সাংবাদিক গ্রেফতার প্রসঙ্গে আদালতে মুখ পুড়ল যোগী সরকারের!
নজরবন্দি ব্যুরো: সাংবাদিক গ্রেফতারের ঘটনায় সমালোচনার মুখে যোগী সরকার। কেন গ্রেফতার করা হল সাংবাদিক প্রশান্ত কানোজিয়াকে, উত্তরপ্রদেশ সরকারের কাছে সেটাই জানতে চায় আদালত। প্রশান্ত কানোজিয়ার মামলার শুনানির পর শীর্ষ আদালতের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়ল যোগী সরকার। বিচারকের প্রতিক্রিয়া, এরকম ঘটনা ও এরকম গ্রেফতারি আগে দেখা যায়নি।
দ্রুত ওই সাংবাদিককে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।
জানা গিয়েছে, যোগীকে নিয়ে একটি পোস্ট শেয়ার। আর তার দায়ে গ্রেফতার করা হয় ওই সাংবাদিককে। ধৃত প্রশান্ত কানোজিয়া একজন ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক। তাঁর বিরুদ্ধে হজরতগঞ্জ পুলিশ থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়। সেখানে বলা হয়, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের ভাবমূর্তিকে খারাপ করার উদ্দেশ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে ওই রকমের পোস্ট শেয়ার করেছেন সাংবাদিক। তাঁর বিরুদ্ধে আইপিসি’র ৫০০ ও আইটি অ্যাক্টের ৬৬ ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
শীর্ষ আদালত সরাসরি রাজ্য সরকারকে প্রশ্ন করে, ঠিক কোন অভিযোগে ও কিসের ভিত্তিতে ওই সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে।
এমনকি তা জানাতে নির্দেশ দেয় আদালত। যদিও, টানা ১১ দিন ধরে জেলে রয়েছেন প্রশান্ত কানোজিয়া। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ইন্দিরা ব্যানার্জী ও অজয় রস্তোগীর অবসরকালীন বেঞ্চ এদিন এই প্রশ্ন তুলে ধরে যে কেন ওই সাংবাদিককে জেলে থাকতে হচ্ছে।
প্রশান্ত কানোজিয়ার স্ত্রী জিগিষা অরোরার আইনজীবী নিত্যা রামকৃষ্ণন এদিন আদালতে জানান এই গ্রেফতারি অবৈধ। তবে এর পাল্টা উত্তর প্রদেশ সরকারের পক্ষের আইনজীবী প্রশান্তের জামিনের বিরোধিতা করেন আদালতে। তখনই সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়ে উত্তর প্রদেশ সরকার। কি কারণে ওই সাংবাদিক এতদিন ধরে জেলে, তা জানতে চায় আদালত। গোটা ঘটনায় স্বচ্ছতার যথেষ্ট অভাব রয়েছে বলে এদিন মন্তব্য করে সুপ্রিম কোর্টের অবসরকালীন বেঞ্চ। সাংবাদিক গ্রেফতারের ঘটনায় আদালতের এই নির্দেশ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ।
দ্রুত ওই সাংবাদিককে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।
জানা গিয়েছে, যোগীকে নিয়ে একটি পোস্ট শেয়ার। আর তার দায়ে গ্রেফতার করা হয় ওই সাংবাদিককে। ধৃত প্রশান্ত কানোজিয়া একজন ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক। তাঁর বিরুদ্ধে হজরতগঞ্জ পুলিশ থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়। সেখানে বলা হয়, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের ভাবমূর্তিকে খারাপ করার উদ্দেশ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে ওই রকমের পোস্ট শেয়ার করেছেন সাংবাদিক। তাঁর বিরুদ্ধে আইপিসি’র ৫০০ ও আইটি অ্যাক্টের ৬৬ ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
শীর্ষ আদালত সরাসরি রাজ্য সরকারকে প্রশ্ন করে, ঠিক কোন অভিযোগে ও কিসের ভিত্তিতে ওই সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে।
প্রশান্ত কানোজিয়ার স্ত্রী জিগিষা অরোরার আইনজীবী নিত্যা রামকৃষ্ণন এদিন আদালতে জানান এই গ্রেফতারি অবৈধ। তবে এর পাল্টা উত্তর প্রদেশ সরকারের পক্ষের আইনজীবী প্রশান্তের জামিনের বিরোধিতা করেন আদালতে। তখনই সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়ে উত্তর প্রদেশ সরকার। কি কারণে ওই সাংবাদিক এতদিন ধরে জেলে, তা জানতে চায় আদালত। গোটা ঘটনায় স্বচ্ছতার যথেষ্ট অভাব রয়েছে বলে এদিন মন্তব্য করে সুপ্রিম কোর্টের অবসরকালীন বেঞ্চ। সাংবাদিক গ্রেফতারের ঘটনায় আদালতের এই নির্দেশ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ।

No comments