Header Ads

বিজেপি কর্মী খুনে সাজাহান কে সাহায্য পুলিশের? সাবধান, 'দিনকাল বদলাচ্ছে':দেবতনু।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ  সন্দেশখালির ভাঙ্গিপাড়ার মন্ডল পরিবারের বসবাস, হাটগাছিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্ভুক্ত এই বাড়ির মেজ ছেলের নামই প্রদীপ। খুন হয়েছে নৃশংস ভাবে, হত্যা করা হয়েছে তাকে। প্রদীপের পরিবারের অভিযোগ সব কিছু ঘটল পুলিশের উপস্থিতিতে!
প্রদীপের ছোট ভাই সন্দীপ, পেশায় স্কুল শিক্ষক, অভিযোগ করলেন তাঁর দাদাকে যখন গুলি করে হত্যা করা হল তখন পুলিশ সামনে দাঁড়িয়ে! নির্বিকার। দাদাকে তাড়িয়ে দৌড় করিয়ে গুলি করে মারল, পুলিশ তখন নির্বাক দর্শক। শনিবার জামাই ষষ্ঠীর দিনে, শশুরবাড়ি থেকে প্রদীপ সস্ত্রীক সবে ফিরেছে তাঁর পরেই এই কাণ্ড।প্রদীপের কাপড়ের দোকান, সেই দোকানেই ভাঙচুর চালানো হয়।
মন্ডল বাড়ির সামনের উঠনে এখনো জমাট বাঁধা চাপ চাপ রক্ত, হত্যা-সংঘর্ষের পর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।
এলাকাবাসীরা জানাচ্ছে, যেহেতু এই এলাকায় তৃণমূলের থেকে বেশি ভোট পেয়েছে বিজেপি তাই এই হামলা। প্রদীপের পাশাপাশি একই ভাবে বাড়ি থেকে টেনে বার করে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয়েছে সুকান্ত কেও, পেশায় মাছ ব্যাবসায়ী এলাকার তরুন বিজেপি কর্মী।  বাড়িতে তিন বোন এবং মা কে নিয়ে তাঁর সংসার। বড় বোনের বিয়ে হয়ে গিয়েছে আর সুকান্তও নেই! অসহায় মা আর দুই বোন থেকে গেল, কে দেখবে তাঁদের?
 প্রদীপের ভাই সন্দীপ জানালেন, শুধুমাত্র বিজেপি  করার অপরাধেই খুন করা হয়েছে তাঁর ভাই এবং সুকান্ত কে। তৃণমূলের বৈঠক ছিল আসলে বাহানা, খুন করা আর হামলা চালানোই ছিল উদ্দেশ্য। একই অভিযোগ সুকান্তের পরিবারেরও।
এলাকাবাসীরা জানাচ্ছেন, নলকোরা জুনিয়ার হাইস্কুলে চলছিল তৃণমূলের মিটিং, সেই মিটিং শেষ হতেই ২০০ জনের মত দুষ্কৃতী হাতে অস্ত্র নিয়ে বেরিয়ে আসে। গ্রামে ঢুকে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে হামলা চালানো হয় পরিকল্পিত ভাবে।
অন্যদিকে সংগঠনের কর্মী খুন হওয়াতে তাঁর বাড়িতে যান হিন্দু সংহতি-র সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য। তিনি জানান "সন্দেশখালিতে জিহাদি সাজাহান শেখের বাহিনীর হাতে হিন্দু যুবকদের নৃশংস হত্যার প্রতিবাদে ক্যানিং ব্লকের তালদি স্টেশনে হিন্দু সংহতি ট্রেন অবরোধ করেছে।আমাদের বীর যুবকবৃন্দের বলিদান আমরা ব্যর্থ হতে দেবো না"। পাশাপাশি তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোষ্ট করে জানিয়েছেন, "গতকাল সন্দেশখালিতে প্রদীপদা'র বাড়িতে গিয়েছিলাম। দলদাস পুলিশ শুধু এই হত্যাকান্ডের নিষ্ক্রিয় দর্শকের ভূমিকায় ছিলো না, তারা পরোক্ষভাবে হত্যাকারীদের সহযোগিতা করেছে বলেই জানতে পারলাম। সাজাহান সেখের পতনের দিন শুরু। সাজাহানের মত দুষ্কৃতীদের সামনে দাসখত্ দেওয়া পুলিশের মনে রাখা উচিৎ, দিনকাল বদলাচ্ছে। আপনাদের নিশ্চ‌ই চাঁদে জমি কেনা নেই! 

No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.