এবার অভিষেককে কটাক্ষ মন্ত্রী শুভেন্দুর!
নজরবন্দি ব্যুরো: এবারের লোকসভা নির্বাচনে বড় রকমের ধাক্কা খেয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন বাঁকুড়া জেলার দলীয় পর্যবেক্ষক। আপাতত সেই দায়িত্ব এখন রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাতে। রবিবার বিষ্ণুপুরে এক বৈঠকে অভিষেককে কটাক্ষ করে বসলেন শুভেন্দু। শুভেন্দু এদিন বলেন,আমি যখন জেলায় আসব তখন কাউকে রাস্তার পাশে দড়ি ধরে পাহারা দিতে হবে না। সাধারণ মানুষকে কেউ আটকাবেন না। পুলিশকে আমি নিষেধ করে দিচ্ছি এসব কাজ করা আর চলবে না।
তিন মাসের মধ্যে যদি ভুলত্রুটি শুধরে দলকে তুলে ধরতে না পারি তখন আপনারা আমাকে সমালোচনা করবেন।
শুভেন্দুর এই বক্তৃতার পরেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠে যায়, তাহলে তিনি কি অভিষেকের নিরাপত্তার নামে বাড়াবাড়ি দিকে ইঙ্গিত করলেন শুভেন্দু। কারণ অভিষেক যাতায়াত করার কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই পথের নিয়ন্ত্রণ চলে-যায় পুলিশের হাতে। বহু ক্ষেত্রে কিছু রাস্তা বন্ধ করে রাখা হয়। এ নিয়ে মানুষের ক্ষোভ ছিল স্পষ্ট। অনেকের ধারণা, শুভেন্দু কার্যত নিরাপত্তা নামের সেই বাড়াবাড়িকেই ইঙ্গিত করলেন।
শুভেন্দু অধিকার বলেন, প্রাক্তন সিপিআই(এম) বা নব্য বিজেপিদের কি করে সংযত করে মূলস্রোতে ফেরাতে হয়, আমার তা ভাল করেই জানা আছে। অর্থাৎ তিনি যেন বোঝাতে চাইলেন এতদিন এদের মূল স্রোতে ফেরানোর আটকে ছিল। আর তার দায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর উপর বর্তায়।
শুভেন্দুর নিরাপত্তা-জনিত বক্তব্য সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয় রাজনৈতিক মহলে। দলের নেতা-নেত্রীদের মধ্যেও এই নিয়ে বিস্তর আলোচনা চলছে। তবে শুভেন্দু নিজে অভিষেকের নাম করে একটি কথাও বলেন নি।
শুভেন্দুর এই বক্তৃতার পরেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠে যায়, তাহলে তিনি কি অভিষেকের নিরাপত্তার নামে বাড়াবাড়ি দিকে ইঙ্গিত করলেন শুভেন্দু। কারণ অভিষেক যাতায়াত করার কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই পথের নিয়ন্ত্রণ চলে-যায় পুলিশের হাতে। বহু ক্ষেত্রে কিছু রাস্তা বন্ধ করে রাখা হয়। এ নিয়ে মানুষের ক্ষোভ ছিল স্পষ্ট। অনেকের ধারণা, শুভেন্দু কার্যত নিরাপত্তা নামের সেই বাড়াবাড়িকেই ইঙ্গিত করলেন।

No comments