিয়েছিল। যদিও সেই নির্দেশকে পাত্তা না দিয়ে বেশকিছু প্রশিক্ষণ-হীন চাকরি-প্রার্থীদের ইন্টারভিউতে সুযোগ দেয় কমিশন। সেই প্রশিক্ষণ-হীনদের নামের তালিকা মামলাকারীরা আদালতে জমা দেন।
এমনকি চূড়ান্ত শূন্যপদের সংখ্যা ঘোষণা না করেই আপার প্রাইমারিতে নিয়োগের ইন্টারভিউ শুরু হয়। শূন্য পদের সংখ্যা না জানিয়ে কেন ইন্টারভিউ শুরু হল তা জানতে চায় আদালত। এই সমস্ত বিষয়ে আগামী ২৯ জুলাই কমিশনকে হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দিল মৌসুমি ভট্টাচার্যের সিঙ্গেল বেঞ্চ। যদিও কমিশনের আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন,"দু-একটা ভুল কমিশনের হয়ে গিয়েছে। সেটা তারা পরে সংশোধন করে নেবে।" আদালতের এই নির্দেশের পরেই আপার প্রাইমারির নিয়োগ প্রক্রিয়া আবার আইনি জালে জড়িয়ে গেল। এমনটাই মনে করছে হবু শিক্ষকদের একটা বড় অংশ।

No comments