শুভ জন্মদিন দাদা। ভালো থেকো।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ গোটা ভারতবর্ষের কাছে শেষ যে বাঙালিকে নিয়ে গোটা বাংলা গর্ব করতে পারে তিনি সৌরভ গাঙ্গুলি।১৯৭২ সালের ৮ জুলাই বেহালায় জন্মগ্রহণ করেন সৌরভ। বাবা চণ্ডীদাস গাঙ্গুলি ও মা নিরুপা গাঙ্গুলি। সৌরভ তাঁদের ছোট ছেলে। ছোট থেকেই খেলাধুলার প্রতি তাঁর টান ছিল চোখে পরারা মত। কিন্তু আর পাঁচটা বাঙালির মতোই ফুটবল খেলতেই বেশি পছন্দ করতেন সৌরভ। কিন্তু পড়াশোনার চাপে ফুটবল নিয়ে বেশিদূর এগোনো হয়নি ছোট্ট সৌরভের। তবে বাড়িতে খেলাধুলার পরিবেশ ছিলই। বাবা ছিলেন দক্ষ ক্রীড়া প্রশাসক। দাদা স্নেহাশিসও ক্রিকেট খেলতেন। ফলে দাদা কাছেই ক্রিকেটের পাঠ। ১৯৯২ সালে ভারতের ওয়ানডে দলে অভিষেক হয় তাঁর। কিন্তু প্রথম ম্যাচে মাত্র তিন রান করার পরেই দল থেকে বাদ পড়েন তিনি।
এরপর ঘরোয়া টুর্নামেন্টে দীর্ঘসময় নিজেকে প্রমাণ করে ১৯৯৬ সালে ইংল্যান্ডে টেস্ট সফরে ফের একবার দলে ডাক পান সৌরভ। শিকে ছেড়ে দ্বিতীয় টেস্টে। আর জীবনের প্রথম টেস্ট খেলতে নেমেই লর্ডসে সেঞ্চুরি করেন মহারাজ (১৩১।। এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। ২000 সালের গোড়ার দিকে মোহাম্মদ আজহারউদ্দীন থেকে গাঙ্গুলি অধিনায়ক হিসাবে অধিনায়কত্ব পান এবং দলের মধ্যে অত্যাবশ্যক আগ্রাসনের সূত্রপাত করেন যা সেই সময় খুব দরকার ছিল। যুবরাজ সিং, জহির খান, বিরেন্দ্র শেবাগ, আশিস নেহরা এবং হরভজন সিং সহ কয়েকটি নতুন মুখ নিয়ে তৈরি করেন নতুন দল। ২00২ সালে ফাইনালে ন্যাওয়েস্ট ওয়েস্ট সিরিজ একটি বিখ্যাত জয়। আপামর বাঙালি তথা ভারতবাসীর সেই বিখ্যাত ছবি লর্ডস এর ব্যালকনিতে তার শার্ট খুলে ওড়ানো।
দেশকে বিশ্বকাপ উপহার দিতে পারেননি ঠিকই। কিন্তু মহেন্দ্র সিং ধোনি, যুবরাজ সিং, বীরেন্দ্র শেহবাগ,হরভজন সিং, জাহির খানদের বিকশিত হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া সৌরভই যে ভারতীয় ক্রিকেটের চাণক্য তা বোঝা যায় ২০১১ সালে। সেবার ধোনির হাতে বিশ্বকাপ উঠলেও সেই ভারতীয় দলের প্রতিটি ইঞ্চিতে যে ছিল দাদারই হাতের ছোঁয়া, তা স্বীকার করেছে গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। আজ এই মহান ক্রিকেটারের জন্ম দিনে নজরবন্দির পক্ষ থেকে অনেক অভিনন্দন। শুভ জন্মদিন দাদা। ভালো থেকো।
এরপর ঘরোয়া টুর্নামেন্টে দীর্ঘসময় নিজেকে প্রমাণ করে ১৯৯৬ সালে ইংল্যান্ডে টেস্ট সফরে ফের একবার দলে ডাক পান সৌরভ। শিকে ছেড়ে দ্বিতীয় টেস্টে। আর জীবনের প্রথম টেস্ট খেলতে নেমেই লর্ডসে সেঞ্চুরি করেন মহারাজ (১৩১।। এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। ২000 সালের গোড়ার দিকে মোহাম্মদ আজহারউদ্দীন থেকে গাঙ্গুলি অধিনায়ক হিসাবে অধিনায়কত্ব পান এবং দলের মধ্যে অত্যাবশ্যক আগ্রাসনের সূত্রপাত করেন যা সেই সময় খুব দরকার ছিল। যুবরাজ সিং, জহির খান, বিরেন্দ্র শেবাগ, আশিস নেহরা এবং হরভজন সিং সহ কয়েকটি নতুন মুখ নিয়ে তৈরি করেন নতুন দল। ২00২ সালে ফাইনালে ন্যাওয়েস্ট ওয়েস্ট সিরিজ একটি বিখ্যাত জয়। আপামর বাঙালি তথা ভারতবাসীর সেই বিখ্যাত ছবি লর্ডস এর ব্যালকনিতে তার শার্ট খুলে ওড়ানো।

No comments