বন্ধ রাজ্যের সব হাসপাতালের আউটডোর। চরম ভগান্তি রোগীদের।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ এনআরআস কাণ্ডের জেরে দিনভর রাজ্যের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের আউটডোর পরিষেবা বন্ধ থাকায় তীব্র ভোগান্তির শিকার হয়েছেন রোগী ও তাঁদের আত্মীয়া। জুনিয়ারদের সঙ্গে সিনিয়ার ডাক্তাররাও এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় আন্দোলন আরও জোরালো হয়েছে। এমার্জেন্সি চালু রাখার কথা জানানো হলেও শহর ও রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে সেই পরিষেবা বন্ধ রাখার অভিযোগকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কলকাতায় বিভিন্ন হাসপাতালের সামনে রাস্তায় শুয়ে পথ অবরোধে সামিল হয়েছেন রোগীর আত্মীয়রা।
সপ্তাহের প্রায় ছ'দিনই রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের আউটডোরে রোগীর চাপ থাকে। কিন্তু এই পরিষেবা বন্ধ যার ফলে রোগীর এবং তার পরিবারের সদস্যদের চরম অব্যবস্থার মধ্যে পড়তে হচ্ছে।সকাল থেকেই হাসপাতালে গিয়ে শূন্য হাতে ফিরছেন রোগীরা। বিভিন্ন হাসপাতালের আউটডোর গেট রীতিমত তালা বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। মিলছে জরুরি পরিষেবা। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে ভিড় বাড়বে এবং তখন কীভাবে তা সামাল দেওয়া যাবে, সেই আশঙ্কাই ভাবাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষগুলিকে।প্রসঙ্গত সোমবার রাতে এনআরএসে রোগীমৃত্যুর পর চিকিত্সায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিত্সক পরিবহ মুখোপাধ্যায়কে ব্যপক মারধর করা হয়। অভিযোগের তিরে মৃত রোগীর পরিবারের সদস্যরা।
ডোমজুড়ের বাসিন্দা পরিবহ ইটের আঘাতে গুরুতর জখম হয়ে ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সে আপাতত চিকিত্সাধীন। তাঁর মাথার আঘাত এতই বেশি ছিল যে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নিয়ে অপারেশন করা হয়েছে। নাইলে তাঁর জীবন সংশয় হতে পারত বলে আশঙ্কা ছিল বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকদের। অপারেশন পর তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল হলেও, পর্যবেক্ষণে থাকতে হবে। ঘটনার পর রাজ্যের সরকারি হাসপাতালের চিকিত্সকরা নিরাপদ নয়, এই অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার দিনভর দফায় দফায় কর্মবিরতি করে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের চিকিত্সকরা। বুধবার আরও বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিয়ে সমস্ত আউটডোর পরিষেবাই বন্ধ করতে চলেছে জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস।
সপ্তাহের প্রায় ছ'দিনই রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের আউটডোরে রোগীর চাপ থাকে। কিন্তু এই পরিষেবা বন্ধ যার ফলে রোগীর এবং তার পরিবারের সদস্যদের চরম অব্যবস্থার মধ্যে পড়তে হচ্ছে।সকাল থেকেই হাসপাতালে গিয়ে শূন্য হাতে ফিরছেন রোগীরা। বিভিন্ন হাসপাতালের আউটডোর গেট রীতিমত তালা বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। মিলছে জরুরি পরিষেবা। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে ভিড় বাড়বে এবং তখন কীভাবে তা সামাল দেওয়া যাবে, সেই আশঙ্কাই ভাবাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষগুলিকে।প্রসঙ্গত সোমবার রাতে এনআরএসে রোগীমৃত্যুর পর চিকিত্সায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিত্সক পরিবহ মুখোপাধ্যায়কে ব্যপক মারধর করা হয়। অভিযোগের তিরে মৃত রোগীর পরিবারের সদস্যরা।

No comments