পে-কমিশন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে খোলা চিঠি বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির!
নজরবন্দি ব্যুরো: এই রাজ্যে পে-কমিশন নিয়ে বিতর্ক নতুন ঘটনা নয়। তবে বিভিন্ন সময় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সরকারী কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি বা পে-কমিশন নিয়ে মন্তব্য যা সরকারী কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ বহু গুন বাড়িয়ে দিয়েছে।
সম্প্রতি পে-কমিশন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে খোলা চিঠি লিখলেন বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি।
ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, " উন্নয়ন বন্ধ করে বেতন বৃদ্ধি সম্ভব নয়।
মুখ্যমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করছে বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনন্দ হান্ডা বলেন জনদরদের ভেক ধরে উন্নয়নের নামে যা চলছে তা বাস্তবে মেলা, খেলা, ক্লাব, অনুদান - মদ খেয়ে মৃত্যুতে টাকা বিলি ইত্যাদি নানান পরিকল্পনা বহির্ভূত খাতে দেদার টাকা বিলি। আর শিক্ষা কর্মীদের বেতন আর পেনশন খাতে বরাদ্দকৃত ১৪ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয় নি।
অথচ আর্থিক সংকটের অজুহাতে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়া হয় নি। এমনকি পে-কমিশনের অন্তর্বর্তীকালীন ভাতাও বন্ধ করা হয়েছে। যখন কেন্দ্র সরকার সহ বেশিরভাগ রাজ্য কেন্দ্রীয় ৭ পে কমিশনের সুপারিশ গত ২০১৮ থেকে লাগু করে দিয়েছে, তখন আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে কোন কার্যকরী ব্যবস্থা না নিয়ে কর্মচারীদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করে বিভিন্ন প্রাণীর ( ঘেউ ঘেউ, মিউ মিউ) সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। এরও পর বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যে শিক্ষক-কর্মচারীকুলের প্রতি সাধারণ মানুষের বিরোধ, ঘৃণা বাড়াতে সৃষ্টি করবে।
তিনি নানা অজুহাতে বারে বারে পে-কমিশনের মেয়াদ বৃদ্ধির নীতির তীব্র নিন্দা করেন এবং অবিলম্বে ষষ্ঠ পে-কমিশনের সুপারিশ প্রকাশ ও দ্রুত কার্যকর করার দাবি করেন।"
সম্প্রতি পে-কমিশন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে খোলা চিঠি লিখলেন বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি।
ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, " উন্নয়ন বন্ধ করে বেতন বৃদ্ধি সম্ভব নয়।
মুখ্যমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করছে বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনন্দ হান্ডা বলেন জনদরদের ভেক ধরে উন্নয়নের নামে যা চলছে তা বাস্তবে মেলা, খেলা, ক্লাব, অনুদান - মদ খেয়ে মৃত্যুতে টাকা বিলি ইত্যাদি নানান পরিকল্পনা বহির্ভূত খাতে দেদার টাকা বিলি। আর শিক্ষা কর্মীদের বেতন আর পেনশন খাতে বরাদ্দকৃত ১৪ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয় নি।
তিনি নানা অজুহাতে বারে বারে পে-কমিশনের মেয়াদ বৃদ্ধির নীতির তীব্র নিন্দা করেন এবং অবিলম্বে ষষ্ঠ পে-কমিশনের সুপারিশ প্রকাশ ও দ্রুত কার্যকর করার দাবি করেন।"

No comments