মূল দুটি গেটে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান বিক্ষোভে এন আর এস-এর জুনিয়র ডাক্তাররা।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ সকাল থেকে হাসপাতালের মূল দুটি গেটে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন জুনিয়র ডাক্তাররা। ভোগান্তিতে পড়েন হাসাপাতালে আসা রোগী এবং তাদের পরিজনেরা। তালা না খোলায় বিক্ষুব্ধ রোগী এবং তাঁদের পরিজনরা যশোর রোড অবরোধ করেন। একটি গেটের তালা ভেঙে ফেলেন। ঠেকাতে গেলে পুলিসের সঙ্গে হাতাহাতি বাঁধে রোগীর পরিজনদের। কিন্তু হাসপাতাল সুপারের ঘরের সামনের গেট এখনও তালাবন্ধ জুনিয়র ডাক্তাররা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মঙ্গলবার কোনও বহির্বিভাগ চালু হবে না। কোনও নতুন রোগীকে টিকিট দেওয়া হবে না। কি কারণে এই অবস্থা?
সোমবার এক রোগীর মৃত্যুতে গাফিলতির অভিযোগ তুলে জুনিয়র ডাক্তারদের মারধর করেন রোগীর পরিজনরা। জুনিয়র ডাক্তাররাও পাল্টা মারধর করে। হাসপাতাল চত্বর রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। রোগীর পরিজনদের ছোড়া ইটের ঘায়ে মাথা ফেটে যায় এক জুনিয়র ডাক্তারের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিস লাঠিচার্জ করে। এখনও পর্যন্ত পাওয়া রণংদেহী হবু চিকিত্সকরা কার্যত ধর্নায় বসেছেন হাসপাতালের গেটেই, তাঁদের দাবি রোগীর পরিবারকে ক্ষমা চাইতে হবে অবিলম্বে, পাশাপাশি শাস্তি দিতে হবে দোষীদের। তাঁরা আরও অভিযোগ জানিয়েছেন এর আগেও একাধিকবার রোগীর পরিবারের হাতে মার খেতে হয়েছে তাঁদের। কাজেই নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে ধর্না চলবে বলেই জানিয়েছেন জুনিয়র চিকিত্সকরা।
সোমবার এক রোগীর মৃত্যুতে গাফিলতির অভিযোগ তুলে জুনিয়র ডাক্তারদের মারধর করেন রোগীর পরিজনরা। জুনিয়র ডাক্তাররাও পাল্টা মারধর করে। হাসপাতাল চত্বর রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। রোগীর পরিজনদের ছোড়া ইটের ঘায়ে মাথা ফেটে যায় এক জুনিয়র ডাক্তারের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিস লাঠিচার্জ করে। এখনও পর্যন্ত পাওয়া রণংদেহী হবু চিকিত্সকরা কার্যত ধর্নায় বসেছেন হাসপাতালের গেটেই, তাঁদের দাবি রোগীর পরিবারকে ক্ষমা চাইতে হবে অবিলম্বে, পাশাপাশি শাস্তি দিতে হবে দোষীদের। তাঁরা আরও অভিযোগ জানিয়েছেন এর আগেও একাধিকবার রোগীর পরিবারের হাতে মার খেতে হয়েছে তাঁদের। কাজেই নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে ধর্না চলবে বলেই জানিয়েছেন জুনিয়র চিকিত্সকরা।

No comments