ডি.এ. PRT-TGT সহ পে-কমিশনের দাবিতে তীব্র আন্দোলনের পথে বিজেপি শিক্ষক সেল। #Exclusive
নজরবন্দি ব্যুরোঃ আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের "যখন ক্ষমতা হবে তখন সাধ্যমতো পে-কমিশন দেওয়ার চেষ্টা করব, সবসময় এটা দাও সেটা দাও বললে হবে না" এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করল ভারতীয় জনতা পার্টির শিক্ষক সংগঠন বিজেপি শিক্ষক সেল।
বিজেপি শিক্ষক সেলের রাজ্য কনভেনার দীপল বিশ্বাস বলেন রাজ্য সরকারের সর্বপ্রথম দায়িত্ব হল রাজ্য সরকারি কর্মচারী এবং শিক্ষকদের বেতন সঠিকভাবে প্রদান করা। কিন্তু বর্তমান তৃণমূল সরকার রাজ্য সরকারি কর্মচারী এবং শিক্ষকদের বিগত আট বছর ধরে প্রত্যেক কর্মচারী এবং শিক্ষককে বছরে গড়ে পাঁচ লক্ষ টাকা করে বঞ্চিত করছে। ভারতবর্ষের প্রতিটি রাজ্যে সপ্তম পে-কমিশনের হারে বেতন প্রদান করা হলেও শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গে এখনও পর্যন্ত ষষ্ঠ পে-কমিশনও ঘোষণা করা হয়নি। আমরা বিজেপি শিক্ষক সেলের পক্ষ থেকে ০১/০১/২০১৬ থেকে বকেয়া ডি.এ. সহ কেন্দ্রীয় হারে (PRT এবং TGT স্কেল) সপ্তম পে-কমিশনের দাবি জানাচ্ছি।
দীপল বাবু আরও বলেন লোকসভা ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রী পে-কমিশনের কথা একবারের জন্যেও মুখে আনেন নি। এখন ভোটে হেরে উনি বলছেন সাধ্যমতো পে-কমিশন দেওয়ার চেষ্টা করব। তাও কবে থেকে দেবেন তার নির্দিষ্ট তারিখ তিনি উল্লেখ করেননি। কেন্দ্রীয় হারে বেতন পাওয়া রাজ্য সরকারি কর্মচারী এবং শিক্ষকদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার। রাজ্য সরকার বকেয়া ডি.এ. সহ কেন্দ্রীয় হারে সপ্তম পে-কমিশনে চালু না করা পর্যন্ত বিজেপি শিক্ষক সেলের পক্ষ থেকে সমস্ত জেলা থেকে শুরু করে রাজ্য জুড়ে আন্দোলন চলবে। এমনকি আমরা নবান্ন অভিযানও করব।
বিজেপি শিক্ষক সেলের রাজ্য কনভেনার দীপল বিশ্বাস বলেন রাজ্য সরকারের সর্বপ্রথম দায়িত্ব হল রাজ্য সরকারি কর্মচারী এবং শিক্ষকদের বেতন সঠিকভাবে প্রদান করা। কিন্তু বর্তমান তৃণমূল সরকার রাজ্য সরকারি কর্মচারী এবং শিক্ষকদের বিগত আট বছর ধরে প্রত্যেক কর্মচারী এবং শিক্ষককে বছরে গড়ে পাঁচ লক্ষ টাকা করে বঞ্চিত করছে। ভারতবর্ষের প্রতিটি রাজ্যে সপ্তম পে-কমিশনের হারে বেতন প্রদান করা হলেও শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গে এখনও পর্যন্ত ষষ্ঠ পে-কমিশনও ঘোষণা করা হয়নি। আমরা বিজেপি শিক্ষক সেলের পক্ষ থেকে ০১/০১/২০১৬ থেকে বকেয়া ডি.এ. সহ কেন্দ্রীয় হারে (PRT এবং TGT স্কেল) সপ্তম পে-কমিশনের দাবি জানাচ্ছি।

No comments