Header Ads

না চাইতেও সরকারই বাড়াচ্ছে কমিশনের মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর উলটো সুর অভিরূপের গলায়।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ আজ নবান্নে বিভিন্ন দফতরের ৫২ জন আধিকারিক কে ডেকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, ছিলেন শিক্ষামন্ত্রীও। আলোচনা হয় শিক্ষকদের দাবিদাওয়া, কর্মচারীদের বেতন, ডিএ এবং পে কমিশন নিয়েও। রিভিউ কমিটির বৈঠক শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিক্ষক, কর্মচারীদের ক্ষতে কিছুটা প্রলেপ দেওয়ার চেষ্টা করে তিনি জানান‘ "চলতি বছরে ৫৬ হাজার কোটি টাকা দেনা শোধ করতে হবে তাঁর সরকার কে, তাও গত আট বছরে প্রচুর উন্নতি হয়েছে৷ কিন্তু, সবসময় এটা দাও, ওটা দাও করলে কী করে হবে? টাকা আসবে কোথা থেকে৷ মনে রাখবেন আমরাই একমাত্র ১৩৪ শতাংশ ডিএ দিচ্ছি৷ বাম আমলের ডিএ আমাদের দিতে হচ্ছে৷" ষষ্ঠ পে কমিশন ইস্যুতে তিনি বলেন, "আগে পে কমিশন রিপোর্ট দিক৷ ওই রিপোর্ট দেখে সাধ্যমত চেষ্টা করব৷"
মুখ্যমন্ত্রীর এই সেশ লাইনের বক্তব্য কে ঘিরেই বেঁধেছে গণ্ডোগোল! পে কমিশন রিপোর্ট দিলে তবে তিনি সাধ্যমত চেষ্টা করবেন। সহজ কথায় মানেটা দাঁড়ায় পে কমিশনের রিপোর্টের ওপর সব কিছু দাঁড়িয়ে আর পে কমিশন রিপোর্ট দিচ্ছেনা।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২৭ নভেম্বর, অর্থনীতিবিদ অভিরূপ সরকারের নেতৃত্বে ষষ্ঠ বেতন কমিশন গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিশনের মেয়াদ এখনও পর্যন্ত মোট পাঁচ বার বৃদ্ধি করা হয়েছে। সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর শেষবার সেই মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ৭ মাসের জন্যে অর্থাৎ পে কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২৬শে ডিসেম্বর।
কিন্তু অভিরূপ বাবু দক্ষ অর্থনিতীবিদ তিনি রিপোর্ট দিতে এত দেরি করছেন কেন? এই বিষয়ে খোদ অভিরূপ সরকারের বক্তব্য চমকে দেওয়ার মত, সংবাদ মাধ্যম কে তিনি ফোনে জানান প্র"থম তিন বার সরকারের কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন করেছিল কমিশন।তারপর থেকে সরকারই কমিশনের সময় বাড়িয়ে চলেছে! "
সহজ কথায় রিপোর্ট পেশ করতে দিচ্ছেনা খোদ রাজ্য সরকার, অভিরূপ বাবু একথা মুখে না বললেও ইঙ্গিত সেদিকেই। প্রশ্ন উঠছে কে অসত্য বলছেন? বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান না মুখ্যমন্ত্রী। 

No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.