মূল সাক্ষী হতে পারেন, নেতাদের হয়ে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার এসএমএস মির্জার।
নজরবন্দি ব্যুরো: বৃহস্পতিবার ম্যারাথন জেরার পরে সিবিআই কর্তারা জানিয়েছিল পুলিশ-কর্তা এসএমএস মির্জা তাদের তদন্তে সহযোগিতা করছেন। কার কার হয়ে তিনি টাকা নিতেন, সেটাই ছিল ওই দিনের জিজ্ঞাসাবাদের মূল বিষয়।
আজ, সোমবার আরও এক দফা জিজ্ঞাসাবাদের পরে সিবিআই কর্তারা জানাচ্ছেন, ২০১৪ সালে বর্ধমানের পুলিশ সুপার থাকাকালীন শাসক দলের কিছু নেতা ও সাংসদের হয়ে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে তোলা আদায়ের কথা কার্যত মেনে নিয়েছেন মির্জা।
নারদ স্টিং অপারেশনের ভিডিয়োতে মির্জাকে টাকা নিতে দেখা যায়। আর সেই ছবি টিভির পর্দায় দেখেছে রাজ্যের মানুষ। অভিযোগ, বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও শিল্পপতির টাকা মির্জার সরকারি বাসভবনে পৌঁছে দেওয়া হত। মির্জার মাধ্যমে সেই টাকা পৌঁছত শাসক দলের কিছু নেতা-মন্ত্রীর বাড়িতে।
এ দিন নিজাম প্যালেসে মির্জাকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারী সংস্থা। তাদের দাবি, চাপের মুখে ওই ঘুষ চক্রের বিষয়ে সব কিছুই স্বীকার করেছেন মির্জা।
সিবিআই সূত্রের খবর, মির্জাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। মির্জার লিখিত বয়ানের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেবার পরিকল্পনা। এবার নারদ-কাণ্ডে জড়িত নেতা-মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণও জমা দেওয়া হতে পারে। মির্জাকে পরে মূল সাক্ষী হিসেবে ব্যবহার করতে চায় সিবিআই।
আজ, সোমবার আরও এক দফা জিজ্ঞাসাবাদের পরে সিবিআই কর্তারা জানাচ্ছেন, ২০১৪ সালে বর্ধমানের পুলিশ সুপার থাকাকালীন শাসক দলের কিছু নেতা ও সাংসদের হয়ে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে তোলা আদায়ের কথা কার্যত মেনে নিয়েছেন মির্জা।
নারদ স্টিং অপারেশনের ভিডিয়োতে মির্জাকে টাকা নিতে দেখা যায়। আর সেই ছবি টিভির পর্দায় দেখেছে রাজ্যের মানুষ। অভিযোগ, বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও শিল্পপতির টাকা মির্জার সরকারি বাসভবনে পৌঁছে দেওয়া হত। মির্জার মাধ্যমে সেই টাকা পৌঁছত শাসক দলের কিছু নেতা-মন্ত্রীর বাড়িতে।
সিবিআই সূত্রের খবর, মির্জাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। মির্জার লিখিত বয়ানের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেবার পরিকল্পনা। এবার নারদ-কাণ্ডে জড়িত নেতা-মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণও জমা দেওয়া হতে পারে। মির্জাকে পরে মূল সাক্ষী হিসেবে ব্যবহার করতে চায় সিবিআই।

No comments