প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকার শূন্য পদের তালিকায় অস্বচ্ছতার অভিযোগ।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রধান শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষিকার শূন্য পদের তালিকায় বেশ কিছু ক্ষেত্রে অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ গত স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) জানুয়ারিতে প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকার শূন্য পদের যে-তালিকা প্রকাশ করেছিল আর সম্প্রতি তারা ওই শূন্য পদের যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে সেই দু'টির মধ্যে বেশ কিছু ক্ষেত্রে গরমিল রয়েছে।এসএসসি-র চেয়ারম্যান সৌমিত্র সরকার অবশ্য দাবি করছেন সব নিয়ম মেনে স্বচ্ছতার সঙ্গেই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষিকা নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকার শূন্য পদ ছিল ২২৪৫টি।
তবে ডাকা হয়েছে ১৮৬৪ জনকে। ‘নানা কারণে শূন্য পদের থেকে কম প্রার্থীকে ডাকা হয়েছে। মামলার জন্য কোনও স্কুলের নাম বাদ গিয়েছে কোনও স্কুলে প্রধান শিক্ষক পরে যোগ দেওয়ায় সেই স্কুলের নাম বাদ গিয়েছে’ বলেন সৌমিত্রবাবু। শিক্ষক সংগঠনগুলি এই যুক্তি মানতে রাজি নয়। কলেজিয়াম অব অ্যাসিস্ট্যান্ট হেডমাস্টার্স অ্যান্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট হেডমিস্ট্রেসেস-এর সম্পাদক সৌদীপ্ত দাস বলেন ‘জানুয়ারির তালিকায় যে-স্কুলের নাম ছিল, চূড়ান্ত তালিকায় সে কেন বাদ গেল, কেন একই ভ্যাকেন্সি কোডে অন্য স্কুলের নাম চলে এল, কেনই বা দু'টি ভ্যাকেন্সি কোডে একই স্কুলের নাম এল? ব্যাখ্যা মিলছে না’।
তবে ডাকা হয়েছে ১৮৬৪ জনকে। ‘নানা কারণে শূন্য পদের থেকে কম প্রার্থীকে ডাকা হয়েছে। মামলার জন্য কোনও স্কুলের নাম বাদ গিয়েছে কোনও স্কুলে প্রধান শিক্ষক পরে যোগ দেওয়ায় সেই স্কুলের নাম বাদ গিয়েছে’ বলেন সৌমিত্রবাবু। শিক্ষক সংগঠনগুলি এই যুক্তি মানতে রাজি নয়। কলেজিয়াম অব অ্যাসিস্ট্যান্ট হেডমাস্টার্স অ্যান্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট হেডমিস্ট্রেসেস-এর সম্পাদক সৌদীপ্ত দাস বলেন ‘জানুয়ারির তালিকায় যে-স্কুলের নাম ছিল, চূড়ান্ত তালিকায় সে কেন বাদ গেল, কেন একই ভ্যাকেন্সি কোডে অন্য স্কুলের নাম চলে এল, কেনই বা দু'টি ভ্যাকেন্সি কোডে একই স্কুলের নাম এল? ব্যাখ্যা মিলছে না’।

No comments