ফণীর গতিবিধি সঠিক ভাবে ধরতে পারায় ভারতীও আবহাওয়া দপ্তরের প্রশংসায় রাষ্ট্রসঙ্ঘ।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ সঠিক সময়ে সাইক্লোন ফণির গতিবিধি ধরতে পারায় কমানো গিয়েছে প্রাণহানির সংখ্যা। ঘণ্টায় প্রায় ১৭০ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়ে ওড়িশার উপকূলে। ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো না গেলেও 'এক্সট্রিমলি সেভার সাইক্লোন' ফণিতে তুলনামূলক মৃত্যুর সংখ্যা কমানো গিয়েছে। এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর থেকে স্থানীয় প্রশাসন।
সেই প্রশংসাই শোনা গেল খোদ রাষ্ট্রসঙ্ঘের কাছ থেকে।রাষ্ট্র সংঘের বিভিন্ন সংস্থার তরফ থেকেও ঘূর্ণিঝড় ফণীর গতিবিধির ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছিল। ঘূর্ণিঝড়ের পরবর্তী গন্তব্য বাংলাদেশ। সেখানকার ত্রাণশিবির গুলিতেও নজরদারি চালাচ্ছে রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ দল।
ভারতের কাজের প্রশংসা করেছেন রাষ্ট্র সংঘের সেক্রেটারি জেনারেলের বিশেষ প্রতিনিধি মামি মাজুতরি।তিনি বলেছেন, ভারত সেনডাই ফ্রেমওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা কমিয়ে আনতে পেরেছে। সেনডাই ফ্রেমওয়ার্কে ২০১৫ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বিপর্যয়ে মৃত্যুর সংখ্যা কমিয়ে বিভিন্ন দেশ চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল।
সেই প্রশংসাই শোনা গেল খোদ রাষ্ট্রসঙ্ঘের কাছ থেকে।রাষ্ট্র সংঘের বিভিন্ন সংস্থার তরফ থেকেও ঘূর্ণিঝড় ফণীর গতিবিধির ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছিল। ঘূর্ণিঝড়ের পরবর্তী গন্তব্য বাংলাদেশ। সেখানকার ত্রাণশিবির গুলিতেও নজরদারি চালাচ্ছে রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ দল।
ভারতের কাজের প্রশংসা করেছেন রাষ্ট্র সংঘের সেক্রেটারি জেনারেলের বিশেষ প্রতিনিধি মামি মাজুতরি।তিনি বলেছেন, ভারত সেনডাই ফ্রেমওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা কমিয়ে আনতে পেরেছে। সেনডাই ফ্রেমওয়ার্কে ২০১৫ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বিপর্যয়ে মৃত্যুর সংখ্যা কমিয়ে বিভিন্ন দেশ চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল।

No comments